Tips लेबलों वाले संदेश दिखाए जा रहे हैं. सभी संदेश दिखाएं
Tips लेबलों वाले संदेश दिखाए जा रहे हैं. सभी संदेश दिखाएं

शनिवार, 15 जनवरी 2022

অ্যাডসেন্স এর অনুমোদন পাওয়ার সঠিক নিয়ম।how to get adsense approved on my site




অ্যাডসেন্স এর অনুমোদন পাওয়ার সঠিক নিয়ম।how to get adsense approved on my site

ব্লগিং ও ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বাড়িতে বসে অনলাইনে আরনিং করার একটা সুযোগ । আর আমরা তার জন্যই ব্লগিং কে বেছেনিই ।কিন্তু শুধু মাত্র পোস্ট করেই আমরা earning করতে পারবেন সেটা নয় । তার জন্য আপনাকে অ্যাডসেন্সের অনুমোদন পেতে হবে ।আর অ্যাডসেন্স এর অনুমোদন বা অ্যাপ্রুভ পেতে হলে আমাদের বা  আপনাদের  অ্যাডসেন্স সকল নীতি মেনে চলতে হবে । তো আমি আজ বলবো কি কি অ্যাডসেন্স এর নীতি আছে ও আমাদের মানতে হবে । তো যদি আপনারা অ্যাডসেন্স এর অনুমোদন বা অ্যাপ্রুভ পেতে চান তাহলে লিখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন আসা করি উপকৃত হবেন । 

অ্যাডসেন্স কি ? What is AdSense?

তো প্রথমেই আপনাদের অ্যাডসেন্স সম্পর্কে বলি ।অ্যাডসেন্স হচ্ছে একটা অ্যাডস এর অ্যাকাউন্ট যার মাধ্যমে আপনার সাইট এ অ্যাডস  বা বিজ্ঞাপন এর  প্রদর্শন করাই ।এবং তার পরিবর্তে অ্যাডসেন্স আপনাকে মূল্য দেই ।মানে অ্যাডসেন্স আপনার সাইট এ অ্যাডস বা বিজ্ঞাপন এর প্রদর্শন করাই এবং তার জন্য আপনাকে আপনার মূল্য দেই। আর এই টাই হচ্ছে অ্যাডসেন্স ।

অ্যাডসেন্স এর নীতিমালা, নিয়মকানুন ও শর্তাবলী গুলি কি কি

এই তাই হচ্ছে আমাদের মেন টপিক আমরা সাধারনত অ্যাডসেন্স এর নীতিমালা গুলি না মানার কারণেই অ্যাডসেন্স আমাদের অনুমোদন বা অ্যাপ্রুভ দেই না।


নীতিমালা গুলি হলো:-

১.সাইট এর বয়স মোটামুটি একমাসের মত হতে হবে ।

২. অ্যাডসেন্স কোনোদিন সেক্স রিলেটেড কনটেন্ট বা ভিডিও সাপোর্ট করে না তাই ওইসব পোস্ট পাবলিশ করা যাবে না।

৩. খুন খারাবি বা ভয় দেখানো রিলেটেড পোস্ট অ্যাডসেন্স সাপোর্ট করে না ।

৪. বে আইনি ভাবে কোনো মুভি লিংক দিয়ে মুভি ডাউনলোড এইসব কোনো কিছু অ্যাডসেন্স সাপোর্ট করে না ।

৫। কোনো কিছুর ডাওনলোড লিংক বেআইনি ভাবে দিলে অ্যাডসেন্স সাপোর্ট করে না 


 **কি কি নীতিমালা মানলে অ্যাডসেন্সের অনুমোদন পাওয়া যায়


1. প্রথমত এডসেন্স এর অনুমোদন পেতে হলে আমাদের ওয়েবসাইট টা একটু পুরাতন একমাসের পুরাতন হতে হবে

২. অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার জন্য আপনার সাইট টা কে ভালোভাবে কাস্টমাইজ করতে হবে কারণ আপনার সাইটের কাস্টমাইজ যদি ভালো না থাকে বা সুন্দরতা সঠিক জায়গায় সবকিছু যদি না থাকে তাহলে আপনার সাইটটা দেখতেও খারাপ দেখাবে ও এডসেন্সের অনুমোদন আপনি পাবেন না।

৩. এডসেন্স এর অনুমোদন যদি আপনি পেতে চান তাহলে আপনাকে অফ পেজ সেও ও অনপেজ এসইও করতে হবে ।

৪. এমন টপিক নিয়ে লিখবেন যে টপিকে সার্চ গুলো বেশি কিন্তু গুগোলে বেশি পাওয়া যায় না। মানে গুগলের সেই বিষয়ে বেশি চর্চা নেই কিন্তু লোকেরা বেশি সার্চ করে সেই বিষয়টা নিয়ে।

৫. আপনার ওয়ার্ডের সংখ্যা মিনিমাম ৮ শত সংখ্যার মধ্যে রাখতে হবে ।

৬. এডসেন্স এর অনুমোদন পেতে হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পেজ আপনাকে ক্রিয়েট করতে হবে- about me, contact me, disclaimer, privacy policy ইত্যাদি।

৭. সার্চ কনসোলে আপনার সাইট যদি অ্যাড না করেন তাহলে কিন্তু অ্যাডসেন্স এর অনুমোদন পাবেন। না তাই সার্চ কনসোল এর এর সাথে আপনার সাইট অ্যাড করতে হবে ।


কোন কোন ধরনের রিজেক্ট আসতে পারে একটা সাইটে:-


১.LOW VALUE CONTENT ERROR

২.PROGRAM POLICY ERROR

৩. CONTENT POLICY ERROR 



আরো অনেক কিছু এরোর আসে যেটা আমার অত জানা নেই ।কিন্তু আমি যতদূর জানি LOW VALUE CONTENT ও PROGRAM POLICY এই দুটি এরর আমাদের সাইট এ দেখা যায় ।তাই লও ভ্যালু কনটেন্ট ও প্রোগ্রাম পলিসি এবং কনটেন্ট পলিসি এরর কিভাবে ঠিক করতে হয় তা বলবো ।


***Low value content আসার কারণ বা কেনো আসে

আমাদের সব থেকে একটা অ্যাডসেন্স না পাওয়ার রিজেক্ট হচ্ছে লও ভ্যালু কনটেন্ট (low value content)। আমাদের সাইট এ সাধারনত এই রিজেক্ট তাই দেখায় ।তাহলে বলা যাক কেনো আসে ।
Low value content আসার কারণ একটাই আপনার কনটেন্ট এর কোনো মূল্য নেই মানে আপনি যে কনটেন্ট গুলো লিখছেন সেগুলো হচ্ছে useless যেগুলো মানুষ সার্চ করে না ।যার মূল্য খুবই কম ।তাই আপনার low value content আসে ।আর এই low value content এর নিচেই লিখা থাকে High quality users ।
এইটা হচ্ছে আপনি একটা ভালো মানের ইউজার নন তাই আপনার সাইট অ্যাডসেন্স এর জন্য রেডী নয় ।তার জন্যই আপনার low value content আসে।

আপনি যদি copyright free থিম ব্যাবহার না করেন তাহলে আপনার low value content আসতে পারে।আপনার low quality থিমের জন্য low value content আসার চান্স আছে ।


Low value content  এর সমস্যার সমাধান


আমি যত দুর জানি ২০২২ এ বেশির ভাগ প্রবেলম হচ্ছে low value content এর ।মানে আমরা অ্যাডসেন্স এর অনুমোদন এর আবেদন করলে low value content এর এরর দেখিয়ে রিজেক্ট করে দেই ।তারা চার পাঁচটা এর মত কারণ দেখিয়ে রিজেক্ট করে যেমন high quality good experience user, ম্যাক্সিমাম কনটেন্ট রেকামারেন্ট ,থিন কনটেন্ট ইত্যাদি ।

তার মানে হচ্ছে আপনার সাইট সেইরকম ভালো এবং হাই কোয়ালিটি সপ্পনো নয় ।আর আপনি যত গুলো পোস্ট করেছেন সেগুলো বেশি কনটেন্ট এর মধ্যে লিখা নয় ।তার জন্য আপনাকে মোটামুটি ৩০ টা পোস্ট করতে হবে। এবং ওয়ার্ড এর সংখ্যা হবে ৮০০ এর ওপরে।তাহলে আপনার low value content এর প্রবলেম সলভ হবে ।








Program policy eoror আসার কারণ বা কি কারণে আসে 


এই হচ্ছে খুবই একটা বড় ধরনের সমস্যা এই প্রবলেম হলে আমাদের মত ছোট খাটো ব্লগাররা এইটা সহজে ঠিক করতে পারিনা ।এই প্রোগ্রাম পলিসি আসে কারন আমাদের সাইট এমন কিছু একটা ভুল আছে যেটা খুবই বড়ো হতেও পারে কিংবা খুবই একটা ছোট ভুলের জন্য আমাদের প্রোগ্রাম পলিসি এরর টা আসে ।আপনি যদি সাইট এর কোনো সেটিং এ ভুল করে থাকেন বা কনটেন্ট  এ কোনো ভুল করে থাকেন। তাহলে আপনার সাইট এ প্রোগ্রাম পলিসি এরর আসে।


কিভাবে প্রোগ্রাম পলিসি (program policy) এররএর সমস্যার সমাধান


প্রোগ্রাম পলিসি দুর করতে হলে প্রথমেই আমাদের সব সেটিং ভালো ভাবে দেখে নিতে হবে ।তারপর আপনার যদি কোনো কনটেন্ট এর প্রবলেম হয় তাহলে আপনি কনটেন্ট গুলো ও ভালোভাবে চেক করবেন ।কোনো ধরনের সেক্সুয়াল পোস্ট বা কনটেন্ট লিখেছেন কিনা যদি লিখেছেন তাহলে ডিলিট করে দিবেন ।এছাড়া download লিংক আরে যদি কিছু দিয়ে থাকেন তাহলে সব ডিলিট করেদিতে হবে তাহলে আপনার program policy eoror চলে যাবে ।









 



सोमवार, 10 जनवरी 2022

ব্লগের পোস্ট দ্রুত গুগলে ইনডেক্স করার নিয়ম ও পোস্ট ইনডেক্স না হওয়ার কারন ২০২২

 

