Story लेबलों वाले संदेश दिखाए जा रहे हैं. सभी संदेश दिखाएं
Story लेबलों वाले संदेश दिखाए जा रहे हैं. सभी संदेश दिखाएं

शुक्रवार, 19 नवंबर 2021

Bangla golpo। Bangla valobasar golpo

                        বিয়ের_বন্ধন

নিজের স্ত্রীকে ছাদের উপর রাত ১২টার সময় অন্যের সাথে হেসে হেসে কথা বলতে দেখে একটুও অবাক হয়নি। বরং নিজের প্রতি অনেকটা বিরক্ত হয়েছি বলতে পারেন। কারন বাসর রাতে তসিবা আমাকে ওর মনের সব কথা বলে দিয়েছে। তাও কেনো জানি আমি তসিবার সাথে ওর বাপের বাড়ীতে এসেছি। তসিবা আমাকে ওর স্বামী হিসাবে মেনে নিলেও ইমরান ওর হৃদয় জুড়ে থাকবে। এই একটা কথা আমার কানে বার বার বাজতে থাকে।


আচ্ছা এখন যেহেতু এতটা কষ্ট করে ছাদের উপর এসেছি। দেখে যাই তসিবা কার সাথে এমন ভাবে হেসে কথা বলতেছে। যখনি আরেকটু সামনে গেলাম তখনি পুরা ছাদ লাল নীল হলুদ আর সাদা লাইটের আলোতে জ্বলে উঠেছে। আর সবাই এক সাথে হেপিবাড্ডে টু ইউ বলে চিল্লাই উঠছে। তাবু আর তাসলি এসে তসিবাকে জড়িয়ে ধরছে।


তাসলি:- আপু তুই কি দুলাভাইকে সাথে নিয়ে এসেছিস। বাব্বাহ দুই দিনে এত মায়া। স্বামী ছাড়া কোথাও যাওয়া বারন আছে নাকী?


তসিবা:- আরে আপনি কখন আসছেন?


(আমি এদিক সেদিক তাকাচ্ছি। তখনি তাবু বলে,,,)


তাবু:- দুলাভাই আপু তো আপনাকে বলছে।


আমি:- মানেটা কি আমাকে তো তুমি আসতে বলছো?


তসিবা:- আমি বলছি কখন?


আমি:- তসিবা তুমিও না তুমি তো আমাকে ইশারা দিয়ে ছাদে আসতে বলছো।


শ্বশুড়:- বুঝতে পারছি আচ্ছা এখন বাদ দাও। আসো বাবা এই তসিবা নে কেকটা কেটে নে।


তসিবা:- হ্যা আসতেছি। (তসিবা গিয়ে কেকে কেটে প্রথমে ওর আব্বুকে তারপর তাবু আর তাসলিকে খায়িয়ে দিয়েছে)


তাবু:- আপু সৌরভ ভাইয়াকে খাওয়াবি না কেক।


তসিবা:- সরি ভূলে গেছি। (তসিবা কেক নিয়ে আমার দিকে আসছে। আর আমি মোবাইলটা শুধু কানে দিয়ে কথা বলার মত করে নিছে নেমে এসেছি। তসিবা আমার পিছু পিছু কেক নিয়ে নিছে নেমে চলে আসছে।) এই আপনি কেক না খেয়ে চলে আসছেন কেনো?


আমি:- অন্যের স্ত্রীর হাতে আমি কেক খেতে যাবো কেনো?


তসিবা:- মানে?


আমি:- বাংলা বুঝতে সমস্যা হয় নাকী?


তসিবা:- আপনি এমন কেনো শুনি?


আমি:- আমি যেমনি হয় না কেনো তাতে তোমার কোনো সমস্যা হবে না। অনেক রাত হয়ছে এখন ঘুমাবো দেখি সরেন।


তসিবা:- আমি জানি কেনো আপনি কেক খেতে চাচ্ছেন না।


আমি:- হ্যা তা তো তুমি ভালো করে জানতে পারছো। এখন সরো আমার ঘুম পাচ্ছে তসিবাকে ধাক্কা দিয়ে সামনে থেকে সরিয়ে দিয়েছি।


তসিবা:- কেক খেয়ে নেন আমাকে কোনো উপহার দিতে হবে না। আমি বুঝতে পারছি আমাকে গিফট করতে হবে বলে কেক খাচ্ছেন না।


আমি:- অন্যের গ্রালফ্রেন্ডকে আমি কেনো উপহার দিতে যাবো। আর তাছাড়া তুমি আমার কেও না। যদিও বিয়ের একটা বন্ধনে জড়িয়েছি ঠিকই কিন্তু সেইটা মাত্র লোক দেখানো।


তসিবা:- আমি জানি আপনি আমাকে সহ্য করতে পারেন না। কিন্তু আমার ভাগ্য খারাপ কারন আপনার কাছে আরো ১০ মাস থাকতে হবে আমাকে।


আমি:- ১০ মাস কেনো? তুমি না বলছো ৯ মাস আর ৯ মাস থেকে তো ৪ দিন চলে গেছে। আর মাত্র ৮ মাস ২৬ দিন থাকবে। আর এই সময় গুলা যে কি করে কাটাবো সেইটা আমি চিন্তা করতেছি।


