शनिवार, 11 दिसंबर 2021

ইউটিউব চ্যানেল বানানোর সহজ উপায়।ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার নিয়ম।কিভাবে আপনার ইউটিউব চ্যানেল কে রাঙ্ক করতে পারবেন।

 YouTube:- ইউটিউব 



গোটা পৃথিবী জুড়ে একটা  জনপ্রিয় অ্যাপ হচ্ছে ইউটিউব।আর এই ইউটিউব কে নিয়েই অনেকই তাদের জীবন গড়ে নিচ্ছে ।তাদের আর ভবিষ্যত ভাববার কোনো চিন্তা নেই ।কারণ তারা কোটি কোটি টাকা ইউটিউব থেকে কমিয়ে নিচ্ছে।আজ আমরা যে টপিক টা নিয়ে কথা বলবো সেটা হলো একটা ভালো মানের ইউটিউব চ্যানেল কি ভাবে বানাবো ।কিছু লিখার আগে আমরা একটু ইউটিউব কি সেটা সম্পর্কে জানি ।

ইউটিউব কি:- 

ইউটিউব চ্যানেল কিভাবে খুলতে হয় বা বানাতে হয়:-

ইউটিউব হচ্ছে একটা সারাবিশ্বের জন প্রিয় অ্যাপ যেখানে কোটি কোটি  ভিজিটর ইউটিউব এ প্রবেশ করে।

আর সেখানে ভিডিও পাবলিশ করে  অ্যাডসেন্স  এর সাথে নিজের চ্যানেল যুক্ত করে গড়ছে নিজের ভবিষ্যৎ।

আর এইটাই হচ্ছে ইউটিউব ।যেখানে সকল ধরনের ভিডিও পাওয়া যায়।শুধু মাত্র সেক্সুয়াল ছাড়া।



ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার নিয়ম :-

একটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হলে আপনাকে প্রথমত একটা মোবাইল ,বা ডেক্সটপ থাকতে  হবে ।তবেই আপনি একটা ইউটিউব চ্যানেল বানতে পারবেন ।

শুধু মোবাইল না ডেক্সটপ থাকলেই হবে না ।তার সাথে আপনার ইন্টার নেট সংযোগ ভালো থাকতে হবে ।আর একটা GMAIL ACCOUNT থাকতে হবে ।তারপর আইয়ের কথা বলতে গেলে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ভোটের কার্ড থাকতে হবে যদি আপনি ইন্ডিয়ান হন ।

তো এই জিনিস গুলোই থাকলে আপনি একটা ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারবেন । ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা খুবই সহজ কোনো রকম আসুভিদা হবে না আপনার ।আপনি শুধু পোস্ট টি পড়ে যান ।তাহলে নিশ্চই আপনি একটা ভালো ইউটিউবের হতে পারবেন ।


ইউটিউব চ্যানেল খুলতে গেলে কি কি লাগবে:

১.মোবাইল বা ডেক্সটপ 

২.GMAIL একাউন্ট

৩.মোবাইল নম্বর 

৪.ব্যাংক অ্যাকাউন্ট 

৫.আইডেন্টি ভেরিফিকেসন।


তো চলুন  জেনে নিই আমরা কি করে একটা প্রফেশনাল ইউটিউবের হতে পারবো:-

প্রথমত আমাদের একটা gmail লগইন করতে হবে আমাদের মোবাইল বা ডেক্সটপ এ তারপর আপনি নিজের মতো নাম দিয়ে একটা চ্যানেল create করুন।মানে যে টপিক নিয়ে ভিডিও করবেন  সেই ধরনের নাম দিলে ভালো হয়। তারপর আপনার চ্যানেল এ discription দিয়ে দিন ।আপনি ধরে নেন এখনও ইউটিউব এর কিছুই জানেন না ।তাহলে আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে discription কি ? সেটা আমি স্টেপ অনুযায়ী বলছি।


একটা চ্যানেল কে রাঙ্ক করতে হলে আপনাকে কিছু পরিশ্রম করতে হবে এবং তার সাথে আপনার একটা সাধারণ জ্ঞান থাকা দরকার আপনার আকাঙ্ক্ষা আছে যে ভবিষ্যৎ আমি এই ইউটিউব চ্যানেল দেখব মানে ভবিষ্যতে কোনো রকম অসুবিধা কেননা পড়তে হয় তার জন্য আকাঙ্ক্ষা থাকা নিজের স্বপ্নের প্রতি অটল থাকা খুবই দরকার।

একটা ইউটিউব চ্যানেল কে ভালো মানের ইউটিউব চ্যানেল বানাতে যেসব কাজগুলো করতে হবে:- 

(ক্যাটাগরি:- CATEGORY) বা টপিক(TOPIC)

বর্তমানে ইউটিউবে যে চ্যানেলের সংখ্যা বেড়েছে তা দেখে যে কোন একটা চ্যানেল কে রান করানো খুব কঠিন কাজ। তার জন্য আপনাদেরকে এমন একটা টপিক বা ক্যাটাগরি নিয়ে চ্যানেল খুলতে যেটা ইউটিউবে সার্চ করুন বেশি কিন্তু বেশি সংখ্যায় বা হাই কোয়ালিটি কন্টেন কিছু পাওয়া যায় তার জন্য আপনাদের ভালো মানের ক্যাটেগরি নিয়ে  নিয়ে কাজ করতে হবে তাহলে খুব তাড়াতাড়ি আপনার চ্যানেল রাঙ্ক করবে।