ব্লগের পোস্ট দ্রুত গুগলে ইনডেক্স করার  নিয়ম ও পোস্ট ইনডেক্স না হওয়ার  কারন ২০২২





কিভাবে দ্রুত ব্লগের  পোস্ট ইনডেক্স করতে হয় 

বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের সামনে একটা জরুরী বিষয় তুলে ধরেছি ।আমরা ব্লগাররা এই সমস্যার সম্মখীন হচ্ছি প্রতি নিয়ত ।আজ আমি আপনাদের পোস্ট ইনডেক্স না হওয়ার সম্পর্কে বলবো ।কেনো আপনার পোস্ট ইনডেক্স হচ্ছে না ।কি জন্য আপনার পোস্ট ইনডেক্স হচ্ছে না ।কি করলে আপনার পোস্ট ইনডেক্স হবে সব আপনাদের আমি এই 2022 সালে বলবো ।যাতে আপনাদের এই সমস্যার সমাধান নিশ্চই পাবেন ।

 আমি যত দুর জানি ব্লগিং অনেকের সখ হয় ।কিন্তু সেই সখ থেকেই তারা কিছু উপার্জন করতে পারে ।আর বেশির ভাগ জনেরই ব্লগিং হচ্ছে কিছু আয় করা ।তাই যদি আমাদের পোস্ট ইনডেক্স না হয় তাহলে আমাদের পোস্ট তো গুগলে  সার্চ দিলেই আসবে না ।তাহলে আপনার ভিজিটর ও আসবে না আর আপনি কোনো দিন অ্যাডসেন্স পাবেন  না।তো চলুন জেনে নিই কি কারণে আমাদের পোস্ট ইনডেক্স হয়না  ও কি কি নিয়ম মানলে পোস্ট ইনডেক্স হবে ।

ব্লগ পোস্ট ইনডেক্স না হওয়ার কারণ :-

. পোস্ট ইনডেক্স না হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে আপনার ব্লগ সেটিং ।

:- আমরা না জেনেই নানা রকম আজেবাজে  সেটিং করে ফেলি তাই আমাদের পোস্ট ইনডেক্স হয় না।

২.এমন পোস্ট করা যে পোস্ট গুলো গুগলে বেশি পরিমাণ আছে এবং আপনার পোস্ট পরে কোনো ভালো কিছু যদি না পাই তাহলে আপনার পোস্ট ইনডেক্স কিন্তু গুগল করবে না ।



৩. সার্চ কনসোলে আপনার সাইট অ্যাড না করা  :- 

যদি আপনার সাইট সার্চ কনসোলে এড না করেন তাহলে আপনার পোষ কোনদিন ইন্ডেক্স হবে না।

** কিভাবে সার্চ কনসোল অ্যাকাউন্ট এ ব্লগ সাইট অ্যাড করতে হয়

 আপনার সাইটে এড করবেন সেটা আমি আপনাদের প্রশ্নের মধ্যেই বলে দেব।

( প্রথমে আপনি গুগলে যাবেন সেখানে সার্চ দিবেন সার্চ কনসোল ।তারপর আপনার সামনে কাছে সার্চ কনসোল এর সাইট দেখতে পাবেন সেটাই ক্লিক করবেন ।তারপর আপনার একাউন্ট খোলার জন্য আপনার ওয়েবসাইট লিংক দিতে হবে ।আপনার যদি ডোমেইন থাকে তাহলে আপনি বাম সাইড এর অপশন এ ক্লিক করে আপনার সাইট লিঙ্ক দিয়ে কন্টিনিউ করবেন তারপর আপনার ভেরিফাই করার জন্য আপনাকে).

৪. সার্চ কনসোলে ঠিকভাবে সাইটম্যাপ জেনারেট না করা।

যদি আপনি আপনার সাইটম্যাপ ঠিকভাবে ক্রিয়েট না করে সার্চ কনসোলে এড করে দেন তাহলে আপনার পোস্ট কোনদিন ইন্ডেক্স হবে না।


৫. অন্য কারোর পোস্ট কপি করে নিজের ব্লগে পেস্ট করা ।

যদি আপনি অন্য কারোর পোস্ট কপি করে নিজের ব্লগে পোস্ট করেন তাহলে কিন্তু আপনার পোস্ট ইনডেক্স হবে না ।


****পোস্ট ইনডেক্স করানোর নতুন ও সহজ উপায় :-

তো চলুন আমরা জেনে নিই কিভাবে পোস্ট ইন্ডেক্স করাতে হয় আজ আমরা ইনডেক্স এর সমস্যা একদম সমাধান করে দেব তার জন্য আপনাকে ভালোভাবে পোস্টটি পড়তে হবে।


**ভালোমানের পোস্ট বা কনটেন্ট:-

 আপনাকে পোস্ট ইন্ডেক্স করাতে গেলে ভালো মাপের কনটেন্ট লিখতে হবে । যেগুলি গুগলে বেশি পাওয়া যায় না এবং তার চাহিদা খুব বেশি। তাহলে নিঃসন্দেহে আপনার পোস্ট ইন্ডেক্স হবে কোনরকম বাধা ছাড়াই।


**ম্যাক্সিমাম ও মিনিমাম কনটেন্ট রাইটিং:-

আপনার ভালো মানের কনটেন্ট লেখার সাথে সাথে আপনার কনটেন্ট যেনো মিনিমাম 800 থেকে হাজার ওয়াডের মধ্যে হয় তাহলে আপনার পোস্ট ইনডেক্স কোনো প্রব্লেম হবে না।


***নিজের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী পোস্ট করা


আপনি যদি আপনার পোষ্ট ইন্ডেক্স করাতে চান তাহলে আপনাকে যে টপিক নিয়ে আপনি পোষ্ট লিখেছেন সেই টপিক সম্বন্ধে আপনার একটু সাধারণ জ্ঞান থাকতে হবে আপনি যদি ব্যাখ্যা দিতে যান ব্লগ কাকে বলে সেখানে আপনি খাবার তৈরি করার বর্ণনা দিলে। গুগলের ক্রলের না কখনোই আপনার পোস্ট ইন্ডেক্স করাবে না।


***কপি কনটেন্ট:-

আপনি আপনি কারো সাইট থেকে যদি পোস্ট কপি করে নিজের সাইটে পেস্ট করেন তাহলে আপনার পোস্ট কখনোই ইন্ডেক্স হবে না। এবং আপনি অ্যাডসেন্সে কোনদিন কপি পেস্ট করে পাবেননা তাই চেষ্টা করবেন নিজের হাতে লেখার।

***ক্রোলের বাজেট আনলিমিটেড রাখা:-

আমরা সাধারণত এই ভুলটা করে রাখি আমরা সার্চ কনসিল একাউন্টে গিয়ে সেখানে ক্রাউলার বাজেট মিনিমাম করে রাখি তার ফলে যতদিন এর জন্য ক্রাউলার বাজেট অন করে রাখি ততদিন আমাদের পোস্ট ইন্ডেক্স হয় এবং তার বেশি হয়ে গেলে গুগলের ক্রাউলার আপনার পোস্ট আর দেখেনা। কার জন্য পোস্টিং মিক্সিং বন্ধ হয়ে যায় তার জন্য আমাদের ক্রাউলার বাজেট আনলিমিটেড করে রাখা উচিত।

***কপিরাইট ফ্রি ফটো ব্যবহার করা :-

ইন্ডেক্স করানো মূল বিষয় হলো আপনার কনটেন্ট কেমন ও আপনার ফটো কেন আপনার ফটো যদি কপিরাইট হয় তাহলে কিন্তু আপনার পোস্ট ইনটেক্স হতে সমস্যা হবে। তাই আমাদের উচিত কপিরাইটমুক্ত ফটো ব্যবহার করা। আপনি ক্যানভা অ্যাপের মাধ্যমে ফটো এডিট করি ব্লগে পোস্ট করলে আপনার ফটো কপিরাইট মুক্ত হবে। তাহলে আপনার ইনডেক্স হতে সমস্যা হবে না।


****ব্লগ সেটিং:-

আমরা সাধারণত ব্লগে সেটিং করবার সময় অনেক রকম ভুল করে দিই তার জন্য আমাদের পোষ্ট ইনডেক্স হয় না।
তাই আমি আজ একদম সঠিক ও নির্ভুল সেটিং দেখবো ফটো সহ ।


ফটো:-


 প্রথমেই আপনি আপনার ব্লগার সেটিং এ গিয়ে দেখুন যে আপনার প্রাইভেসি এর জায়গায় Visible to search engines on আছে কি না ।যদি অন না থাকে তাহলে আপনার কোনো দিন পোস্ট ইনডেক্স হবে না ।তাই অন করে নিতে হবে ।তারপর একটু স্ক্রল করে দেখতে পাবেন । Crawlers and indexing এই খানে আপনাকে Enable custom robots.txt অন করে নিতে হবে ।এবং ব্লগ সাইট ম্যাপ জেনারেটর এ গিয়ে আপনার ব্লগের সাইট ম্যাপ জেনারেট করে  custom robots.txt জায়গায় বসিয়ে দিবেন ।

তারপর আপনি যদি Enable custom robots header tags অন না করে থাকেন তাহলে অন করে দিবেন ।
 Home page tags এই জায়গায়  ---------- all  or nodp
Archive and search page tags------ all or nodp
Post and page tags- ---------- all or nodp kore রাখবেন তাহলে আপনার সব সেটিং ঠিক আছে কোনো রকম ইনডেক্স হতে প্রবলেম হবে ।এত কিছু করার পর ও যদি আপনার পোস্ট ইনডেক্স না হয় তাহলে আপনাদের জন্য ১০০% ইনডেক্স হবে যদি এই স্টেপ টা সঠিক ভাবে করেন ।
গুগোল নিউজ এর অ্যাপ্রভাল  নেয়া:- আপনার যদি পোস্ট ইনডেক্স না হয় ম্যানুয়াল ইনডেক্স করেও সব কিছু ঠিকঠাক থাকার সত্বেও তাহলে আপনাকে বলে রাখি আপনি গুগোল নিউজ এর অ্যাপ্রুভ নিতে পারেন  তাহলে আপনার পোস্ট ৫ মিনিট এর মধ্যে ইনডেক্স হবে ।আমি এটাই ১০০% গ্যারান্টি দিতে পারি যে পোস্ট ইনডেক্স হবেই ।


কীভাবে গুগোল নিউজ এর অ্যাপ্রুভ নিতে হয় :-












सोमवार, 20 दिसंबर 2021

Filipkart অ্যাপ ব্যাবহার করার নিয়ম ও কিভাবে Flipkart থেকে জিনিস পত্র অর্ডার দিতে হয়

 Filipkart অ্যাপ ব্যাবহার করার নিয়ম:-



আজ আমরা একটা আলাদা বিষয় নিয়ে কথা বলবো ।যেটা আপনাদের নিশ্চই কাজে আসবে।এই অনলাইনের যুগে বাড়িতে বসে বসেই হাজারো জিনিস অর্ডার দিতে পারবেন ।তাহলে আপনি কেনো পিছনে থাকবেন ।তাহলে আপনিও তৈরি হয়ে যান কিভাবে বাড়িতে বসেই আপনি সকল কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস অর্ডার দিতে পারবেন ।


কিভাবে (flipkart) ফ্লিপকার্ট অ্যাপ ডাওনলোড করতে হয় ?