তসিবা:- আরো ৯ মাস ২৬ দিন ১১ ঘন্টা আমার আপনার বউ হয়ে থাকতে হবে। এরপর আপনাকে বলতে হবে না আমি নিজেই আপনাকে ডির্ভোসের কাগজ পাঠিয়ে চলে যাবো।


আমি:- ৯ মাস না ৮ মাস এর বেশি ১ দিন রাখবো না। দেখি পেচাল কম করে আমাকে ঘুমাতে দাও। তসিবা সরে গেছে আমি শুয়ে পড়েছি সাথে তসিবাও। দুজনে দুই দিকে মুখ করে শুয়ে আছি তখনি তসিবা বলে,,,,


তসিবা:- আচ্ছা আপনি কি কখনো কোনো মেয়েকে ভালোবেসেছেন?


আমি:- আমাকে কি পাগলা কুত্তা কামড় দিয়েছে আমি অন্যের বউ পাহারা দিতে যাবো।


তসিবা:- মানে?


আমি:- তুমি এত কিছু বুঝবে না এখন ঘুমাও আর সকালে উঠে ফজর নামায পড়বে। তসিবা কোনো কথা বলেনি আমি ঘুরে তসিবার দিকে তাকিয়ে দেখি তসিবা স্বপ্নের দেশে চলে গেছে। তসিবার ঘুমের চেহারাটা দেখতে একদম বাচ্ছাদের মত লাগছে। তসিবার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কখন যে চোখে ঘুম চলে আসছে বলতেও পারবো না।


সকালে আজান শুনে ঘুম ভাঙ্গছে তসিবাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে আমি নামায পড়তে চলে গেলাম। নামায পড়ে এসে দেখি তসিবা শুয়ে আছে চুল গুলা এলো মেলো হয়ে আছে। না এত সুন্দর ঘুমটা ভাঙ্গার দরকার নেই। আমি শাওয়ার নিতে চলে গেছি উয়াশ রুমে। শাওয়ার শেষ করে বের হয়ে দেখি তসিবা রুমে নেই। আমি কাপড় পরে রেডি হয়েছি কারন আজকে বাড়ীতে যেতে হবে। ঐ দিকে অফিসে আজ থেকে জয়েন করতে হবে। এখন তসিবাকে বাড়ীতে রেখে আমি অফিসে চলে আসবো। রুম থেকে বের হবো তখনি তসিবার সাথে ধাক্কা খেয়েছি,,,,


তসিবা:- ও মা গু,,,,, বলছে তখনি তসিবার মুখ চেপে ধরেছি।


আমি:- ঐ তোমার গলার এত আওয়াজ কেনো?


তসিবা:- ওমমম ওমমমম।


আমি:- আরে ওমম ওমমম করছো কেনো? (তখনি তসিবা ওর মুখ থেকে আমার হাতটা সরিয়ে বলে,,,)


তসিবা:- মুখ চেপে ধরে রাখলে কথা বলবো কি করে?


আমি:- এত কথা না বলে তারা তারি রেডি হয়ে নাও। তোমাকে বাড়ীতে রেখে আমি অফিসে যাবো।


তসিবা:- আজকে আমার কলেজে যেতে হবে।


আমি:- কেনো?


তসিবা:- দরকার আছে। আর আমি আপনার আব্বুকে বলছি বিয়ের পর আমার ফাইনাল পরীক্ষা দিবো। ওনি রাজি হয়ছে তাই তো আমি আপনাকে বিয়ে করতে রাজি হয়ছি।


আমি:- তোমাকে আমি পড়া লেখার খরচ দিতে পারবো না।


তসিবা:- দিতে হবে না আমি টিউশন করি এতে আমার হয়ে যায়।


আমি:- যা খুশি তা করো তাতে আমার কি? দেখি সামনে থেকে সরো। তসিবা সরে গেছে আমি রুম থেকে বেড়িয়ে এসেছি। নিছে নেমে সুফায় বসেছি এমনি তাবু আর তাসলি দুই শালী দুই দিকে বসেছে। দুজনে দুই দিক দিয়ে খুচা দিতে লাগলো। আর আমিও সহ্য করতে না পেরে দুই টাকে কাতু কুতু দিতে লাগলাম। দুজনের সাথে দুষ্টমি করতেছি এমনি তসিবা এসে হাজির। আমি তসিবার দিকে তাকিয়ে ওদেরকে ছেড়ে দিলাম।


তসিবা:- দুষ্টমি শেষ হলে খেতে আসেন।


তাসলি:- দুলাভাই আপুর সাথে ঝগড়া করছেন নাকী?


