বাংলা ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প।বাংলা ভালোবাসার কষ্টের গল্প। বাংলা 2022 নতুন লাভস্টোরি।বাংলা প্রথম ভালোবাসার গল্প
FIRST LOVE
....... প্রথম ভালোবাসা........
আমার,
মনে হয় সকলের জীবনে প্রথম ভালোবাসা হয়।আর এই ভালোবাসা সকলের জীবনে আসে স্কুল অথবা কলেজ লাইফ থেকে । আমাদের এই ভালোবাসা আমাদেরকে নতুন করে বাঁচতে শিক্ষায়।ভালোবাসা মানুষের জীবনে বার বার হয়।প্রথম ভালোবাসা হলো মানুষের জীবনে অন্য রকম ভালোবাসা।ভালোবাসা হলো দুজন দুজনের প্রতি বিস্বাস। কারণ বিশ্বাস ছাড়া ভালোবাসা হয় না। প্রথম ভালোবাসায় হাজারো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে একে অপরকে খুশি রাখার চেষ্টা করি।সারা জীবন এক সাথে হাত ধরে চলার প্রতিশ্রুতি নি। হাজারো স্বপ্ন দেখি।
তবে সেগুলো শুধু স্বপ্ন হইয়ে থেকে যাই।আর সে স্বপ্ন সকলের পূরণ হয় না।ফার্স্ট লাভ আমাদের শিকিয়ে দেই ভালোবাসা কি?
প্রথম ভালোবাসা পূরণ হয় না ঠিকই, কিন্তু প্রথম ভালোবাসা কখনো ভুলতে পাড়া যাই না।প্রথম ভালোবাসা ভুলবার নয় এই কথাটি ঠিকই....কথাটা কিছুটা হলেও সত্যি কিন্তু সবার জন্য নয়।
প্রথম ভালোবাসা মানুষের জীবনে খুশির না হলেও কষ্টের দাগ থেকে যাই সারাজীবন। কিন্তু যাদের জীবনে ভালোবাসাটা বার বার আসে তাঁদের এতে কিছু যাই এসে যাই না।
তাই আমাদের আজকের গল্পটা হলো প্রথম ভালোবাসা নিয়ে।
গল্পের নাম হলো.........
FIRST
LOVE
একটা ছেলে একটা মেয়ে কে খুব ভালোবাসতো। ছেলেটির নাম ছিল শুভ ও মেয়েটির নাম ছিল শ্রাবনী ।ছেলেটি ছিল ক্লাসের ফার্স্ট বয়। ছেলেটি পড়াশুনায় খুব ভালো ছিল। একদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে শুভর সাথে শ্রাবনীর দেখা হয়। এবং সেখানে তাঁদের পরিচয় হয়। এবং পরিচয় হওয়ার পর তারা দুজন দুজনে প্রতিদিন কথা বলতে থাকে। প্রতিদিন কথা বলতে বলতে শুভ শ্রাবনী কে ভালোবেসে ফেলে। কিন্তু একথা শুভ শ্রাবনীকে জানতে দেয় না।
প্রতিদিন তারা ফেসবুক, হোয়াটস্যাপ এ রাতের পর রাত জেগে চ্যাট করতে থাকে। শ্রাবনীও শুভ কে একটু একটু করে ভালোবেসে ফেলে। কারণ শ্রাবনীর কাছে শুভ ছিল স্পেশাল।
কারণ শুভ ছিল শ্রাবনীর কাছে বাকি সব ছেলেদের থেকে আলাদা।কারণ শুভ ছিল খুবই শান্ত একটা ছেলে।
শুভ ছিল দরিদ্র পরিবারের ছেলে।আর শ্রাবনী ছিল তার বাবা মায়ের এক মাত্র সন্তান। শ্রাবনী সবে মাত্র ক্লাস নাইন এ পড়তো। শ্রাবনী কে নিয়ে তার বাবা মায়ের অনেক স্বপ্ন ছিল
শুভ তার বাবা মায়ের স্বপ্ন কে নষ্ট করতে চাইনি।