 তো আসুন আমরা জেনে নিই কিভাবে filipkart অ্যাপ ডাউনলোড করতে হয়।তো প্রথমেই আপনার মোবাইল এ playstore অ্যাপ টা থাকতে হবে ।এবং প্লেস্টোর এ গিয়ে search বক্স এ সার্চ দিতে হবে filipkart তাহলে আপনার কাছে একটা অ্যাপ চলে আসবে সেই অ্যাপ টা ডাউনলোড করবেন ।এবং ওপেন করবেন ।

তারপর আপনি আপনার ভাষা নির্বাচন করে নিবেন ।যদি আপনি বাঙালি হন তাহলে বাংলা ভাষা বেছে নিবেন।আর যদি আপনি অন্য কোনো ভাষা জানেন সেটাও আপনি বেছে নিতে পারেন ।এছাড়া আপনি filipkart অ্যাপ এর মধ্যে ইংলিশ ভাষা ও দেখতে পাবেন । ইংলিশ ভাষা টা বেছে নেয়ায় ভালো।তারপর আপনি ভাষা বেছে নেয়ার পর নেক্সট এ ক্লিক করবেন ।তারপর আপনার কাছে একটা নতুন পেজ খুলে যাবে ।সেখানে আপনার মোবাইল নম্বর বসাবেন এবং কন্টিনিউ এ ক্লিক করবেন ।তখন আপনার কাছে একটা ম্যাসেজ আসবে মানে একটা one time password আসবে সেটা আপনি আপনার filipkart অ্যাকাউন্ট এ বসাবেন ।তাহলে আপনার একটা filipkart অ্যাকাউন্ট খুলে যাবে 

আর আপনি চাইলে আপনার Flipkart অ্যাকাউন্ট ইমেইল এর দাড়াও খুলতে পারবেন ।আপনি যেখানে মোবাইল নম্বর দিলেন তার নিচে লিখা আছে ইউজ ইমেইল একাউন্ট। সেটাই ক্লিক করলে আপনার ইমেইল এড্রেস দিলে আপনার ইমেইল এ একটা otp যাবে সেই otp বসালে আপনার Flipkart অ্যাকাউন্ট খুলে যাবে।

নিচে STEP BY STEP  ফটো দেয়া হলো:-

 PHOTO :-




Flipkart অ্যাপ এর অ্যাপ এর মধ্যে কি কি ফিচারস আছে:-



1.ALL CATEGORIES-সব বিভাগ

2.CHOOSE LANGUAGE-ভাষা নির্বাচন করুন--

3.OFFER ZONE:-

4.SELL ON FLIPKART:-ফ্লিপকার্টে বিক্রি করুন:-

5.MY ORDERS:-আমার নির্দেশনা

6.MY REARDS

7.MY CART

8.MY WISHLIST

9.MY ACCOUNT

10.MY CHATS 


তাহলে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে কত রকম ফিচারস আপনি Flipkart থেকে পাচ্ছেন ।এইবার জানবো এই গুলোর কাজ কি বা এই ফিচারস এর কাজ কি কি?


CHOOSE LANGUAGE-ভাষা নির্বাচন করুন- 

এইটার মাধ্যম এ আপনি যদি flipkart অ্যাকাউন্ট খোলার সময় অন্য অন্য কোনো ভাষা ভুল করে নির্বাচন করে ফেলেন তাহলে আপনি এই অপশন তাই গিয়ে আপনার ভাষা আবার পাল্টাতে পারবেন ।

OFFER ZONE:-

অফার জোন হচ্ছে Flipkart company আমাদের জন্য যে ছার দেন সেটাই হচ্ছে অফার জন ।এইটার মাধ্যমে আপনি অনেক কিছু কেনাকাটার সময় অনেক ছার পাবেন ।

SELL ON FLIPKART:-ফ্লিপকার্টে বিক্রি করুন:

আপনি যেমন Flipkart থেকে কোনো কিছু কিনছেন সেরকম আপনিও ফ্লিপকার্ট এর এই অপশন তাই আপনার জিনিস বিক্রি ও করতে পারবেন ।তাহলে বুঝতে পারছেন কত সুবিধা রয়েছে flipkart app এ।


MY ORDERS:-আমার নির্দেশনা 

এটা হচ্ছে আপনার আপনি কি কি জিনিস পত্র অর্ডার দিয়েছেন এবং সেগুলো আস্তে কতো সময় লাগবে । কইটার সময় আসবে সব আপনি দেখতে পাবেন my orders এর অপশন এ আপনি আপনার কখন কোন জিনিস টা  অর্ডার দিয়েছেন সব কিছু দেখেতে পাবেন ।

MY CART:-

My Cart হচ্ছে আপনি যদি Flipkart এর কোনো জিনিস আপনাকে ভাল লাগে তাহলে সেটা যেনো পড়ে না খুঁজতে হয় তার জন্য আপনি my cart করে রাখতে পারেন ।তাহলে যখন আপনি my cart অপশন এ যাবেন তখন  আপনি। দেখতে পাবেন ।কি কি জিনিস আপনার পছন্দ ছিলো সেগুলো আপনি অর্ডার দিতে পারবেন ।এইটাই হচ্ছে my cart এর সূভিধা।


MY ACCOUNT:-

My account হচ্ছে আপনি যে প্রোফাইল Flipkart এ তৈরি করেছেন সেটা হচ্ছে my account । এখানে আপনি আপনার সমস্ত ডিটেইল পাল্টাতে পারবেন।আপনার মোবাইল নম্বর পাল্টাতে পারবেন ।এখানে আপনি আপনার ফটো অ্যাড করতে পারবেন ।

MY CHATS:- 

MY CHATS হচ্ছে আপনি আপনার যদি কোনো FLIPKART কে প্রশ্ন থাকে তাহলে আপনি ফ্লিপকার্ট কে করতে পারেন । ফ্লিপকার্ট আপনার উত্তর ভালোভাবে দিবে আপনার যদি কোনো সন্দেহ থাকে তাহলেও আপনার সন্দেহ ও দুর করে দিবে।

মানে flipkart আপনার সকল ধরনের উত্তর my chats এর মাধ্যমে দিবে  ।তাতে আপনার প্রবলেম ও যদি থাকে তাহলে আপনার প্রবলেম ও সলভ করে দিবে।



কিভাবে Flipkart অ্যাকাউন্ট থেকে জিনিস পত্র অর্ডার দিতে হয়:- 


আজ আমরা জানবো যে কিভাবে Flipkart থেকে কোনো জিনিস অর্ডার দেবো।তো জেনে নি অর্ডার কিভাবে দিতে হয়।

তো প্রথমে আপনাকে আপনার Flipkart অ্যাপ ওপেন করে নিতে হবে ।তারপর আপনি flipkart এর সার্চ বারে গিয়ে আপনি যে জিনিস ত কিনবেন বা অর্ডার দিবেন তার নাম দিয়ে সার্চ দিবেন ।তাহলে আপনার কাছে একটাই জিনিস অনেক রকম ধরনের আপনার সামনে চলে আসবে ।আপনার যে টা পছন্দ সেটাই ক্লিক করবেন।এবং সেই জিনিস তার সব ডিটেইল আপনার সামনে চলে আসবে এবং নিচে দেখতে পাবেন buy now । সেটাই ক্লিক করবেন 



Buy now এ ক্লিক করার পর আপনি দেখতে পাবেন যে আপনার কাছে তিনটি স্টেপ চলে এসেছে
1। অ্যাড্রেস 2।অর্ডার Summary 3।payment
এবং নিচে আপনার কাছে আপনার অ্যাড্রেস চাইবে আপনি কথা থেকে জিনিস টা নিবেন ।সেই অ্যাড্রেস দিয়ে দিবেন এবং কন্টিনিউ এ ক্লিক করবেন ।
তারপর আপনার কাছে  ওপরের ফটোর মত একটা পেজ খুলে যাবে ।এটা হচ্ছে payment অপশন যেটা দিয়ে আপনি টাকা দিবেন ।আর এখানে অনেক রকম সুবিধা আছে ।আপনি upi,wallets,atm,net banking,emi,cash on delivery।gift card । এই সব দিয়ে আপনি পেমেন্ট করতে পারবেন ।কিন্তু আপনি যদি আগে জিনিস নিয়ে তারপর টাকা দিতে চান তাহলে আপনি ক্যাশ অন ডেলভারি অপশন এ ক্লিক করে কন্টিনিউ এ ক্লিক করবেন ।



তারপর আপনার কাছে ওপরের ফটোর মত একটা অপশন চলে আসবে সেখানে আপনি আপনার ক্যাপচা কোড বসিয়ে দিয়ে কনফ্রিম অর্ডার টাচ করলেই আপনার অর্ডার success হয়ে যাবে।


কিভাবে flipkart থেকে অর্ডার ক্যানসেল করতে হয়:-

How to cancel order from flipkart:-

তো আজ আমরা  জানবো কিভাবে আপনার ভুল করে অর্ডার হয়ে যাওয়া জিনিস টা ফেরত দিবেন বা ক্যানসেল করবেন।

আপনাদের আমি একটা কথা বলে রাখি যে অর্ডার ক্যানসেল আর রিটার্ন এক বিষয় নয় ।কিন্তু একি টাইপের ।