আমি:- আরে না চলো খেতে যাবো। সবাই বসে এক সাথে নাস্তা করেছি। নাস্তা শেষ করে শ্বশুড় শ্বাশুড়িকে সালাম করে তাবু আর তাসলির কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ীর উদ্দেশ্য রওনা দিলাম।


তসিবার সাথে রাস্তায় তেমন কোনো কথা হয়নি। সকালে রাস্তায় জ্যাম নেই তাই তারা তারি বাড়ীতে চলে এসেছি। বাড়ীর ভীতরে ঢুকে আম্মাকে বলে বাইকের চাবিটা নিয়ে অফিসের জন্য রওনা দিবো তখনি,,,,


তসিবা:- আপনি অফিসে যাবার সময় আমাকে কলেজে নামিয়ে দিয়ে যাবেন।


আমি:- আমার তো কোনো কাজ নেই। দেখি সরো এমনিতে আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে।


তসিবা:- দেখছেন আম্মা আপনার ছেলে আমাকে সাথে নিয়ে যেতে চাইছে না। (আরে আম্মা আসলো কেনো দূর কিছু একটা বলে এখান থেকে নিয়ে যায়।)


আমি:- হয়ছে আম্মাকে বলতে হবে না আমি তোমার সাথে মজা করেছি। আসো বসো তসিবা এসে বাইকে বসেছে। আমি বাইক চালাচ্ছি কিছুটা পথ যাওয়ার পর দেখি ম্যাডাম রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে। ম্যাডামের কাছে যেতেই বলে,,,,


ম্যাডাম:- আরে সৌরভ তুমি সাথে নতুন বউ নিশ্চয়। (ম্যাডামের কথা শুনে তসিবার দিকে তাকিয়ে দেখি। তসিবা অনেকটা আগ্রোহের সাথে নিজেকে উপস্থাপন করতে চাচ্ছে। তখনি আমি বলি,,,)


আমি:- আরে না মেম ও তো আমার কাজিন কলেজে যাবে তাই সাথে নিয়ে এসেছি। সামনে ওর কলেজ আপনার গাড়ীর কি হয়ছে?


ম্যাডাম:- হঠাত করে গাড়ীটা স্টার্ট নিচ্ছে না। আর আজকে অনেক জুরুরী একটা মেটিং আছে এখন কি যে করি।


আমি:- তসিবা তুমি একটু বাইক থেকে নামো।


তসিবা:- কেনো?


আমি:- আগে নামো তারপর বলছি। (তসিবা বাইক থেকে নেমে দাড়িয়েছে) নাও ৫০ টাকা তুমি রিক্সা করে কলেজে চলে যাও। আর ম্যাডাম আপনি আসেন আমিও অফিসে যেতেছি। তসিবা দাঁড়িয়ে আছে ৫০ টাকা হাতে আর আমি ম্যাডামকে বাইকে বসিয়ে চলে আসছি,,,,,,

To be continue

मंगलवार, 26 अक्टूबर 2021

বাংলা দুঃখের গল্প। বাংলা অসহায় মানুষের গল্প।বাংলা গরিব দুঃখিনীর গল্প। অসহায় মানুষের খুব দুঃখ্যের গল্পঃ

            গল্পের নাম -             
                  অসহায় মানুষ




অসহায় মানুষের জীবন খুব কঠিন ও খুব সরল। আমি আর আমার বন্ধু মিলে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময় একটা অসহায় মানুষ কে দেখতে পাই যে রাস্তার মধ্যে বসে আছে।এবং ওই অসহায় মানুষটি রাস্তার মধ্যে বসে বসে ভিক্ষা করছে।আমি ও আমার বন্ধু মিলে ওই অসহায় এবং ভিক্ষুক মানুষটি কি দেখতে থাকি। বেশ কিছু খুন দেখার পর আমরা দুজনে বাড়ি চলে আসি।কিন্তু বাড়ি আসার পর রাত্রে যখন ঘুমাতে যাই তখন আমার খুব ওই অসহায় মানুষটির কথা মনে পরে।ওই অসহায় মানুষটির কথা ভাবতে থাকি সারা রাত, ভাবতে ভাবতে চোখে জল চলে আসে।ওই অসহায় মানুষটির মতো আমি বা আমার পরিবারের কেউ রাস্তার পাশে বসে ভিক্ষা করতো ।কিন্তু আবারো পরের দিন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওই অসহায় মানুষটি কে দেখতে পাই। এবং একই যাই গাই ওই অসহায় মানুষটা বসে বসে ভিক্ষা করছে। হটাৎ কিছু খন পর দেখি এক ভদ্র লোক ও ভদ্র মহিলা ওই অসহায় মানুষ এবং ওই ভিক্ষুক এর সামনে দিকে পেরিয়ে যাচ্ছে।এবং ওই ভদ্র মহিলা এবং ভদ্র লোকটি কে দেখে মনে হচ্ছে যে ধনী ব্যক্তি।ওই ভদ্র মহিলা এবং ওই ধনী ব্যক্তি কে দেখে মনে হইয়েছিল তারা দুজন স্বামী -স্ত্রী।