তাই শুভ তার সব কষ্ট কে বুকে পাথর দিয়ে চেপে রাখলো।
সম্পর্ক থেকে সে সরে পালিয়ে যাবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিল।আর সে সব কথা শ্রাবনী কে ও জানতে দিবে না।
কিন্তু শ্রাবনী শুভকে ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারত না।
শ্রাবনী চেয়ে ছিল শুভ তাকে প্রপোস করুক।
কারণ মেয়েরা কখনো আগে প্রপোস করবেনা এটা আমরা সবাই জানি।কথায় আছে না মেয়েদের আঠারো কলা । তারজন্য শ্রাবনী ভেবেছিলো শুভ আমায় আগে এসে প্রপোস করুক।
এই সব করতে করতে দিন এর পর দিন পেরিয়ে যাই কিন্তু শুভ শ্রাবনীকে প্রপোস করে না।
কারণ শুভ ছিল দরিদ্র পরিবারের ছেলে, সে জানতো যে শ্রাবনী হলো তার বাবা মায়ের এক মাত্র সন্তান।
কিছু দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর হটাৎ একদিন শ্রাবনী শুভ কে I LOVE YOU বলে ফেলে।
এবং শুভও শ্রাবনীর প্রপোস এ না থাকতে পেরে, শুভ ও শ্রাবনীকে তার ভালোবাসার কথা বলে ফেলে। এবং শুভ ও শ্রাবনী প্রেম সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে।
একদিন শ্রাবনী শুভ কে জিজ্ঞাসা করলো :-
কেন তুমি আমায় এতো ভালোবাসো?
শুভ বললো...
কোনো কারণ আমার জানা নেই।
শ্রাবনীকে শুভর এই উত্তর টা ভালো লাগলো না।
তার জন্য আবারো শ্রাবনী বললো
না একটা কারণ দেখাও ওকে....
কারণ......
তুমি অনেক দেখতে সুন্দরী।
শ্রাবনী তার কোথায় একটু সন্তুষ্ট হলো
তারপর শ্রাবনী একদিন হটাৎ আসুস্থ হয়ে পরে।
এবং সুস্থ হওয়ার পর তার সৌন্দর্য অনেক কমে গেলো।শ্রাবনীকে দেখতে অনেকটা রোগা ও পাতলা দেখায়। এবং শ্রাবনীর সুস্থ হওয়ার পরের দিন শুভর সাথে শ্রাবনীর দেখা হয়।
এবং শ্রাবনী ও শুভর দেখা হওয়ার পর...
শ্রাবনী শুভ কে জিজ্ঞাসা করলো ,,,,,,
-তুমি কি আমাকে এখনো ও অতটাই ভালো বাসো।
তখন শুভ বলল না.......
তখন শ্রাবনী জিজ্ঞাসা করলো কেন?
তখন শুভ শ্রাবনী কে জবাব দিলো তুমি আগের মতো সুন্দর নও।
তার জন্য আমি তোমাই আর আগের মতো ভালোবাসি না।
শ্রাবনী তখন কাঁদতে শুরু করে দিলো। কাঁদতে কাঁদতে তার চোখের জল মাটিতে পড়ার আগে শুভ তার দুই হাত দিয়ে চোখের জল মুছে বলে,ভালোবাসা কোনো কারণ দিয়ে হয় না।.......
আমি তোমাকেই ভালোবাসতাম, আর তোমাকেই ভালোবাসবো আর সারা জীবন তোমাকেই ভালোবেসে যাবো।.....
তখন শুভ শ্রাবনীকে জড়িয়ে ধরে বললো......
I LOVE YOU শ্রাবনী।
I REALLY REALLY LOVE YOU.......
= I MISS YOU =
আমাদের জীবনে ভালোবাসা হয়তো এরকমই হয়।..............
कोई टिप्पणी नहीं:
एक टिप्पणी भेजें