शनिवार, 25 दिसंबर 2021

(উচ্চমাধ্যমিক)দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল প্রশ্নপত্র উত্তরসহ 2016


**(উচ্চমাধ্যমিক)দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল প্রশ্নপত্র উত্তরসহ 2016:-




**উচ্চমধ্যমিক ভূগোল বিষয়ের বড়ো প্রশ্নপত্র

(1) সমুদ্র তরঙ্গের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট যে-কোনো চারটি ভূমিরূপ চিত্রসহ বর্ণনা করো? 'অ্যাকুইকার' ও 'অ্যাকুইকুড’-এর নির্দেশ করো?

1. (a) সমুদ্রতরঙ্গের ক্ষয়কার্যের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে ও অগভীর সমুদ্রে নানা ধরনের

ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। সাধারণত খাড়া উপকূলভাগ পশ্চাদ্‌গামী বা বিনাশকারী



সমুদ্রতরঙ্গের প্রভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ভূমিরূপগুলি হলো নিম্নলিখিত : (i) ভৃগু (Cliff) : সমুদ্রতরঙ্গের আঘাতে কোমল শিলা দিয়ে গঠিত খাড়া উপকূল ভাগ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ভৃগুর সৃষ্টি হয়। উপকূলরেখার ঠিক পিছনের ভূমিভাগে সমুদ্রতরঙ্গের চিত্র ভৃগু আঘাতে একটি খাঁজ-এর সৃষ্টি হয়। এই খাঁজ আকারে বেড়ে গেলে উপকূলের সামনের অংশ ধসে গিয়ে খাড়া সমুদ্রপাড় বা ভৃগুর সৃষ্টি করে। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমের ডলফিননোজ এবং গোয়ার সমুদ্রের উপকূলে আঞ্ঝনা তটভূমিতে ভৃগু সৃষ্টি হয়েছে।



(ii) তরঙ্গকর্তিত মঞ্চ : সমুদ্রতরঙ্গের আঘাতে ভৃগু ক্রমাগত ক্ষয় পেয়ে পশ্চাদপসরণ করে স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হয়। এর ফলে একটি মঞ্চের ন্যায় মৃদু ঢালযুক্ত সমতল পৃষ্ঠের সৃষ্টি হয়। একে তরঙ্গকর্তিত মঞ্চ বলে। এই মঞ্জু কঠিন শিলাদ্বারা গঠিত হতে পারে আবার বালি, প্রস্তরখণ্ড ইত্যাদি দিয়েও গঠিত হতে পারে। ভারতের কোঙ্কন উপকূলে রাভাস নদীর দক্ষিণে তরঙ্গকর্তিত মঞ্চ গড়ে উঠেছে।



(iii) ব্লোহোল সমুদ্রতরঙ্গের আঘাতে গুহাগুলি ক্ষয় হয়ে প্রসারিত হয়। এই ভৃগুর শীর্ষ ও পাদদেশে গঠিত গুহার সঙ্গে সংযোগকারী প্রাকৃতিক ছিদ্রকে ব্লো হোল বলে। এর ফলে গুহার ছাদ উন্মুক্ত হয়ে যায় এবং সমুদ্রতরঙ্গের জল ব্রো হোল দিয়ে ভৃগুর মাথায় ফোয়ারার মতো বেরিয়ে আসে। স্কটল্যান্ড উপকূলে ব্লো হোল দেখা যায়।

(iv) গিও বা জিও (Geo): সমুদ্রতরঙ্গে ক্রমাগত আঘাতে ব্লো হোলের ছাদ বৃদ্ধি পায় এবং একসময় ধসে পড়ে। এর ফলে একটি দীর্ঘ ও সংকীর্ণ খাঁড়ির সৃষ্টি হয়। স্কটল্যান্ড ও ফ্যারো দ্বীপে জিও দেখা যায়।

 অথবা, চিত্রসহ বিভিন্ন প্রকার জলনির্গম প্রণালী আলোচনা করো। 'নদীর ক্ষয়চক্রের ব্যাঘাত' বলতে কী বোঝায়?