 এবং ওই রাস্তার পাশে বসে থাকা অসহায় এবং ভিক্ষুক মানুষটি ওই ভদ্র মহিলা এবং ওই ধনী ব্যক্তির কাছে ভিক্ষা চাইছে। তখন ওই ভদ্র মহিলা তার স্বামীর কাছে ওই অসহায় মানুষটি কে দেওয়ার জন্য পঞ্চাশ টাকা চাইলো। তখন ওই ভদ্র লোকটি তার স্ত্রী কে বললো যে পাঁচ টাকা দিলে তো হয়,পঞ্চাশ টাকা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।এবং সেইদিনকার ওই ভদ্র লোকটির আচরণ দেখে আমি খুব চিন্তায় পরে গিয়েছিলাম।কারণ ওই অসহায় মানুষটিকে পঞ্চাশ টাকা দিলে যেন ওই ধনী ব্যক্তির অর্ধেক সম্পত্তি নষ্ট হয়ে যাব।







 সুখের ভাগ নেওয়ার জন্য অনেকে থাকে কিন্তু কষ্টের ভাগ নেওয়ার জন্য কেউই থাকে না।কারণ ওই অসহায় মানুষটির কাছে ওই পাঁচ দশ টাকায় অনেক কিছু।ওই পাঁচ দশ টাকার বিনিময়ে ওই দিনের খাবার জুটবে ওই অসহায় এবং ভিক্ষুক মানুষটির। যেদিন টাকা জুটবে সেদিন ওই অসহায় মানুষটি খেতে পাবে আর যেদিন জুটবে না সেদিন ওই অসহায় মানুষটি কে না খেয়ে থাকতে হয়।এবং ওই অসহায় মানুষের কথা কেউ ই ভাবে না, এবং না কোনো পরিবার আছে তাঁদের, তাঁদের একলা জীবন কাটাতে হয়।এই সব কথা ভেবে আমি খুব দুক্ষিত হইয়ে ছিলাম। কারণ এক অসহায় এবং ভিক্ষুক মানুষই এবং ধনী ব্যক্তি হোক না কেন, আমাদের সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ।




অসহায় এবং ভিক্ষুক মানুষের জীবনযাত্রা খুবই কঠিন। কারণ তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ থাকে না।আর আমাদের সমাজের মানুষকে ভাবতে হবে যে আল্লাহ যদি আমাদের এই পৃথিবীতে অসহায় করে পাঠাতো তাহলে আমাদের অবস্থা তাঁদের মতোই অসহায় হতো।প্রত্যেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে আমাদের সমাজের কর্তব্য।প্রত্যেক মানুষ যদি এসব চিন্তা করতো তাহলে অসহায় মানুষ কখনো নিজেকে অসহায় মনে করতো না।



 আর লিখতে ইচ্ছে করছে না.......


কারণ,শেষ মুহূর্তে মনে হলো এ লিখা যেন ব্যর্থ। আমি অথবা হাজারো জন লিখলে ও অসহায় মানুষের ভাগ্যলিপি বদলাবে না। শুধু প্রত্যশা করি যে মানুষের জীবনে যেন এই অসহায়তা কষ্ট না আসে।..............



আসুন আমরা সকল অসহায় এবং ভিক্ষুক মানুষের পাশে দাঁড়ায়।তাঁদের একবেলা খাবারের ব্যবস্থা করে দি,তাঁদের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করি।আল্লাহ আমাদের সকল কে সমাজের প্রত্যেকটা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তৈফিক দান করুক।.......(আমিন )


                           .....সমাপ্ত......


আরো ও ভালো ভালো গল্প পেতে আমাদের ব্লগটি কে ফলো করুন।

আমারা আরও চেষ্টা করবো নতুন নতুন পোস্ট আমনাদের সামনে তুলে ধরতে।

सोमवार, 25 अक्टूबर 2021

বাংলা ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প।বাংলা ভালোবাসার কষ্টের গল্প। বাংলা 2022 নতুন লাভস্টোরি।বাংলা প্রথম ভালোবাসার গল্প

 

বাংলা ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প।বাংলা ভালোবাসার কষ্টের গল্প। বাংলা 2022 নতুন লাভস্টোরি।বাংলা প্রথম ভালোবাসার গল্প

                          


             FIRST LOVE

           ....... প্রথম  ভালোবাসা........



আমার,

       মনে হয় সকলের জীবনে প্রথম ভালোবাসা হয়।আর এই ভালোবাসা সকলের জীবনে আসে স্কুল অথবা কলেজ লাইফ থেকে । আমাদের এই ভালোবাসা আমাদেরকে নতুন করে বাঁচতে শিক্ষায়।ভালোবাসা মানুষের জীবনে বার বার হয়।প্রথম ভালোবাসা হলো মানুষের জীবনে অন্য রকম ভালোবাসা।ভালোবাসা হলো দুজন দুজনের প্রতি বিস্বাস। কারণ বিশ্বাস ছাড়া ভালোবাসা হয় না। প্রথম ভালোবাসায় হাজারো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে একে অপরকে খুশি রাখার চেষ্টা করি।সারা জীবন এক সাথে হাত ধরে চলার প্রতিশ্রুতি নি। হাজারো স্বপ্ন দেখি।


 তবে সেগুলো শুধু স্বপ্ন হইয়ে থেকে যাই।আর সে স্বপ্ন সকলের পূরণ হয় না।ফার্স্ট লাভ আমাদের শিকিয়ে দেই ভালোবাসা কি?