কীওয়ার্ড রিসার্চ:- 

সব থেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কিওয়ার্ড রিসার্চ এটা আপনি ওয়েবসাইট তথা সমস্ত রকম যেকোনো ধরনের সাইট বা ইউটিউব চ্যানেল খুলতে গেলে আপনি যেকোন ভিডিও বা পোস্ট করলে আপনাদেরকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে যদি কিওয়ার্ড রিসার্চ না করেন তাহলে আপনার ইউটিউব চ্যানেল কোনদিনও রাঙ্ক করবেনা। তাই যেকোন পোস্ট লেখা বা পাবলিশ করার জন্য আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে।

New video:- নিজের তৈরি ভিডিও:-

ইউটিউব চ্যানেল রাঙ্ক  করানোর জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে আপনি যে ভিডিওগুলি পাবলিশ করছেন সেগুলো কি কারো ইউটিউব চ্যানেল থেকে তুলে কিছু এডিট করে পাবলিশ করে দিচ্ছেন। তাহলে আপনার নতুন চ্যানেল কোনদিনও রান করাতে পারবেন। হ্যাঁ তাদের হবে যারা প্রথমদিকে নতুন নতুন নিজে ভিডিও ক্রিয়েট করে পোস্ট করার পর চ্যানেল ভালোভাবে মোটামুটি দাঁড়িয়ে গেছে ভালো আর্নিং হচ্ছে এডসেন্স পেয়ে গেছে তারা চাইলে কপি-পেস্ট করতে পারে কিন্তু আপনি যদি নতুন হন তাহলে তাহলে আমি আপনাদেরকে একটা জিনিস বলব যে সবথেকে ভালো নিজে ভিডিও ক্রিয়েট করে পোস্ট করুন নয়তো আপনার চ্যানেল কোনদিনই আপনি করাতে পারবেন না।

ভিডিও থিম:- 

ভিডিও থিম হচ্ছে যেটা ইউটিউবে সামনে শো করে যদি আপনি ভালো না  দেন। তাহলে কোন মানুষ যদি আপনার ওই ভিডিওটা দেখে আর আপনার থিম ভালো না হয় তাহলে সে কোনমতে সে ক্লিক করবে না। তার জন্য আপনাদেরকে চিন্তাকে ভালোভাবে কাস্টমাইজ করতে হবে যখন কোন মানুষ কাস্টমাইজ বালা থিমটা দেখবে তখন তার মনে একটা আকাঙ্ক্ষা জাগবে যে নিশ্চয় ভিডিও ভালো হবে।

ট্যাগ :-.TAG

সকল বিষয় তো মানলেন এবার আর একটু পরিশ্রম করে আপনারা যে ভিডিও করবেন সেই ভিডিওতে ট্যাগ গুলো ভালো মানে দিতে হবে ভালো মানের ট্যাগ দিতে আপনাকে seo জানতে হবে । যদি আপনার ট্যাগ ভালো না হয় তাহলে আপনার ভিডিওতে ভিউ আসবে না।


Discription কি?

Discription কি ভাবে অ্যাড করতে হয়:-

Discription হচ্ছে আপনি যে টপিক নিয়ে লিখবেন সেই সম্পকে কিছু কথা বলা ।মানে আপনার চ্যানেল হচ্ছে  নিউজ টপিক তাহলে আপনার discription কি বুঝতে করো অসুবিধা হয় নি নিশ্চই।

তার discription হবে সকল ধরনের নিউজ পোস্ট ।বা all indian news send ইত্যাদি ।মানে যে টপিক নিয়ে ভিডিও করবেন সেই টপিকের বিষয় নিয়ে আমাদের discription দিতে হবে। আশাকরি আপনারা আমার কথা বুঝতে পারছেন ।যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট বক্স এ জানাবেন ।


শেয়ার :-

 শেয়ার করে কিভাবে রাঙ্ক করানো সহজ হয়

ইউটিউব এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে আপনি আপনার ভিডিও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ও যেকোনো ধরনের জায়গায় আপনার ভিডিওর লিংক শেয়ার করে আপনাকে ভিও আনতে হবে। এ শেয়ারের মাধ্যমে আপনার চ্যানেল অনেকটা এগিয়ে যাবে।

ভিডিও পাবলিশ:-

কি রকম ধরনের ভিডিও পাবলিশ করলে ভিউ আসবে:-

আপনার চ্যানেল যদি নতুন হয় তাহলে আপনাকে ভিডিওগুলি খুব সুন্দর ভাবে এডিট করে পোস্ট করতে হবে ও দিনে দুই থেকে তিনটি ভিডিও পাবলিশ করতে হবে তাহলে খুব তাড়াতাড়ি রাঙ্ক হওয়ার চান্স থাকে। নাই আমার মতে আপনি আপনার চ্যানেলকে রেংক করাতে চাইলে আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে।


আমাদের মত:-

যদি আপনি নতুন ইউটিউবার হয়ে থাকেন তাহলে আপনারা যদি ভাবছেন যে কয়েকদিন বা কয়েক মাসের মধ্যে ইউটিউব চ্যানেল কে দাঁড় করিয়ে দেব তাহলে সেটা আপনাদের ভুল ধারণা একটা ইউটিউব চ্যানেল কে দাঁড় করাতে মোটামুটি দুই থেকে চার বছর টাইম লাগে কিন্তু যদি পরিশ্রম না করা হয় তাহলে সেটা কোনদিনই ভালো হবে না তাই পরিশ্রম করলে তারপর একদিন না একদিন পাবো তাই আমি একটা কথা বলতে চাই যদি আপনাদের শখ বাট ড্রিম স্বপ্ন থাকে যে একদিন বড় ইউটিউবার হয়ে দেখাবো তাহলে ধৈর্যের সাথে সাথে কাজ করতে হবে।






 





कोई टिप्पणी नहीं:

एक टिप्पणी भेजें

Simple Calculator 7 8 9 ÷ 4 5 6 × 1 2 3 - 0 C ...