কোনো নদী গোষ্ঠীর মূল নদী, বিভিন্ন উপনদী, বিভিন্ন শাখা ও প্রশাখা নদী প্রভৃতির বিন্যাসের দ্বারা যে নবপাচগড়ে ওঠে তাকে জলনির্গম প্রণালী বলা হয়। বিভিন্ন জলনির্গম প্রণালীগুলি হলো (i) বৃক্ষরূপী জলনির্গম প্রণালী: গাছ অথবা বৃক্ষের মতন দেখতে বলে একে বৃক্ষরূপী জলনির্গম

প্রণালী বলা হয়। বৈশিষ্ট্য : শাখানদীগুলি এলোমেলোভাবে বিভিন্ন দিক থেকে এসে মিলিত হয়। একই ধরনের শিলা দিয়ে গঠিত অঞ্চলে দেখা যায়। উপনদীগুলি মূল নদীর সঙ্গে সুক্ষ্মকোণে মিলিত হয়।

বিশেষত আর্দ্র জলবায অঞ্চলে দেখা যায়।

চিত্র: বৃক্ষরুপী জলনির্গম প্রণালী

যেসব অঞ্চলে ভূভাগ সমপ্রকৃতির পাললিক বা আগ্নেয়শিলা দিয়ে গঠিত এবং যেসব শিক্ষার ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা সমান এবং যেসব অঞ্চলের ভূমির ঢাল একটি নির্দিষ্ট দিকে থাকে সেখানে বৃক্ষরূপী জলনির্গম প্রণালী গড়ে

(ii) জাফরিপ জলনির্গম প্রণালী : ভারতের আরাবল্লী পর্বতে, কুয়ানদীর উচ্চ অববাহিকায় এই ধরনের জলনির্গন প্রণালী দেখা যায়।

বৈশিষ্ট্য: সরল ভাঁজযুক্ত অঞ্চলে গড়ে ওঠে। পর্বতের উভয় পার্শ্বের খাড়া ঢাল থেকে উৎপন্ন উপনদীগুলি সমকোণে প্রধান নদীতে এসে মিলিত হয়।

সরল ভাজযুক্ত অঞ্চল ঊর্ধ্বভঙ্গ ও অধোভঙ্গের অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রধান নদী গতিপথকে নিয়ন্ত্রণ করে।

(iii) আয়তক্ষেত্রাকার জলনির্গম প্রণালী : মধ্যপ্রদেশের শোন নদী, ইওরোপের নরওয়েতে এই জলনির্গম প্রণালী দেখা যায়।

বৈশিষ্ট্য : প্রধাণ নদীগুলি পরস্পরের সঙ্গে সমকোণে মিলিত হয়। কম বৃষ্টিপাতযুক্ত এবং কম ফাটল ও চ্যুতিযুক্ত অঞ্চলে এই নদীবিন্যাস দেখা যায়। (iv) কেন্দ্রবিমুখ জলনির্গম প্রণালী : রাঁচি, হাজারিবাগ মালভূমিতে এই জলনির্গম প্রণালী দেখা

যায়। যে নদীগুলি দণ্ডের ন্যায় কেন্দ্র থেকে চক্রাকারে বাইরের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে কেন্দ্রবিমুখ জলনির্গম প্রণালী বলা হয়।

·সাধারণত শঙ্কুআকৃতি পাহাড়, মৃত আগ্নেয়গিরি, বিচ্ছিন্ন উচ্চভূমি অঞ্চলে এই নদী বিন্যাস গড়ে উঠতে দেখা যায়।

(v) কেন্দ্রমুখী জলনির্গম প্রণালী : যে নদী বিন্যাসে নদীগুলি কোনো অবনমিত অঞ্চলে কেন্দ্রের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে কেন্দ্রমুখী জলনির্গম প্রণালী বলা হয়। আফ্রিকার চাদ হ্রদের পেলের কাঠমান্ড উপত্যকায় এই জলনির্গম প্রণালী দেখা যায়। সাধারণত বেসিন অঞ্চলের নদী বিন্যাস দেখা যায়।


*(b) মৌসুমি জলবায়ু ও ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করো। 'মুস্তিকা পরিলেখা কাকে বলে?