প্রথম ভালোবাসা পূরণ হয় না ঠিকই, কিন্তু প্রথম ভালোবাসা কখনো  ভুলতে পাড়া যাই না।প্রথম ভালোবাসা ভুলবার নয় এই কথাটি ঠিকই....কথাটা কিছুটা হলেও সত্যি কিন্তু সবার জন্য নয়।


প্রথম ভালোবাসা মানুষের জীবনে খুশির না হলেও কষ্টের দাগ থেকে যাই সারাজীবন। কিন্তু যাদের জীবনে ভালোবাসাটা বার বার আসে তাঁদের এতে কিছু যাই এসে যাই না।


তাই আমাদের আজকের গল্পটা হলো প্রথম ভালোবাসা নিয়ে।


 গল্পের নাম হলো.........

                          FIRST  

                                         LOVE

 একটা ছেলে একটা মেয়ে কে খুব  ভালোবাসতো। ছেলেটির নাম ছিল শুভ ও মেয়েটির নাম ছিল শ্রাবনী ।ছেলেটি ছিল ক্লাসের ফার্স্ট বয়। ছেলেটি পড়াশুনায় খুব ভালো ছিল। একদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে শুভর সাথে শ্রাবনীর দেখা হয়। এবং সেখানে তাঁদের পরিচয় হয়। এবং পরিচয় হওয়ার পর তারা দুজন দুজনে প্রতিদিন কথা বলতে থাকে। প্রতিদিন কথা বলতে বলতে শুভ শ্রাবনী কে ভালোবেসে ফেলে। কিন্তু একথা শুভ শ্রাবনীকে জানতে দেয় না।


প্রতিদিন তারা ফেসবুক, হোয়াটস্যাপ এ রাতের পর রাত জেগে চ্যাট করতে থাকে। শ্রাবনীও শুভ কে একটু একটু করে ভালোবেসে ফেলে। কারণ শ্রাবনীর কাছে শুভ ছিল স্পেশাল।


 কারণ শুভ ছিল শ্রাবনীর কাছে বাকি সব ছেলেদের থেকে আলাদা।কারণ শুভ ছিল খুবই  শান্ত  একটা ছেলে।

 শুভ ছিল দরিদ্র পরিবারের ছেলে।আর শ্রাবনী ছিল তার বাবা মায়ের এক মাত্র সন্তান। শ্রাবনী সবে মাত্র ক্লাস নাইন এ পড়তো। শ্রাবনী কে নিয়ে তার  বাবা মায়ের অনেক স্বপ্ন ছিল 

শুভ তার বাবা মায়ের স্বপ্ন কে নষ্ট করতে চাইনি।

তাই শুভ তার সব কষ্ট কে বুকে পাথর  দিয়ে চেপে রাখলো।

সম্পর্ক থেকে সে সরে পালিয়ে যাবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিল।আর সে সব কথা শ্রাবনী কে ও জানতে দিবে না।

কিন্তু শ্রাবনী শুভকে ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারত না।

শ্রাবনী চেয়ে ছিল শুভ তাকে প্রপোস করুক।

কারণ মেয়েরা কখনো আগে প্রপোস করবেনা এটা আমরা সবাই জানি।কথায় আছে না মেয়েদের আঠারো কলা । তারজন্য শ্রাবনী ভেবেছিলো শুভ আমায় আগে এসে প্রপোস করুক।

এই সব করতে করতে দিন এর পর দিন পেরিয়ে যাই কিন্তু শুভ শ্রাবনীকে প্রপোস করে না।

কারণ শুভ ছিল দরিদ্র পরিবারের ছেলে, সে জানতো যে শ্রাবনী হলো তার বাবা মায়ের এক মাত্র সন্তান।

কিছু দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর হটাৎ একদিন শ্রাবনী শুভ কে I LOVE YOU বলে ফেলে।




এবং শুভও শ্রাবনীর প্রপোস এ না থাকতে পেরে, শুভ ও শ্রাবনীকে  তার ভালোবাসার কথা বলে ফেলে। এবং শুভ ও শ্রাবনী প্রেম সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে।

একদিন শ্রাবনী শুভ কে জিজ্ঞাসা করলো :-

কেন তুমি আমায় এতো ভালোবাসো?

শুভ বললো...

কোনো কারণ আমার জানা নেই।

শ্রাবনীকে শুভর এই উত্তর টা ভালো লাগলো না।

তার জন্য আবারো শ্রাবনী বললো

না একটা কারণ দেখাও ওকে....

কারণ......

তুমি অনেক দেখতে সুন্দরী।

শ্রাবনী তার কোথায় একটু সন্তুষ্ট হলো

তারপর শ্রাবনী একদিন হটাৎ আসুস্থ হয়ে পরে।

এবং সুস্থ হওয়ার পর তার সৌন্দর্য অনেক কমে গেলো।শ্রাবনীকে দেখতে অনেকটা রোগা ও পাতলা দেখায়। এবং শ্রাবনীর সুস্থ হওয়ার পরের দিন শুভর সাথে শ্রাবনীর দেখা হয়।

 এবং শ্রাবনী ও শুভর দেখা হওয়ার পর...