তো আমরা জেনে নিই যে কিভাবে অর্ডার ক্যানসেল করতে হয়:-

তো প্রথমেই আমরা চলে যাবো ফ্লিপকার্ট অ্যাপ এ 

তারপর my orders অপশন এ যাবেন সেখানে আপনার অর্ডার টা দেখতে পাবেন ।অর্ডার এর নিচে লিখা আছে ক্যান্সেল ও নীড হেল্প ।(নিচে ফটো দিলাম)আপনি ক্যানসেল এ ক্লিক করবেন তারপর আপনার সামনে চলে আসবে কেনো আপনি অর্ডার টা ক্যান্সেল করতে চাইছেন আপনি কারণ টা সিলেক্ট করবেন এবং ক্যানসেল অর্ডার এ ক্লিক করবেন তাহলে আপনার অর্ডার ক্যানসেল হয়ে যাবে ।আপনি চাইলে আপনার ক্যানসেল এর স্টেটাস ও দেখতে পাবেন ।আর আপনার অর্ডার ক্যানসেল হয়ে গেলে কিছু ক্ষন পর অ্যাপনার মোবাইল masg চলে আসবে।

নিচে আমি স্টেপ বায় স্টেপ ফটো গুলো দিলাম:-






কিভাবে flipkart থেকে টাকা উপার্জন করা যায়:- 

আপনারা হয় তো জানেন না যে ফ্লিপকার্ট থেকে টাকা উপার্জন করা সম্ভব।তাই আজকে আমি বলবো কি করে ফ্লিপকার্ট থেকে টাকা ইনকাম বা কোনো কিছু ফ্রী তে অর্ডার দেয়া যায়।

ফ্লিপকার্ট থেকে আপনি দুটি ফিচারস এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।একটা হচ্ছে গেম খেলে আর একটা হচ্ছে ভিডিও দেখে তার question এর উত্তর দিয়ে ।

আপনি দিনে ২০০ মত আর্নিং করতে পারবেন ।

তাহলে আপনাকে শুধু গেম খেলে জিততে হবে ও সুপার কইন জোগাড় করতে হবে তবে আপনি ফ্লিপকার্ট থেকে টাকা উপার্জন করতে পারবেন ।
































शनिवार, 18 दिसंबर 2021

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলার সঠিক নিয়ম

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম:-




আজ আমরা নতুন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলবো ।যেটা আমরা সবাই ব্যাবহার করি কিন্তু সেটা কি করে তৈরি করতে হয় সেটা আমরা জানি না। কাউকে দিয়ে ফেইসবুক একাউন্ট খুলি।তাহলে আমরা আজ জানবো কিভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়।আমরা যদি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট যদি না খুলি তাহলে আমরা এই যুগের কিছুই নয়।এই যুগে ফেসবুক হয়ে উঠেছে একটা জনপ্রিয় একটা অ্যাপ ।আমরা প্রায় সবাই ফেইসবুক অ্যাপ এ পড়ে থাকি।তাহলে আমাদের জানতে হবে যে কি করে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় ।কিভাবে ফটো পোস্ট করতে হয় ।কিভাবে ভিডিও পোস্ট করতে হয়।কিভাবে ফেসবুক  এ আপনি একটা পেজ খুলতে পারবেন ।কিভাবে আপনি ফেসবুক এ আপনার একটা পার্সোনাল গ্রুপ খুলতে পারবেন ।কিভাবে আপনি আপনার ফেসবুক কে নিরাপদে রাখবেন ।কিভাবে ফেসবুক এর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে আবারও নতুন পাসওয়ার্ড দিতে হয় ।

এই সব বিষয় আমি আপনাদের বলবো ।তো বেশি কথা না বলে মূল বক্তব্যই চলে আসি।

তাহলে প্রথমেই আমরা জেনে নিই,

কিভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়:-


১.আপনি প্রথমে আপনার ফেসবুক অ্যাপ টা ডাউনলোড করে নিতে হবে।তারপর আপনার ফেসবুক অ্যাপ টা ওপেন করতে হবে ।তারপর আপনি ওপরের ফটোর মত একটা ফেস দেখতে পাবেন ।এবং create new account এ ক্লিক করবেন ।যা ওপরের রেড মার্ক ফটোর মত ।তারপর আপনার কাছে দ্বিতীয় ফটোর মত একটা পেজ খুলে যাবে।

তার পর ওপরের ফটোর মত আপনি join ফেসবুক দেখতে পাবেন । এবং আপনি সেখানে নেক্সট এ ক্লিক করবেন ।তারপর নিচের ফটোর মত একটা ফেস দেখতে পাবেন ।
তারপর আপনি ওপরের ফটোর মত একটা  ফেস দেখতে পাবেন ।সেখানে আপনার নাম লিখতে হবে ।ফার্স্ট নাম আপনার যেটা বতে সেটা লিখতে হবে ।এবং sure নাম কি বা লাস্ট নাম কি সেটা আপনাকে লিখতে হবে ।
তারপর আপনার date of birth মানে আপনার জন্ম কত সালে কত মাসে কত তারিখে সব লিখে দিবেন।তারপর আপনি নেক্সট এ ক্লিক করবেন।তারপর আপনার কাছে নিচের ফটোর মত একটা ইন্টারফেস খুলে যাবে 
এই ওপরের ফটোতে যেটা দেখছেন সেটা হলো আপনি
মেয়ে না ছেলে না অন্য কিছু সেটা আপনাকে বেছে নিতে হবে ।আপনি যদি ছেলে হন তাহলে আপনাকে male বেছে নিতে হবে ।আর আপনি যদি মেয়ে হন তাহলে আপনাকে femel বেছে নিতে হবে ।আর আপনি যদি অন্য কিছু হন তাহলে আপনাকে others বেছে নিতে হবে । তারপর আপনাকে নেক্সট এ ক্লিক করতে হবে ।


  

তারপর আপনার কাছে ওপরের ফটোর মত একটা ফেস ওপেন হবে ।সেখানে আপনি দেখতে পাবেন যে আপনার মোবাইল নম্বর চাইছে ।সেখানে আপনার মোবাইল নম্বর দিয়ে নেক্সট এ ক্লিক করবেন ।আর আপনি যদি আপনার মোবাইল নম্বর না থাকে তাহলে আপনি ইমেইল দিয়েই করতে পারবেন ।

তার জন্য আপনাকে আপনার gmail খুলতে হবে ।এবং আপনার যে ইমেইল টা ফেসবুক এ দিতে চান সেই ইমেইল টা বেছে নিয়ে নেক্সট এ ক্লিক করবেন।
এই টা হচ্ছে আপনার সবথেকে গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় এটা আপনার মনের মত দিতে হবে ।মনে আপনি আপনার ফেসবুক এ কোন পাসওয়ার্ড দিবেন ।যেটা আপনি ছাড়া কেউ যেনো না জানতে পারে।তাই আপনকে ভালো একটা স্ট্রং পাসওয়ার্ড দিতে হবে ।তারপর  নেক্সট এ ক্লিক করবেন ।এই তাই আপনার account খোলা কমপ্লিট হয়েগেছে but আপনকে আর দুই চারটা স্টেপ foolw করতে হবে তাহলে আপনি একটা ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট খুলতে সক্ষম হবেন 

আপনি পাসওয়ার্ড দিয়ে নেক্সট এ ক্লিক করবেন এবং আপনার কাছে ওপরের ফটোর মত একটা অপশন দেখতে পাবেন ।এবং আপনি সেখানে চুজ ফ্রম গ্যালারি ও টেক ফটো এই দুটি অপশন দেখতে পাবেন ।যদি আপনি গ্যালারি থেকে ফটো দিতে চান তাহলে আপনাকে গ্যালারি সিলেক্ট করতে হবে ।আর যদি আপনি সঙ্গে সঙ্গে ফটো তুলে অ্যাড করতে চান তাহলে take photo অপশন এ ক্লিক করতে হবে ।

আপনি যখন গ্যালারি থেকে ফটো নিবেন তখন আপনার কাছে এই রকম একটা পেজ খুলে যাবে ।মানে আপনার গ্যালারি এর সম্মস্ত ফটো গুলো আপনার কাছে শো হবে ।সেখান থেকে আপনি যে ফটো টা দিতে চান সেটা বেছে নিবেন ।তারপর ব্যাস আপনি আপলোড করে দিবেন



তাহলে আপনার একটা নির্ভুল ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা হবে ।যদি আপনার ওপরের ফটোতার  মত পেজ ওপেন হয়ে যায় তাহলে আপনি জানবেন ।আপনার একাউন্ট খোলা সম্পূর্ণ হয়েছে ।তাহলে আপনারা জানলেন যে কিভাবে একটা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়।
আশাকরি আপনাদের বুঝতে কোনো অসুবিধা হয়নি।
আর যদি কোনো অসুবিধা হয় থেকে তাহলে নিচে কমেন্ট বক্স আছে সেখানে গিয়ে আপনার অসুবিধা জানতে পারবেন ।আমি চেষ্টা করবো যে আপনার প্রবলেম ঠিক করার।


ফেসবুকের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কী করতে হবে :-


যদি আপনি ফেসবুক চালান তাহলে আপনাকে ফেসবুক সমন্ধে ভালো করে জানতে হবে ।তাই ধরুন আপনি ফেসবুক এর পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন তখন আপনি কি করবেন ।
তখন আপনি ফেইসবুক এ গিয়ে forgot পাসওয়ার্ড বলে একটা অপশন আছে সেটাই ক্লিক করবেন এবং আপনার কাছে কাছে একটা অপশন চলে আসবে ফাইন্ড my account বলে সেটাই আপনার মোবাইল নম্বর বসাবেন ।এবং ফাইন্ড মায় অ্যাকাউন্ট এ ক্লিক করবেন ।তারপর আপনার আপনার প্রোফাইল টা আপনার মোবাইল এ শো হবে ।সেখানে  দেখতে পাবেন send otp my Mobile number ওই তাই ক্লিক করলে আপনার মোবাইল এ একটা ওন টাইম পাসওয়ার্ড আসবে সেটা কপি করে otp টা বসিয়ে দিবেন এবং সাবমিট এ ক্লিক করবেন তাহলে আপনার কাছে নতুন একটা পেজ খুলে যাবে ।সেট নিউ পাসওয়ার্ড বলে ।সেখানে আপনি আবার একটা নতুন পাসওয়ার্ড দিবেন ।এবং আপনার পাসওয়ার্ড আবার নতুন হয়ে যাবে। তাহলে বুঝতে পারলেন কিভাবে ফেইসবুক এর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে আবারও নতুন পাসওয়ার্ড দেয়া যায়।