 অথবা, ‘ওজোনস্তর হ্রাস’-এর প্রভাবগুলি কী কী? জীববৈচিত্র্য বিনাশে মানুষের ভূমিকা আলোচনা করো?

বায়ুমণ্ডলের স্ট্যাটোস্ফিয়ার স্তরে বিদ্যমান ওজোন গ্যাসের পুরু আস্তরণটি ওজোনস্তর নামে পরিচিত। বায়ুমণ্ডলের এই স্তর সৌর বিকিরণের ক্ষতিকর উপাদান অতিবেগুনি রশ্মিকে পৃথিবীতে আসতে বাধা দেয়। ফলে জীবমণ্ডল রক্ষা পায়। কিন্তু বর্তমানে এই ওজোনস্তরে ছিদ্রের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে গাছাপালা, জীবজন্তু, মানুষ, প্রাকৃতিক পরিবেশ সবারই ক্ষতি হবে। জীবজগতের ওপর প্রভাব :

1. উদ্ভিদজগতের ওপর প্রভাব : (i) এই অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হচ্ছে। (ii) অঙ্কুরোদ্গম ব্যাহত হবে।

(iii) গাছের বৃদ্ধি কমে যাবে। চাষবাসের ক্ষতি হবে। আসবাব তৈরির, কাগজ তৈরির কাঠের জোগান কমে যাবে ।


(c) দক্ষিণ ভারতে কফি চাষের উন্নতির কারণগুলি?নিবিড় জীবিকাভিত্তিক কৃষি পদ্ধতিতে মাথাপিছু উৎপাদন কম কেন? ভারতে নীল বিপ্লব’ বলতে কী বোঝাই

প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর প্রভাব :

(i) ক্ষুদ্র প্রাণী থেকে মানুষ সবাই যে খাদ্য জাল বা food chain-এর অন্তর্গত তা দ্রুত নষ্ট হবে।

(ii) বাতাসে অ্যাসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।

(iii) মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাচ্ছে ফলে সমুদ্রজলোস্তর বৃদ্ধি পাবে।

জীববৈচিত্র্য বিনাশে মানুষের ভূমিকা—সৃষ্টির আদিকাল থেকে জীববৈচিত্র্যের বিবর্তন হয়ে চলেছে। কিন্তু বর্তমানে মানুষের বিভিন্ন কার্যকলাপে জীববৈচিত্র্য বিপন্ন হচ্ছে। কারণগুলি হলো নিম্নলিখিত—

(i) মানুষের বিভিন্ন কার্যকলাপ যেমন চাষাবাদ, নগরায়ণ, কৃষিজমির সম্প্রসারণ ইত্যাদি কারণে বহু কীটপতঙ্গ, জীবজন্তু ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

(ii) ঝড়, বন্যা, সুনামি ইত্যাদির কারণেও বহু জীব প্রজাতি বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

(iii) পরিবেশ দূষণ হলো অন্যতম একটি প্রধান কারণ। জল, মাটি, বায়ু দূষণের জন্য বহু উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিনাশ ঘটছে। এই কারণে, শকুন, ঘুঘু ইত্যাদি পাখি ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে।