শ্রাবনী শুভ কে জিজ্ঞাসা করলো ,,,,,,

-তুমি কি আমাকে এখনো ও অতটাই ভালো বাসো।

তখন শুভ বলল না.......

তখন শ্রাবনী জিজ্ঞাসা করলো কেন?

তখন শুভ শ্রাবনী কে জবাব দিলো তুমি আগের মতো সুন্দর নও।

তার জন্য আমি তোমাই আর আগের মতো ভালোবাসি না।

শ্রাবনী তখন কাঁদতে শুরু করে দিলো। কাঁদতে কাঁদতে তার চোখের জল মাটিতে পড়ার আগে শুভ তার দুই হাত দিয়ে চোখের জল মুছে বলে,ভালোবাসা কোনো কারণ দিয়ে হয় না।.......


আমি তোমাকেই ভালোবাসতাম, আর তোমাকেই ভালোবাসবো আর সারা জীবন তোমাকেই ভালোবেসে যাবো।.....

তখন শুভ শ্রাবনীকে জড়িয়ে ধরে বললো......

I LOVE YOU শ্রাবনী।

  I REALLY REALLY LOVE YOU.......

=  I MISS YOU  =


 আমাদের জীবনে ভালোবাসা হয়তো এরকমই হয়।..............

                          


                         সমাপ্ত

আমাদের বক্তব্য 


আসা করি আমাদের গল্প  গুলি আপনাদের খুব  ভালোলাগছে । আরও নতুন  নতুন  এবং  রোমান্টিক গল্প  পেতে আমাদের ব্লগটি কে ফলো  করুন  এবং কমেন্ট বক্স এ জানিয়ে দিন যে আপনাদের গল্প  গুলি কেমন লাগছে। তাহলে আমরা ভালোভালো গল্প  আপনাদের সামনে তুলে ধরতে পারবো। আজ এই পর্যন্তই  ভালো থাকবেন............

বাংলা সফলতার গল্প। বাংলা জীবন বদলে দেয়া গল্প। বাংলা দুঃখের গল্প। বাংলা হৃদয় জোড়ানো গল্প

 

বাংলা সফলতার গল্প। বাংলা জীবন বদলে দেয়া গল্প। বাংলা দুঃখের গল্প। বাংলা হৃদয় জোড়ানো গল্প।

    সফলতার (succses) গল্প -



আমরা সবাই আমাদের জীবনে সফলতা অর্জন করতে চাই।

 কিন্তু সবাই কি নিজেদের জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারে! না, কারণ যারা সফল হতে পারে তারা আসফল ব্যক্তির থেকে আলাদা। কারণ যারা সফল হতে পারে না তারা নিজের ভাগ্য কে দোষ দিতে দিতে নিজের জীবন পার করে দেয়।





বুদ্ধি ব্যাপ্তি মানুষ বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে একটাই স্বপ্ন দেখতে থাকে " জীবনে সফলতা অর্জন করতে হবে "।এবং তারা সেই পথে সারা জীবন এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এই স্বপ্ন দেখার পিছনে এই বুদ্ধি ব্যাপ্তি মানুষদের অনেক কিছু করতে হয়।এই সফলতার পিছনে এমন কিছু বিষয় থাকে যা আমাদের কে কখনো শিক্ষা দেয়, আবার কখনো আমাদের ব্যর্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের জীবনে আমাদের ইচ্ছে শক্তির পর যেটা দরকার সেটা হলো, আমাদের ধোর্য।

কারণ এই ধোর্য  যেমন কোনো কোনো মানুষ দিতে পারে না আবার কেউ কেউ দিতে পারে।

আমাদের জীবনে ব্যর্থতা না এলে, আমরা কখনো শিক্ষা অর্জন করতে পারবো না। কারণ ব্যর্থতায় আমাদের শিক্ষা অর্জনের প্রধান কারণ।

যত দিন যাচ্ছে মানুষের জীপন যাপনের ধারণাও পাল্টে যাচ্ছে। দিনের পর দিন বদলে যাচ্ছে মানুষের শিক্ষা।

 জীবনে যদি আপনি সফল হতে চান তাহলে,থেমে না থেকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

কারণ, থেমে না থাকলে, সফলতা আপনার দিকে এগিয়ে আসবে। আর সফলতা আপনার জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠবে।

তো চলুন প্রথমেই সফলতার (succes) একটি ছোটো গল্প শুরু করা যাক। গল্পটি হলো..................