কিভাবে ফেসবুকে আপনার নাম পাল্টাতে পারবেন :-



প্রথমেই আপনাকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এ যেতে হবে এবং সাইড এর ৩ ডট এ ক্লিক করতে হবে ।সেখানে একটু নিচে গিয়ে দেখতে পাবেন সেটিং and প্রাইভেসি।সেটাই ক্লিক করে আপনি দেখতে পাবেন শুধু একটা সেটিং এর অপশন ।তারপর সেই সেটিং এ ক্লিক করলে আপনার প্রোফাইল টা দেখাবে এবং তার নিচে দেখতে পাবেন অ্যাকাউন্ট বলে একটা অপশন সেখানে দেখতে পাবেন পার্সোনাল information বলে একটা অপশন সেইটাই ক্লিক করবেন ।তারপর আপনার কাছে একটা name বলে অপশন চলে আসবে সেখানে ক্লিক করলে আপনি দেখতে পাবেন আপনার আগেকার নাম লিখা আছে সেটাই আপনি যে নাম দিতে চান সেটা লিখে রিভিউ change option এ ক্লিক করলে আপনার নাম চেঞ্জ হয়ে যাবে ।
আর একটা জরুরী কথা আপনি আপনার নাম তখুনি পাল্টাতে পারবেন যখন  আপনার আগেকার নামের বয়স হবে ৬০ দিন বা তার বেশি । তাহলে আপনি বুঝতে পারছেন  যে যদি ৬০ দিন না হয় তাহলে আপনি আপনার নাম পাল্টাতে পারবেন না ।
আমি নিচে স্টেপ বাই স্টেপ ফটো গুলো ছেড়ে ছি আপনারা চাইলে দেখতে পারেন।








ফেসবুকে  প্রোফাইল কিভাবে লক করতে হয়:-




 




তো প্রথমেই আপনাকে বলি আপনার আপনার প্রোফাইল লক মানে হচ্ছে আপনার প্রোফাইল একাউন্ট শুধু সেই দেখতে পাবে যারা আপনার ফ্রেন্ড ।কিন্তু যদি কেউ আপনার ফ্রেন্ড না থাকে তাহলে সে আপনার প্রোফাইল দেখতে পাবে না।

তো কিভাবে করতে হয় প্রোফাইল লক।আপনাকে প্রথমে আপনার প্রোফাইল এ যেতে হবে সেখানে ৩ ডট দেখতে পাবেন । সেখানে আপনি দেখতে পাবেন অনেক অপশন 

সেখান আপনি আর একটা অপশন ও দেখতে পাবেন লক প্রোফাইল ।সেটাই ক্লিক করলে আপনি লক your প্রোফাইল অপশন দেখতে পাবেন।সেটাই ক্লিক করলে আপনার প্রোফাইল লক হয়ে যাবে ।





शुक्रवार, 17 दिसंबर 2021

PASCHIM BANGA GRAMIN BANK account খোলার নিয়ম।কোথায় বা কি করে পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলবেন।পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংক থেকে কি কি সুবিধা পাবেন।কিভাবে PBGB M PASSBOOK এ একাউন্ট লগইন করতে হয় ।কিভাবে Paytm এ আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে পারবেন

PASCHIM BANGA GRAMIN BANK DETAILS:-

SHORT NAME :-PBGB 

BRANCH :- BATIKAR,JATRA 

PHONE NO-276352

IFSC:-UCBA0RRBPBG 

MICR CODE:-731831820



**PASCHIM BANGA GRAMIN BANK account খোলার নিয়ম

আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি একটা নতুন ব্যাংক এর নাম পশ্চিম বঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংক ।এই ব্যাংকে আপনি যদি অ্যাকাউন্ট খুলেন তাহলে আপনার কি কি সুবিধা হয়ে পারে বা কি করে খুলবেন এই অ্যাকাউন্ট ।সব তথ্য আমি আপনাদের আজ বলবো।

আমি আজ আপনাদের গ্রামীণ ব্যাংক যেই ব্যাংক এ আপনার কোনো দিন কেউ টাকা বার করে নিতে পারবেনা একদম safety আপনার জন্য কোনো প্রবলেম হবে না আপনার তাই আমি এই অ্যাকাউন্ট এর সম্পকে বলতে চলেছি ।

***কোথায় বা কি করে পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলবেন ।

যদি আপনি থানা পাঁড়ুই এর বাসিন্দা হন তাহলে আপনি খুব সহজেই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন ।তার জন্য আপনাকে খুষ্টিগীরী র পাশের গ্রাম বাতিকার আসতে হবে । বাতিকার পৌঁছলেই আপনি গ্রামীণ ব্যাংক কোথায় সেটা জেনে নিতে পারবেন ।

***পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে:-

১.আপনাকে ব্যাংক থেকে একটা একাউন্ট খোলার ফ্রম লাগবে ।

২.আপনার আধার কার্ডের Xerox লাগবে।

৩.যদি ভোটের কার্ড থাকে তাহলে ভোটের কার্ডের জেরক্স লাগবে।

৪. ৬ কপি মত পাসপোর্ট সাইজ ফটো নিয়ে যাবেন ।

৫. স্কুল সার্টফিকেট বা ইনকাম সার্টিফিকেট দুটোর মধ্যে একটা নিয়ে গেলেই হলো।

৬.এবং ৬০০ টাকা আপনাকে নিয়ে যেতে হবে ।১০০ টাকা চার্জ এবং ৫০০ টাকা আপনার একাউন্টে থাকবে।

সর্বশেষ আপনাকে ফ্রম ফিলাপ করে ফটো চিপকিয়ে সকল ডকুমেন্ট স্টেপ্লার করে ব্যাংক এ গিয়ে জমা দিতে হবে ।এবং এক সপ্তাহ পর আপনি ব্যাংক এ দেখা করবেন তাহলে আপনার একাউন্ট হয়ে যাবে ।


**পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুললে কি কি পাবেন :- 

এই ব্যাংক এ যদি আপনি অ্যাকাউন্ট খুলেন তাহলে আপনি একটা PASSBOOK পেয়ে যাচ্ছেন ।এবং ফটো স্ট্যাম্প সহ ।সেই পাসবক এ আপনি আপনার নাম ও আপনার বাবার নাম ও আপনার ঠিকানা ও আপনার ACCOUNT নম্বর সব লিখা থাকবে।

এবং আপনি একটা ATM  কার্ড ও পেয়ে যাবেন যেটা সঙ্গে আপনি আপনি পাবেন ।এই atm card আপনি সব জায়গায় ব্যাবহার করতে পারবেন । 


***দিনে কত টাকা ছাড়াতে পারবেন এই ব্যাংক থেকে :- 

আপনি যদি দিনে ব্যাংক থেকে টাকা ছাড়াতে জান তাহলে আপনি ২০০০ টাকা ছাড়াতে পারবেন ।আর যদি পান কার্ড থাকে তাহলে আপনি দিনে ৫০ হাজার টাকা ছাড়াতে পারবেন ।

আর যদি আপনার ডেবিট কার্ড দিয়ে টাকা তুলেন তাহলে 5 হাজার করে 50 হাজার টাকা তুলতে পারবেন ।

তাহলে আপনি পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংক থেকে মোটামুটি 

50 হাজার টাকা তুলতে পারবেন।

**পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংক থেকে কি কি সুবিধা পাবেন :-

আপনি পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অনেক কিছু সুবিধা পাবেন ।

আপনার কাছে যদি একটা স্মার্ট ফোন থাকে তাহলে আপনি প্লেস্টোর এ গিয়ে PBGB M PASSBOOK অ্যাপ ডাউনলোড করে।আপনি আপনার বালেন্স  চেক করতে পারবেন ।এছাড়া আপনি অনলাইনে আপনার টাকা পাঠাতে পারবেন M BANKING অ্যাপ থেকে। সব আপনি প্লেস্টোর  এ পেয়ে যাবেন । যদি আপনি বলান্স চেক করতে চান তাহলে  আপনকে প্রথমে মোবাইল নম্বর ও আঁধার লিংক করতে পারবেন ।তাহলেই আপনি এই সব অ্যাপ দিয়ে মোবাইলের ব্যালান্স চেক করতে পারবেন ।


**কিভাবে PBGB M PASSBOOK  এ একাউন্ট  লগইন করতে হয় :-

প্রথমে আপনাকে গুগোল PLAYSTORE এ যেতে হবে সেখানে টাইপ করতে হবে PBGB M PASSBOOK তাহলে আপনার কাছে দুটি অ্যাপ শো হবে  ১.M PASSBOOK ২.M BANKING।

যেকোনো একটা অ্যাপ তুলে নিবেন তারপর সেখানে আপনার অ্যাকাউন্ট নম্বর অ্যাড করতে হবে এবং আপনার REGISTER মোবাইল নম্বর দিতে হবে।

তারপর আপনার মোবাইল এ একটা otp আসবে সেই otp আপনার mpassbook অ্যাপ এ বসাতে হবে।

তারপর সঠিক otp বসিয়ে আপনার একটা পিন দিতে হবে।সেটা সিক্রেট পিন দিতে হবে।এবং কিছু সময় লাগবে ।আর আপনার একাউন্ট খুলে যাবে ।সেখানে আপনার ব্যালান্স দেখতে পাবেন ।এবং কয়েক মাসের টাকা কোথায় গিয়েছে কত টাকা ঢুকেছে কত টাকা কেটে চে সব আপনি দেখতে পাবেন ।


 কোন অনলাইন অ্যাপ এর সাথে আপনি আপনার অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে পারবেন :- 


""পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংক একটা সুবিধা পূর্ণ ব্যাংক ।এইখানে আপনি নিঃসন্দেহে আপনার টাকা লেনদেন করতে পারবেন ।আপনার কোনো রকম ভয় নেই আপনি এই অ্যাপ বিনা ভইয়ে ইউজ করতে পারবেন । তার সাথে  আপনি এই ব্যাংক এ অনলাইন টাকা পাঠানো ও টাকা ঢুকানো সব কিছু করতে পারবেন ।আপনি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট Paytm,phone pay, Google pay,amazon সব কিছু তেই আপনার এই ব্যাংক অ্যাড করতে পারবেন এবং সব জায়গায় আপনার ব্যালেন্স পাঠাতে পারবেন।


কিভাবে Paytm এ আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে পারবেন :-

 

তো প্রথমে আপনাকে আপনার Paytm টা ওপেন করে নিতে হবে ।তারপর আপনার প্রোফাইল এ যেতে হবে ।সেখানে আপনি সেটিং অপশন দেখতে পাবেন  ।তার ফটো আমি নিচে দিয়ে দিলাম। তারপর আপনি দেখতে পাবেন payment method settings :- 



সেখানে আপনি ক্লিক করবেন তারপর আপনার যে ব্যাংক অ্যাড আছে সেটা দেখাবে ।তারপর উপরে দেখতে পাবেন অ্যাড অ্যাকাউন্ট বলে একটা অপশন ।যার ফটো আমি নিচে দিলাম ।


ফটো


সেখানে আপনি অ্যাড নিউ এ ক্লিক করবেন ।তখন আপনার কাছে অনেক ব্যাংক এর নাম চলে আসবে সেখানে আপনি দেখতে পাবেন সার্চ বার সেখানে খুঁজে নিবেন পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংক:- 

তারপর আপনার ব্যাংক ভেরিফাই হয়ে যাবে তখন আপনার কার্ড এর লাস্ট ৬ টা সংখ্যা বসাবেন এবং expriy date টা দিবেন ।এবং ভেরিফাই অপশন টা ক্লিক করবেন ।তারপর আপনার মোবাইল এ একটা otp আসবে ।otp বসেইয়ে দিবেন ।এবং আপনার ফার্স্ট সিক্রেট পিন বসিয়ে দিবেন এবং Paytm এর জন্য একটা পিন দিবেন তাহলে আপনার একাউন্ট সঠিক ভাবে অ্যাড হয়ে যাবে।তারপর আপনি আপনার পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংক এর ব্যালান্স চেক করতে এবং সব জায়গায় পাঠাতে পারবেন ।

আসা করি আপনারা আমার কথা বোঝতে পেরেছেন ।তাই আজ এই পর্যন্তই আসা করি আপনাদের কোনো সমস্যা হয়নি ।যদি কোনো সমস্যা তাহলে আমার সাথে যোগা যোগ করতে পারেন ।নিচে আমার

Facebook page:BANGLA SHAYARI

Facebook group:-BANGLA NEWS

















बुधवार, 15 दिसंबर 2021

GMAIL অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম

GMAIL অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম:-




বর্তমান যুগে আমাদের স্মার্ট ফোন তথা সকল ডেক্সটপ বা ল্যাপটপ এ GMAIL অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় । শুধু মাত্র খুলেই  যে ছুটি সেটা নয় তার অনেক কাজ ও আছে।
তারজন্য আমাদের মোবাইল বা ডেক্সটপ এ একটা gmail অ্যাকাউন্ট থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন।কারণ যদি gmail অ্যাকাউন্ট আমাদের মোবাইল বা ডেক্সটপ  এ না থাকে তাহলে আমাদের মোবাইল বা ডেক্সটপ অচল ।তার জন্য আমার এই পোস্ট কিভাবে gmail অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় ।gmail এর কাজ কি কি ।gmail কোথায় কোথায় প্রয়োজন হয় ।gmail না থাকলে কি হবে ।gmail দিয়ে আমরা কি কি কাজ করতে পারবো ।ইত্যাদি এবং gmail এর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কী করে আবার নতুন পাসওয়ার্ড দিতে পারবো ।সকল বিষয় আজ আমি তুলে ধরবো এই পোস্ট টার মাধ্যমে।



কিভাবে gmail অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়:-


তো প্রথমে আপনি আপনার মোবাইলের Gmail অ্যাপ টাই চলে জাবেন তারপর আপনি দেখতে পাবেন যে অ্যাড অ্যাকাউন্ট বলে একটা অপশন বলে ।(সব ফটো গুলো আমি নিচে দিয়ে দেবো )
সেখানে ক্লিক করবেন তাহলে আপনার কাছে অপশন চলে আসবে আপনি কিসে খুলতে চাইবেন আপনার জিমেইল ।তো কোনো কিছু না ভেবে আপনি গুগোল বেছে নেবেন ।

গুগল এ ক্লিক করলে আপনি দেখতে পাবেন আপনার মোবাইল এর পাসওয়ার্ড ভেরিফাই চাইবে।আপনার পাসওয়ার্ড দিয়ে দিবেন ।তারপর আপনি create নিউ অ্যাকাউন্ট এ ক্লিক করবেন ।তারপর আপনার সামনে দুটি অপশন আসবে ।আপনি কি নিজের জন্য gmail টা
খুলবেন (my self)। তাহলে আপনাকে my সেলফ অফ্যশন টা বেছে নিতে হবে ।আর আপনি যদি আপনার ব্যাবসার জন্য খুলতে চান (business account) তাহলে আপনি business  বেছে নিবেন ।

তারপর আপনার কাছে একটা নতুন অপশন চলে আসবে :-

আপনার প্রথম নাম ও আপনার লাস্ট নাম :-
সেখানে আপনি আপনার নাম বসিয়ে দেবেন এবং নেক্সট এ ক্লিক করে দেবেন ।তারপর  আপনার জন্মতারিখ দিতে হবে ।এবং নেক্সট এ ক্লিক করবেন ।তারপর আপনি আপনার জিমেইল টা কি নামে রাখবেন সেটা লিখবেন ।যেমন -akhtar21@gmail.com ।
তারপর আপনি নেক্সট এ ক্লিক করবেন তারপর আপনি আপনার ইচ্ছা মত পাসওয়ার্ড দিয়ে দেবেন ।এবং শেষে আপনি ওদের প্রাইভেসি মেনে নেক্সট  এ ক্লিক করে আপনার একাউন্ট খোলা সম্পন্ন করবেন ।

PHOTO:-







আশাকরি আপনারা আমার কথা বুঝতে পারলেন ।তাহলে কি করে একটা ইমেইল খুলতে হয় সেটা জানা হলো এবার আমরা জানবো যে কি করে সেই ইমেইল এ আমাদের একটা ফটো অ্যাড করতে হয় ।তো চলুন জেনে নিই :-

কিভাবে আমরা ইমেইল এ একটা ফটো অ্যাড করতে পারবো:-

প্রথমে আপনি আপনার জিমেইল এ ক্লিক করবেন ।তারপর আপনি দেখতে পাবেন গুগল অ্যাকাউন্ট বলে অপশন আছে সেখানে ক্লিক করবেন ।
 সেখানে আপনি দেখতে পাবেন পার্সোনাল information ℹ️
সেখানে দেখতে পাবেন ফটো বলে একটা অপশন থাকবে।সেটাই ক্লিক করবেন আপনি দেখতে পাবেন take a photo /choose from gallery । আপনি যদি সঙ্গে সঙ্গে ফটো তুলে দিতে চান তাহলে take a photo
চুজ করবেন ।আর যদি আপনি গ্যালারি থেকে ফটো নিতে চান তাহলে আপনাকে choose from gallery বেছে নিতে হবে । তারপর ফটো অ্যাড করার পর আপনি আপডেট করে দিলে আপনার ফটো যুক্ত হয়ে যাবে ।এই ভাবে আপনি আপনার ফটো যুক্ত করতে পারবেন ।

তাহলে আসা করি আপনারা আমার কথা বুঝতে পারছেন ।তাহলে চলে যায় নতুন বিষয় নিয়ে ।কি কি কাজে লাগে এই gmail বা ইমেইল ।

জিমেইল বা ইমেইল কি কি কাজে লাগে :-


আপনি যদি আপনার জিমেইল বা ইমেইল একটা মোবাইল না খুলেন তাহলে আপনার ফোন বা মোবাইল অন হবে কিন্তু কোনো ইন্টারনেট এর কাজ হবে না ।কারণ আপনি যদি গুগল ব্যাবহার করেন তাহলে আপনাকে আগে Gmail খুলতে হবে ।আপনি যদি ইউটিউব চালাতে হয় তাহলে আপনাকে gmail account খুলতে হবে । মানে আপনি যেকোনো অ্যাপ ব্যাবহার করেন না কেনো আপনাকে gmail বা ইমেইল খুলতেই হবে নাহলে আপনি আপনার মোবাইল প্রায় কাজে ব্যাবহার করতে পারবেন না ।এছাড়া আপনি যদি অনলাইন ক্লাস করতে চান তাহলে আপনাকে ইমেইল খুলতে হবে ।এক কথায় internet এর যত কাজ আছে সব গুলোতেই ইমেইল বা gmail চায় ।তাহলে আপনি বুঝতে পারছেন যে ইমেইল বিনা আপনার মোবাইল মূল্য হিন।তাই আপনাদের একটা মোবাইল কে ভালোভাবে চালাতে হলে ইমেইল হচ্ছে maindotary ।আমরা তো জানলাম যে কিসে কিসে ইমেইল বা gmail ব্যাবহার হয় ।
তাহলে এইবার 

ইমেইল থেকে আপনি কি কি  সুবিধা পাবেন :-


ইমেইল আপনার মোবাইল বা ডেক্সটপের সেফটি হিসাবে কাজ করে ।আর এই সেফটি জিনিস তার মধ্যে অনেক কিছু সেটিং করতে হবে তবেই এই ইমেইল আপনার দুর্ভাগ্যের সময় আপনারা সাথ দিবে ।ধরুন আপনার মোবাইল চুরি হয়েগেলো মেলায় বা কোনো জায়গায় তখন আপনি আপনার ইমেইল অন্য জনের মোবাইল দিয়ে ট্র্যাক করতে পারবেন ।