(c) ভারতে কফি চাষ প্রধানত দক্ষিণ ভারতেই সীমাবদ্ধ। দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে কর্ণাটক, কেরল, তামিলনাড়ু কফি উৎপাদনে প্রধান। দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি থেকে ভারতের মোট 97.77% কফি উৎপন্ন হয়। কফি চাষের উন্নতির কারণ হলো জলবায়ু : উয়তা—উয় ক্রান্তীয় জলবায়ু কফি চাষের অনুকূল। বার্ষিক 15°C থেকে 30°C তাপমাত্রা কফি চাষের উপযুক্ত। বৃষ্টিপাত—বার্ষিক 100 cm থেকে 250 cm বৃষ্টিপাত কফি চাষের জন্য সহায়ক। উয়তা ও বৃষ্টিপাতের এই অনুকূল পরিবেশ দক্ষিণ ভারতে রয়েছে।
ভূ-প্রকৃতি: পাহাড়ি ঢালু জমি কফি চাষের উপযুক্ত। জল নিকাশি ব্যবস্থার জন্য উচ্চভূমি বা পর্বতের ঢালে কফি চাষ ভালো হয়। মৃত্তিকা : লোহা, পটাশ, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ লাল দোআঁশ মাটি কফি চাষের আদর্শ। লাভা-জাত কালো মাটিও কফি চাষের উপযুক্ত। ছায়া প্রদানকারী বৃক্ষ : দক্ষিণ ভারতে প্রচুর ভুট্টা ও কলার চাষ হয়। কফির চারাগুলি প্রখর সূর্যকিরণ থেকে বাঁচতে ভুট্টা, কলা ইত্যাদির গাছ লাগানো হয়।

এছাড়া দক্ষিণ ভারতে সুলভ ও দক্ষ শ্রমিকের প্রাচুর্য, প্রচুর মূলধনের জোগান, উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা, উপযুক্ত বাজার ইত্যাদির কারণে দক্ষিণ ভারতে কফি চাষ উন্নতি লাভ করেছে।

নিবিড় জীবিকা সত্ত্বাভিত্তিক কৃষিতে মাথাপিছু উৎপাদন কম হওয়ার কারণগুলি হলো :

(i) জনাধিক্য – এই কৃষি পদ্ধতি যেসব স্থানে দেখা যায় সেখানে জনসংখ্যার চাপ খুব বেশি। (ii) স্বল্পজমি-জমির ওপর জনসংখ্যার চাপ বেশি হওয়ার জন্য জমির পরিমাণও কম হয় ফলে মাথাপিছু উৎপাদনও কম হয়।

(iii) প্রাচীন কৃষি পদ্ধতি—এই কৃষি পদ্ধতিতে কায়িক শ্রম ও পেশি শক্তির ব্যবহার কম দেখা যায়। কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রপাতি কম

ব্যবহার হয়। ফলে মাথাপিছু উৎপাদন খুবই কম হয়।

নীলবিপ্লব : মৎস্যজীবীদের উন্নত ধরনের মাছ শিকারের জন্য সরকারি আর্থিক সাহায্য, উন্নতমানের চারামাছ সংগ্রহ, গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারের জন্য উন্নত যন্ত্রপাতির সরবরাহ, মাছ চাষের প্রশিক্ষণ প্রভৃতির জন্য ২০০০ সালের পরবর্তী সময় মাছ চাষের যে প্রভূত উন্নতি হয় তাকে নীল বিপ্লব বলে।

(d) ভারত বিশ্বে রেডিমেড পোশাক শিল্পে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। লুধিয়ানা, বেঙ্গালুরু, দিল্লি, মুম্বাই, আমেদাবাদ, জয়পুর ইত্যাদি শহর রেডিমেড পোশাক শিল্পে ভারতে উল্লেখযোগ্য স্থান গ্রহণ করেছে।

(d) ভারতের 'রেডিমেড পোশাক শিল্প' সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো? 'কাঁচামালের অভাব সত্ত্বেও জাপান গৌহ ইস্পাত শিল্পে উন্নত"—বক্তব্যটির সমর্থনে দুটি কারণ উল্লেখ করো। ইন্টারনেট-এর গুরুত্ব কী? 

রোডমেড বস্ত্রশিল্প উন্নতির কারণগুলি হল :

(i) কার্পাস, পাট ভারতে প্রচুর পরিমাণে চাষ হয়। পলিমার থেকে কৃত্রিম তন্তু পেট্রোরসায়ন শিল্প থেকে পাওয়া যায়। ফলে কাঁচামালের

অভাব হয় না।

(ii) বড়ো বড়ো শিল্পপতি, ব্যবসায়ীদের জন্য মূলধনের অভাব হয় না। (iii) অধিক জনসংখ্যার জন্য ভারতে বড়ো বাজারের চাহিদা আছে।

(iv) রেল ও সড়ক পথের উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা ভারতে রয়েছে।