একটি শহরে একটি মেয়ে বসবাস করতো। এবং সেই শহরে তার একটা ছোট পরিবার ছিল। মেয়েটির পরিবারে ছিল তার মা ও ছোট ভাই। মেয়েটির স্বপ্ন ছিল গায়িকা হওয়া।মেয়েটি ছিল দরিদ্র পরিবারের । কিন্তু মেয়েটির বাবা মারা যাওয়ার পর ওই মেয়েটিকে তার পরিবারের দায়িত্ব নিতে হয়। এবং ওই দরিদ্র পরিবারের মেয়েটি একটা মোদের দোকানে গান করতে থেকে। এবং মোদের দোকান থেকে যে উপার্জনটা করতো তাতেই তাঁদের পরিবার ঠিক মতো চলে যেত।

এবং ওই মোদের দোকানে তাকে নোংরা নোংরা কথা এবং অপমানিত হতে হতো ওই দরিদ্র অসহায় মেয়েটি কে । কিন্তু মেয়েটিকে অপমানিত হতে হলে কিছু করার ছিল না তার। কারণ মেয়েটি ওই মোদের দোকান থেকে গান গিয়ে যে টাকা রোজগার করতো তাতেই তারা দু বেলায় দু মুঠো খাবার জোটাতো। 

এই ভাবে কিছু দিন যাওয়ার পর ওই মোদের দোকানে একটা ছেলে আসে, এবং ওই ছেলেটি ছিল বিখ্যাত গায়ক । কিন্তু ছেলেটির ওই দরিদ্র পরিবারের মেয়েটির দিকে নজর যাই। এবং সেই খানে দেখতে পাই সুন্দরী একটি মেয়ে মিষ্টি আওয়াজে গান করছে।

এবং সেই বিখ্যাত গায়ক ছেলেটিকে ওই মেয়েটির কণ্ঠ আওয়াজ (সুর ) তাকে ভালো লেগে যাই।

 এবং ওই দরিদ্র পরিবারের মেয়েটিকে ওই বিখ্যাত গায়ক ছেলেটি গান গাওয়ার সুযোগ দেয়। এবং কয়েক মাস পর দেখা যাই যে ওই দরিদ্র পরিবারের মেয়েটি বিখ্যাত সিঙ্গারে(গায়িকা )পরিণত হয় ।

                           সমাপ্ত 


তো গল্পটি থেকে আপনি কি বুঝলেন..... গল্পটা থেকে বোঝা গেলো যে মানুষের ধোর্য হলো, মানুষের জীবনে সফলতার(succes) কারন।
কারণ ওই দিন যদি মেয়েটি মোদের দোকানে অপমানিত হওয়ার পর ধোর্য ধরে গান না করতো  তাহলে মেয়েটি আজ বড়ো  স্থানে পোঁছোতে পারতো না।


আমাদের এই সফলতা সম্পর্কের গল্পটি যদি আপনাদের কে ভালো লেগে থেকে তাহলে আমাদের এই ব্লগটি কে ফলো (follow) করুন

এবং আরও নতুন নতুন গল্প আপনাদের সামনে এবং আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবো।......


বাংলা ভালোবাসার রোমান্টিক ও দুঃখের গল্প

 

বাংলা ভালোবাসার রোমান্টিক ও দুঃখের  গল্প

            .....গল্পের নাম.....

                    ধোঁকা

তো বন্ধুরা আমরা চলে এসেছি আবারো একটা নতুন ভালোবাসার দুঃখের গল্প নিয়ে।

কারন আমরা সবাই ভালোবাসায় ধোঁকা খেয়ে থাকি।তার জন্য আপনাদের সামনে আবারো একটা নতুন ভালোবাসার দুঃখের 😓 গল্প নিয়ে হাজির হয়েছি।


তো চলুন গল্পটি শুরু করা যাক আজকের গল্প হলো...

              "ধোঁকা "-

বাংলা কষ্টের ভালোবাসার গল্প। 

বন্ধুরা,

আমি যখন ক্লাস টেন এ পড়তাম ঘটনাটি ছিল তখন কার। ক্লাস টেনের শুরুতে পড়াশুনার জন্য একটা টিউশন নি। এবং টিউশন টা ছিল আমার গ্রামেই। তো ওই টিউশন এ আমার স্যার ক্লাস টেন ও ক্লাস নাইন পড়াতেন।বেশ কিছুদিনের যাওয়ার পর ওই টিউশন এ হটাৎ একটি মেয়েকে দেখতে পাই। মেয়েটি ছিল খুব সুন্দরী ও সুশীল।মেয়েটি কে প্রথম দেখাতেই ওর সাথে সারাজিবন কাটানোর স্বপ্ন দেখে ছিলাম। মেয়েটি ছিল ক্লাস নাইন এর।দিনের পর দিন পেরিয়ে যাই কিন্তু মেয়েটির প্রতি ভালোবাসা আমার দিনের পর দিন বাড়তে থাকে।

মেয়টিকে একবার দেখার জন্য প্রতিদিন টিউশন এ যেতাম।

হটাৎ একদিন মেয়েটির চোখে চোখ পরে যাই, তখন ভয়ে আমার বুক কাঁপতে থাকে। এবং কিছু দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর মেয়েটিও আমার দিকে তাকাতে থাকে।এভাবে দুজন দুজনার দিকে তাকাতে তাকাতে বেশ কয়েকটা দিন পেরিয়ে যাই। কিছু দিন যাওয়ার পর আমি সিদ্ধান্তনি যে মেয়েটাকে প্রপোস করবো।