কি করে ইমেইল বা Gmail দিয়ে মোবাইল ট্র্যাক  করতে  হয় :-


ধরুন আপনার মোবাইল কোনরকম ভাবে চুরি হয়েগেলো তখন আপনি আপনার friend বা কারো মোবাইল দিয়ে আপনার মোবাইল টা কোথায় আছে জানতে পারবেন ।কি করে জানবেন ।আপনি আপনার ফ্রেন্ড এর মোবাইল এ আপনার আপনার gmail টা লগইন করবেন এবং আপনি গুগলে গিয়ে search দিবেন ফাইন্ড my ডিভাইস ।তখন সেখানে আপনার ইমেইল টা বসিয়ে দেবেন এবং আপনি দেখতে পাবেন আপনার মোবাইল টা কত দূরে আছে বা কোথায় আছে ।এবং আপনি সেখানে গিয়ে সাউন্ড my device এটা করলে আপনার হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া মোবাইল যার কাছে থাকবে তার কাছে রিংটোন বেজে উঠবে।তখন আপনি আপনার মোবাইল পেয়ে যাবেন  ।তাহলে আপনারা বুঝতে পাচ্ছেন যে আপনার মোবাইল এ একটা ইমেইল থাকা কত প্রয়োজন।

আপনার মোবাইল বা ডেক্সটপ এ যদি ইমেইল না থাকে তাহলে কি কি অসুবিধা হবে:-


1.তাহলে আপনার মোবাইল বা ডেক্সটপ এর  বেশির ভাগ কাজ ই হবে না ।
২.আপনার মোবাইল এর অনেক অ্যাপ আপনি খুলতে পারবেন না ।
যেমন:- ইউটিউব, গুগোল playstore , গুগোল chorome, ইত্যাদি ।
৩.আপনার ফোনে হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে আপনি আপনার মোবাইল কোথায় আছে বা কত দূরে আছে জানতে পারবেননা ।

৪.আপনার কাছে যদি Gmail না থাকে তাহলে আপনি গুগল meet ব্যাবহার করতে পারবেননা ।

জিমেইল ব্যাবহার করার সুবিধা:-

১ ।Gmail অ্যাকাউন্ট যদি আপনার মোবাইল এ থাকে তাহলে আপনি যেকোনো অ্যাপ ব্যাবহার করতে পারবেন ।
২. Gmail এর মাধ্যমেই আপনি আপনার মোবাইল কে সেফটি রাখতে পারবেন ।কোনো রকম প্রবলেম আপনার হবে না।
৩.gmail এর মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনে কে চুরির বা হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারবেন



















सोमवार, 13 दिसंबर 2021

কিভাবে PAYTM অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়।PAYTM এর নতুন অফার 2022।


কিভাবে PAYTM অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়।


PAYTM:-




আমরা আবারও নিয়ে এসেছি আবারও একটা নতুন পোস্ট নিয়ে ।কিন্তু আজকের টপিক ও একই হতে চলেছে । কিভাবে PAYTM অ্যাপ ব্যাবহার বা ইউজ করবো।কারণ এগুলো জানা খুবই প্রয়োজন এই ডিজিটাল যুগে ।এবং আপনি শিখবেন কিভাবে তাহলে আপনি একদম ঠিক জায়গায় এসেছেন ।আজ আমি PAYTM এ যা কিছু আছে সব কিছু খুঁটিনাটি বলবো।পোস্ট টি একবার পড়ার পর আপনাকে আর কোনো ইউটিউব ভিডিও বা অন্য কোনো পোস্ট পড়তে হবে না ।

তো চলুন বেশি দেরি কোনো লাভ নেই তাই শুরু করা যাক ।

তো প্রথমেই বলে রাখি PAYTM কি ?

PAYTM এ কি কি ফিচারস আছে


এটা তো আপনাদের জানা খুব ই প্রয়োজন ।যদি অ্যাপ কি না জানেন তাহলে ব্যাবহার করবেন কিভাবে ।
PAYTM হচ্ছে :--
 PAYTM হচ্ছে একটা অ্যাপ ।যার মাধ্যমে আপনি সমস্ত প্রকার অনলাইন শুভিধা আপনি পাবেন ।কেমন অনলাইন সুবিধা ? সমস্ত রকমের রিচার্জ ,টাকা পাঠানো,বিল জমা ,গ্যাস সিলিন্ডার অর্ডার দেয়া,মোবাইল অর্ডার,CAR INSURANCE,  ইত্যাদি ইত্যাদি। এই দিয়ে তৈরি Paytm 

**PAYTM অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলতে হয়

১। Paytm account কি করে খুলতে হয়:-

১.১।মোবাইল নম্বর

১.২।আধার কার্ড



আপনাকে Paytm account খুলতে গেলে এই দুটি জিনিস তথা আপনার একটা স্মার্ট ফোন থাকতে হবে ।
এবং মোবাইলের রিচার্জ অবশ্যই থাকতে হবে।
তারপর আপনি কোনো ক্যাফে যদি জান তাহলে তারা আপনার Paytm account খুলে দেবে।আর সঙ্গে সঙ্গে আপনার Paytm account খুলে যাবে।
এইবার আপনার Paytm account তো খুলে গেলো এইবার আপনি Paytm ব্যাবহার করবেন কিভাবে ।তো চলুন জেনে নিই। তো জানার আগে আমাদের জানাতে হবে কি কি ফিচারস আছে Paytm অ্যাপ এ।



**Paytm account এ কি কি সুবিধা বা ফিচারস আছে:-

1.মোবাইল রিচার্জ pre-paid/Post paid

2. বিল জমা

3.dth রিচার্জ

4.মেট্রো রিচার্জ

5.গ্যাস সিলিন্ডার অর্ডার

6.car insurance

7. shopping

8.broad band reacharge

9. OFFER'S

10.REWARDS



1. মোবাইল রিচার্জ:-

**আপনি Paytm এর মাধ্যমে  আপনার সকল ধরনের রিচার্জ করতে পারবেন ।আপনি আপনার যেকোনো সিম এর রিচার্জ করতে পারবেন ।Paytm এর মাধ্যমে আপনি সকল  সিম অফার  আপনি দেখতে পাবেন ।কোনো রকম অসুবিধা হবে না আপনার ।তাই যেকোনো সিম এর রিচার্জ করতে আপনি Paytm অ্যাপ ব্যাবহার করতে পারেন ।

২. বিল জমা দেয়া:-


ডিজিটাল যুগে ডিজিটাল নিয়ম নিয়ে এলো PAYTM আগে যদি বিল জমা দিতে হতো তাহলে অনেক দূরে গিয়ে অফিস এ গিয়ে বিল জমা দিতে হতো।কিন্তু Paytm আমাদের সেই সুভিধা করে দিয়েছে। আপনি Paytm এর মাধ্যমে আপনার বাড়ির বিল জমা দিতে পারবেন।

3।DTH RECHARGE:-

 আপনি PAYTM এর মাধ্যমে আপনি আপনার সকল ধরনের DTH রিচার্জ করতে পারবেন ।যেমন TATA SKY,D2H,AIRTEL TV সকল প্রকার DTH রিচার্জ আপনি PAYTM এর দ্বারা করতে পারবেন ।তাহলে কেনো আপনি অন্য দোকানে গিয়ে রিচার্জ করতে যাবেন এখুনি ডাওনলোড করুন PAYTM

4।মেট্রো রিচার্জ:-

আপনি PAYTM এর দ্বারা মেট্রো রিচার্জ ও করতে পারবেন ।

5। গ্যাস সিলিন্ডার অর্ডার

আপনি এই ডিজিটাল যুগে আপনাকে বাড়ি থেকে বেরোতে হবে না তার জন্য Paytm নিয়েছে এক নতুন ব্যাবস্থা ।আপনি বাড়িতে বসে বসে অর্ডার দিতে পারবেন গ্যাস সিলিন্ডার।তাহলে কিসের চিন্তা করছেন এখুনি ডাউনলোড করুন PAYTM

6।SHOPING:- কেনাকাটা


আপনি Paytm এর মাধ্যমে সকল প্রকার জিনিস কেনাকাটা করতে পারবেন ।এছাড়া এই Paytm থেকে যদি কোনো জিনিস কিনেন তাহলে সেটার ওপর অনেক ছার ও থাকে এছাড়াও আপনার যদি জিনিস পছন্দ না হয় তাহলে আপনি সেটা ফেরত ও দিতে পারবেন ।কোনো রকম অসুবিধা আপনার হবে না ।নিশ্চিন্তে আপনি এই খান থেকে কেনা কাটা করতে পারবেন ।

 **OFFERS :NEW OFFER 2022: নতুন অফার ২০২২


আপনি এই অ্যাপ কেনো ব্যাবহার করবেন সেটা আপনার মনে প্রশ্ন থাকতেই পারে তাহলে বলে রাখি এই অ্যাপ ব্যাবহার করলে আপনার কোনো লস হবে না ।আপনার লাভ ই হবে কোনো রকম অসুবিধা আপনার হবেনা ।এই অ্যাপ টা থেকে আপনি যা কিছুই করবেন ।ধরুন আপনি মোবাইল রিচার্জ করবেন তাহলে আপনাকে কিছু ছার দেবে Paytm অ্যাপ ।মানে Paytm অ্যাপ আপনার সুবিধার জন্য।ধরুন আপনি কোন কিছু অর্ডার দিলেন তাহলে আপনার মাল তার যা দাম পড়বে ।সেটা থেকে দাম কিছু কম পড়বে ।এইটাই হচ্ছে Paytm এর অফার ।

8।REWARDS:-


সব থেকে একটা ভালো বিষয় নিয়ে কথা বলছি এখন ।কারণ রিওয়ার্ড হচ্ছে আপনাকে খুশি করানোর একটা বিষয় ।এইটাই হচ্ছে PAYTM ব্যাবহার কারীদের একটা সাভিধা।আপনি কোনো কিছু রিচার্জ, বিল পেমেন্ট, ব্রডব্যান্ড ,গ্যাস অর্ডার ইত্যাদি দিলে আপনাকে ক্যাশব্যাক দেয়া হবে ।আর এইটা ধার্য করা নেই করো বেশি পড়তে পারে আবার কারো কম ও পড়তে পারে ।