(v) বস্ত্র উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত, দক্ষ শ্রমিকের জোগান রয়েছে।

এইসব কারণের জন্য ভারতে রেডিমেড পোশাক শিল্প উন্নতি লাভ করেছে।

কাঁচামালের অভাব সত্ত্বেও জাপান লৌহ ইস্পাত শিল্পে ব্যাপক উন্নতি লাভ করেছে। এদেশের লৌহ ইস্পাত শিল্পগুলি আমদানি করা কাঁচামালের ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। উন্নতির কারণগুলি হলো—

(i) জাপান একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হওয়ার জন্য জলপথে ভারত, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া থেকে লৌহ ইস্পাত শিল্পের প্রয়োজনীয়

কাঁচামাল আমদানি করতে পারে।

(ii) জাপানের স্বাভাবিক পোতাশ্রয় যুক্ত টোকিও, ইয়াকোহামা, ওসাকা, ইয়াওয়াটা প্রভৃতি বন্দরগুলি খুবই উন্নত মানের। ফলে লৌহ ইস্পাত শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানি ও ইস্পাত পণ্যসামগ্রী রপ্তানি করতে সুবিধা হয়।

• ইন্টারনেটের গুরুত্ব—বর্তমান পৃথিবী ইন্টারনেট ছাড়া অচল। ইন্টারনেটের সাহায্যে কাজকর্ম করা যায়, যেমন

(i) সারা পৃথিবী জুড়ে তথ্য আদানপ্রদান করা যায়। (ii) ব্যাবসা-বাণিজ্য আর্থিক লেনদেন করা যায়।

(iii) ট্রেন, বাস, বিমানের জন্য টিকিট কাটা যায়।


(e) 'জনবিবর্তন মডেল'-এর বিভিন্ন পর্যায়গুলি কী কী? 'রৈখিক জনবসতি' বলতে কী বোঝায়? বেঙ্গালুরু ইলেকট্রনিক শিল্পে" উন্নত হওয়ার দুটি কারণ উল্লেখ করো? 



                      পার্ট-বি (মার্কস : ৩৫)

উচ্চমধ্যমিক ভূগোল বিষয়ের MCQ প্রশ্ন পত্র উত্তর সহ:-

 

প্রতিটি প্রশ্নের বিকল্প উত্তরগুলির মধ্যে থেকে সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো :


(i) যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো স্থানের শিলাসমূহ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে সেই স্থানেই পড়ে থাকে তাকে বলে

উত্তর:-আবহবিকার 

 (ii) পাললিক শিলা গঠিত হওয়ার সময় কখনো কখনো জল তার মধ্যে আবদ্ধ হয়ে থেকে যায়। এ ধরনের জলকে বলা হয়

উত্তর:-সহজাত জল

(iii) নরওয়ে ও সুইডেনের উপকূল হলো

উত্তর:- ফিয়র্ড উপকূল

(iv) “ভূমিরূপ হলো ভূ-গঠন, প্রক্রিয়া ও পর্যায়ের ফলশ্রুতি”—এই ধারণাটি কে প্রবর্তন করেন?

উত্তর:- ডাব্লু এম ডেভিস

(v) গম্বুজাকৃতি পাহাড়ে কোন ধরনের নদী নকশার সৃষ্টি হয়? 

উত্তর:-কেন্দ্রবিমু

(vi) 'কারনোজেম' মৃত্তিকা দেখা যায়—

উত্তর:- নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে

(vii) প্রশমিত মাটির pH-এর মান হলো

উত্তর:-7.0

(Viii) দক্ষিণ চিন সাগরে উদ্ভুত ঘূর্ণবাতকে বলা হয়—

উত্তর:-টাইফুন

(ix) 'এল নিনো' আবির্ভাবের বছরে উয় সমুদ্রস্রোত দেখা যায়—

উত্তর:-পেরু ইউকেডর উপকূলে

 (x) 'ওজোনস্তর' ধ্বংসের জন্য যে গ্যাস প্রধানত দায়ী তা হলো

উত্তর:-ক্লোরোফ্লোরো কার্বন 



উচ্চমধ্যমিক ভূগোল বিষয়ের SAQ প্রশ্ন পত্র উত্তর সহ:-
 

2. নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষণীয়) :


(i) ‘অন্ধ উপত্যকা' কাকে বলে? 