কিন্তু আমি আমার ফ্রেন্ড এর সাহায্যে ওই মেয়েটি কে প্রপোস করে ফেলি।

কিন্তু বেশ কিছু দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর, আমার ফ্রেন্ড এর মাধ্যমে আমার প্রপোসর উত্তর টা পেলাম।

এবং উত্তর টা ছিল আমি যদি নিজের মুখে ওই মেয়েটাকে প্রপোস করতে পারি তাহলেই ওই মেয়েটা আমায় ভালোবাসবে।

কারন তার ওই উত্তর আমায় বুঝিয়ে দিয়েছিলো যে সে ও আমাকে ভালোবাসে।

এবং পরের দিন ছিল আমাদের টিউশন এ একটা ছোট্ট পিকনিক। আর সেই দিনটা ছিল আমার জীবনের সব থেকে খুশির দিন।

কারন সেই পিকনিকের দিনটা ছিল প্রপোস করার এক মাত্র সুযোগ । আর সেই দিন একটু একটু ভয় ও লাগছিলো। কারন আজ পর্যন্ত কখনো কাউকে প্রপোস করি নি তাই ভাবতে পারছিলাম না যে কি ভাবে প্রপোস করবো।

এবং সেই পিকনিকের দিন তাকে আমি প্রপোস করে ফেলি এবং আমার প্রপোস এ মেয়েটিও আমায় বলে ফেলে যে আমিও তোমাকেই ভালোবাসি।

এবং সেই মেয়েটির কথা শুনে ভাবতে পারছিলাম না যে কি করবো সেই জন্য মেয়েটিকে খুশিতে জড়িয়ে ধরি ।

নিজেকে মনে হয়েছিল এ যেন এক স্বপ্ন।

এবং প্রতিদিন টিউশন এ একে অপরকে দেখতে থাকি, হাসতে থাকি মাঝে মাঝে একটু আকটু কোথাও বলি। বেশ ভালোই লাগে। বুঝতেই পারিনা যে দিন কি ভাবে পেরিয়ে যাচ্ছে।

বাংলা কষ্টের ভালোবাসার গল্প। 

আমরা একে অপরকে কথা দি যে সারাজীবন এক সাথে থাকার। তার এই কথা শুনে আমায় খুব ভালো লাগতো।

কিন্তু আমাদের এই রিলেসন সিপের বেশ কিছু দিন পর আমি ও আমার বন্ধুরা ওই টিউশন থেকে বিদায় নি, কারন আমরা ছিলাম ক্লাস টেন।

এবং বিদায়ের কয়েক মাস পর ছিল আমার মাধ্যমিক পরীক্ষা।

Bengali bhalobasar golpo

এবং বিদায়ের পর আমরা চিঠির মাধ্যমে  নিজের মনের কথা বলতে থাকি।

এবং প্রতিদিন একে অপরের সাথে দেখা করতে থাকি। বেশ কিছুদিন দেখা হওয়ার দুই মাস পর ছিল আমার মাধ্যমিক পরীক্ষা। মাসটি ছিল মার্চ মাস (march)।

এবং মার্চ মাসের শুরুতে ছিল আমার পরীক্ষা। আমার পরীক্ষার কারণে আমি তার সাথে কোনো যোগাযোগ করিনি।

এবং পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পর যখন আমি তার সাথে যোগাযোগ করতে যাই তখন আমার একটা বন্ধু এসে আমায় এমন একটা খবর দেয় যে, তার কথা আমি বিস্বাস করিনি। কারন খবর টা ছিল আমার কাছে ভয়ঙ্কর।

তো খবর টা ছিল আমি যাকে ভালো বাসতাম সেই মেয়েটা অন্য একজনের সাথে পালিয়ে গিয়েছে। তার ওই কথা শুনে ভাবতে পারছিলাম না যে কি করবো।

দিনের পর দিন শুধু তারি কথা মনে পরে, রাতের পর রাত শুধু কাঁদতে থাকি।

কিন্তু পরে বুঝতে পারি যে, মেয়েটার জীবনে আমি শুধু একটা ছোটো চ্যাপ্টার ছিলাম যা খুব সহজেই ভুলে গিয়েছিলো।

তো বন্ধরা আপনারা সবাই এই গল্পটি থেকে কি বুঝলেন, আমরা এই গল্পটি থেকে বুঝতে পারলাম যে আমরা যাকে বেশি বিশ্বাস করবো তারাই আমাদের পিছনে এসে আঘাত দিবে।

কিন্তু এর জন্য দায়ি হচ্ছি আমরা।

কারন আমরা যখন কোনো রিলেশনসিপে যাবো তখন তার সমন্ধে আমাদের জেনে নেওয়া উচিত।

তো হ্যালো বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন। আসা করি আপনাদের কে আমাদের এই দুঃখের গল্পটি ভালো লেগেছে

যদি আপনাদের এই গল্পটি ভালো লেগে থেকে তাহলে আমাদের এই ব্লগটি কে follow করুন।

এবং আপনাদের সামনে আরও নতুন নতুন গল্প নিয়ে হাজির হবো। 👍👍👍👍👍👍👍👍

Simple Calculator 7 8 9 ÷ 4 5 6 × 1 2 3 - 0 C ...