Invite and earn:-


Paytm ব্যাবহার কারি যারা আছে তাদের আরো একটা সুবিধার কথা বলে দি তারা অন্য কাউকে যদি এই অ্যাপ এর লিঙ্ক পাঠায় ডাওনলোড করার জন্য আমন্ত্রণ জানাই এবং সে যদি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে তাহলে আপনি ১০০ টাকার মতো ক্যাশব্যাক পাবেন  ।তাহলে আপনি বুঝতে পারছেন যে কি রকম সুবিধা রয়েছে Paytm er মধ্যে।

**PAYTM এ কিভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে হয়


এই PAYTM PAYMENTS BANK  এ আপনি  যত রকম ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে পারবেন ।যেমন স্টেট ব্যাংক,pbgb,কানাডা ব্যাংক, ইত্যাদি ব্যাংক আপনি এই Paytm মধ্যে অ্যাড করতে পারবেন ।


 












रविवार, 12 दिसंबर 2021

GOOGLE PAY APP এর অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলতে হয় ও কিভাবে ব্যাবহার করতে হয়

 

GOOGLE PAY APP এর অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলতে হয় ও কিভাবে ব্যাবহার করতে হয়



                                                        GOOGLE PAY:-

একটা টাকা পাঠানোর খুব ভালো মাধ্যম । সময়ের সাথে সাথে বদলাচ্ছে  এই দুনিয়ার নিয়ম ।দিনের দিনের হয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ।আগে একটা কথা বলার জন্য পোস্ট অফিসের ব্যাবহার হতো ।আর এই ডিজিটাল যুগে বাড়িতে বসেই বসেই হাজারো কথা বলা হচ্ছে ।এমনকি বাড়িতেই বসে লাখ লাখ টাকা পাঠানো হচ্ছে অনলাইনের এই যুগে।এই যুগে যদি কেউ online এর কাজ না করতে পারে বা কিছু না জানে তাহলে তার কোনো মূল্য নেই এই দুনিয়ায় ।তাহলে আপনি কেনো এই দুনিয়ায় পিছনে থাকবেন ।তো চলুন  আমরা অনলাইনের দুনিয়ায় ঢুকে পড়ি সকল ধরনের অনলাইনের কাজ কি ভাবে করতে হয় আজ আপনাদের আমি বলবো ।তো আজ আমরা শুধু মাত্র অনলাইনে কিভাবে google pay অ্যাপ ব্যাবহার করতে হয় ।তাহলে আর দেরি কিসের তাহলে জেনে নিই ।

তাহলে আপনি পিছনে কেনো ।তাহলে জেনে নিন কিভাবে গুগল পে অ্যাপ ব্যাবহার করতে হয় । 

আজ আমি আপনাদের গুগোল পে অ্যাপ কি করে ব্যাবহার করতে হয় সব a TO z বলবো ।


GOOGLE PAY APP এ কি কি  ফিচারস আছে :- 

1. PEOPLE:-

2. BILL'S:-

3.NEW PAYMENT :-

4. SCANNER/QR CODE:-

5। UNLIMITED ACCOUNT ADD :-

6। OFFERS:- 

7। REWARDS :-

8। INVITE AND EARN:-


এইসব ফিচারস আপনি আপনার গুগল পে অ্যাপ এ দেখতে পাবেন । তো চলুন এই গুলো আমি সহজ ভাষায় বলি কি কি কাজে লাগে বা কি কি কাজে USE হয়।

তো পোস্ট লিখার আগেই আপনাদের বলে রাখি যে যদি কারো কোনো রকম বুঝতে অ্যাশুভিধা হয় তাহলে নিচের কমেন্ট বক্স এ আমাদের জানাবন আমরা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করবো বা উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো ।


(PEOPLE:- মানুষ):-

People কি :- 

People কি সেটা আমরা জেনে নিই people হচ্ছে আপনি যাকে টাকা পাঠাবেন বা আপনাকে যে লোকটি টাকা পাঠাবে সেইটাই গুগোল পে অ্যাপpeople বলে আছে ।এইখানে আপনি যাকে টাকা পাঠাবেন তার নম্বর দিয়ে সার্চ করলেই একটা ওর নামের বক্স ওপেন হয়ে যাবে সেখানে যত টাকা পাঠাবেন শুধু লিখে দিলেই আর আপনার passcode type করে দিলেই আপনার টাকা ওর কাছে চলে যাবে।তাহলে আপনারা বুঝতে পারলেন people কি।


2। Business and Bill's:-

Business and Bill's কি  কেনো লিখা আছে:-

Business and Bill's হচ্ছে আপনি এই খান থেকে যেকোনো ধরনের রিচার্জ করতে পারবেন ।এই খান থেকে আপনার মোবাইল রিচার্জ করতে পারবেন ।আপনার dth রিচার্জ করতে পারবেন ।google play store রিচার্জ করতে পারবেন। কারেন্ট এর বিল জমা দিতে পারবেন ।এক কথায় সমস্ত কিছু রিচার্জ আপনি business and Bill's থেকে করতে পারবেন ।


3.NEW PAYMENT :- 

New payment কি :-

NEW PAYMENT  হচ্ছে আপনি যদি কাউকে আগে টাকা পে করেননি তাহলে আপনি এই নিউ পেমেন্ট অপশন এ তার নম্বর দিয়ে তাকে টাকা পাঠাতে পারবেন ।সব কিছু টাকা পাঠানো এই নিউ পেমেন্ট এ আপনারা পাবেন ।

4. SCANNER/QR CODE:-

এই স্ক্যানের ও qr কোড আপনার শুভিধার জন্য। আপনি যদি কাউকে টাকা পাঠান তাহলে তার qr কোড অন করে দিলে আপনার স্ক্যানের অন করলেই তার qr কোড টা স্ক্যান করে নেবে তাহলে আপনার ভুল জায়গায় পেমেন্ট কোনোদিন যাবেনা। এই তাই হচ্ছে  SCANNER/QR CODE এর সুভিধা।


5। UNLIMITED ACCOUNT ADD :-

আপনি এই গুগোল পে এর মাধ্যমে আপনার যত ব্যাংক আছে এই গুগোল পে তে অ্যাড করতে পারবেন ।এবং সেই ব্যাংক থেকে আপনাকে আর টাকা তুলতে যেতে হবে না । গুগোল পে থেকেই আপনি আপনার ব্যাংক এর টাকা অন্য জায়গায় পাঠাতে পারবেন।এছাড়া আপনি অন্য ব্যাংক থেকে আপনার অন্য ব্যাংক এ টাকা ও পাঠাতে পারবেন ।


গুগল পে অ্যাপ এর নতুন অফার 2022

6। OFFERS:- 

গুগল পে তার কাস্টমার দের অনেক সুভিদাও  দেই ।মানে নানা রকম অফার গুগল পে আমাদের সামনে নিয়ে আসে ।যেমন বলা হয় যদি আপনি একটা মোবাইল রিচার্জ করেন তাহলে বলা থাকে ৫০ টাকার ক্যাশব্যাক পাবেন ।যদি আপনি ব্যাংক এ টাকা পাঠান তাহলে আপনাকে ২০ % ক্যাস ব্যাক দেয়া হবে ।মানে গুগল পে আপনি যদি ব্যাবহার করি তাহলে নানা রকম অফার আপনি পাবেন ।যাতে আপনার লাভ ই হবে ।কোনো রকম ক্ষতি হবে না আপনার।


7।INVITE AND EARN:- 

যারা যারা এই অ্যাপ টা ইনস্টল করবেন ভেবেছেন তাদের জন্য আরো একটি সুখবর আছে । ধরে  নিনি আপনি গুগল পে অ্যাপ টা ডাওনলোড করলেন এবং আপনি যদি কাউকে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করার জন্য invite করেন তাহলে আপনি সেখান থেকে কিছু টাকা ক্যাশব্যাক হিসাবে পাবেন ।


চলুন এবার জেনে নিই কিভাবে গুগল পে থেকে টাকা পাঠাতে হয় :-



তো প্রথমত আপনাকে google pay অ্যাপ ওপেন করে নিতে হবে ।তারপর আপনার passcode দিয়ে দিবেন ।তারপর আপনার সামনে ওপরের পেজের মত একটা পেজ শো হবে । সেখানে দেখতে পাবেন নিউ পেমেন্ট বলে অপশন টা সেখানে ক্লিক করবেন ।যাকে টাকা পাঠাবেন তার নম্বর বক্স এ লিখবেন তাহলে তার নাম চলে আসবে ।সেই খানে দেখতে পাবেন pay আর request অপশন pay যদি ক্লিক করেন তাহলে আপনি টাকা পাঠাতে পারবেন ।

আর request করলে আপনি যার কাছে টাকা চাইছেন তার কাছ থেকে টাকা নেয়া হবে যদি সে দেই তবেই। 


আমি যেখানে রেড সার্কেল দিয়েছি সেটাই আপনি বিল payment করতে পারবেন ।মানে সকল রিচার্জ করতে পারবেন ।তাহলে কি করে করবেন ।প্রথমে যদি আপনি রিচার্জ করতে চান তাহলে আপনি মোবাইল রিচর্জ এ ক্লিক করুন তারপর আপনার নম্বর লিখে দেন ।তারপর কোন সিম লিখ দেন এবং তারপর plans অপশন এ গিয়ে কত টাকা রিচার্জ করবেন  সেটা সিলেট করে নিন।তারপর রিচার্জ sucess হয়ে যাবে।




**Google pay অ্যাপ ব্যাবহার করার সুবিধা

আপনি GOOGLE PAY এর মত অ্যাপ কেনো ব্যাবহার করবেন এটা আপনাদের মনে প্রশ্ন থাকতেই পারে তাই সেই প্রশ্নের ও উত্তর দেয়ার চেষ্টা করছি ।

আপনি যদি GOOGLE PAY অ্যাপ টা ব্যাবহার করেন তাহলে আপনার কাছে টাকা নেই বা money ব্যাগ টা হারিয়ে গেছে তখন আপনি টেনশন এ পড়ে গেলেন ।কিন্তু যদি আপনার ফোনে google pay অ্যাপ টা থাকে এবং আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা থাকে তাহলে অনলাইন money transfer করে আপনি টাকা নিতে পারবেন ।তাই আমি বলি আপনারা এই অ্যাপ টা নিঃসন্দেহে ব্যাবহার করতে পারেন কোনো রকম অসুবিধা আপনাদের হবে না।































Simple Calculator 7 8 9 ÷ 4 5 6 × 1 2 3 - 0 C ...