কোন নদীর ভূগর্ভে প্রবেশ করার ফলে যে উপত্যকা' হঠাৎ করে শেষ হয়ে যায় তাকে অন্ধ উপত্যকা বলে।

অথবা, ‘ড্যুরিক্র্যাস্ট’ কীভাবে গঠিত হয়?

উষ্ণ আদ্র জলবায়ু অঞ্চলের মাটির এই স্তর থেকে ক্ষারকীয় পদার্থ গুলি ধৌত প্রক্রিয়া ও প্রসারিত হয়ে স্তরের লোক আলুমিনিয়াম অক্সাইড এর একটি কঠিন আবরণ অদ্রবণীয় গড়ে ওঠে। তাকেই বলে

২.‘উত্থিত উপকূল’ কাকে বলে?

ভূ আলোড়ন এর ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠ নতুন উপকূলের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। একে উত্থিত উপকূল বলে।

৩.‘বাজাদ’ কাকে বলে?

মরু অঞ্চলের যৌবন পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ অনেকগুলি পলোল ব্যজনী যুক্ত হয়েছে মৃদু ঢাল বেয়ে উপরে উঠে থাকে বলে।

(v) কোন্ ধরনের মৃত্তিকা ‘শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মৃত্তিকা’ নামে পরিচিত?

বাংলাদেশ থেকে গুজরাট সোলানচাক মৃত্তিকা শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মৃত্তিকা নামে পরিচিত।

অথবা, মৃত্তিকা সংরক্ষণের দুটি পদ্ধতি উল্লেখ করো?

১.কৃষিজ ও পদ্ধতি
২.যান্ত্রিক পদ্ধতি

(vi) ঘূর্ণবাতের চক্ষু কাকে বলে?

ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রকে ঘূর্ণবাতের চক্ষু বলা হয়।

(vii) ‘জেট’ বায়ুপ্রবাহ কী?

হ্যাঁ ভূপৃষ্ঠ থেকে 7 থেকে 14 কিমি উচ্চতা রুদ্ধ বায়ুমন্ডলে ঘন্টায় 52 কিমি থেকে 10 কিমি গতি বেগ সম্পূর্ণ শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহ কে জেট বায়ু বলে।

অথবা, ‘ভাসমান মূলী জলজ উদ্ভিদের’ সংজ্ঞা দাও?

যেসব জলজ উদ্ভিদের শিকড়গুলো জলের তলায় কাদায় আবদ্ধ থাকে তাদের মুক্ত ভাসমান জলজ উদ্ভিদ বলে।

(viii) উচ্চ তাপযুক্ত উদ্ভিদ’ বলতে কী বোঝায়

যেসব উদ্ভিদ অধিক তাপমাত্রায় বেঁচে থাকে যেমন গড়২৫ ডিগ্রি ২৭ ডিগ্রি তাপ থাকে তাকে উচ্চতার যুক্ত উদ্ভিদ বলে

(ix) নেপালের সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের কারণ কী?

নানা নেপালের সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের কারণ হলো ভূমিকম্প ভূমিধস।

(x) কোনো অঞ্চলের ‘শস্য' প্রগাঢ়তা’ কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

অথবা, কেরালায় স্থানান্তর কৃষির স্থানীয় নাম কী?

কেরালা স্থানান্তর কৃষির নাম পসম

(xi) দক্ষিণ ভারতের দুটি লৌহ ইস্পাত শিল্পকেন্দ্রের নাম করো?

দক্ষিণ ভারতের দুটি লৌহ ইস্পাত কেন্দ্রের নাম হল কর্নাটকের বিজয়নগর তামিলনাড়ু সালেম।






कोई टिप्पणी नहीं:

एक टिप्पणी भेजें

Simple Calculator 7 8 9 ÷ 4 5 6 × 1 2 3 - 0 C ...