सोमवार, 25 अक्टूबर 2021

বাংলা সফলতার গল্প। বাংলা জীবন বদলে দেয়া গল্প। বাংলা দুঃখের গল্প। বাংলা হৃদয় জোড়ানো গল্প

 

বাংলা সফলতার গল্প। বাংলা জীবন বদলে দেয়া গল্প। বাংলা দুঃখের গল্প। বাংলা হৃদয় জোড়ানো গল্প।

    সফলতার (succses) গল্প -



আমরা সবাই আমাদের জীবনে সফলতা অর্জন করতে চাই।

 কিন্তু সবাই কি নিজেদের জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারে! না, কারণ যারা সফল হতে পারে তারা আসফল ব্যক্তির থেকে আলাদা। কারণ যারা সফল হতে পারে না তারা নিজের ভাগ্য কে দোষ দিতে দিতে নিজের জীবন পার করে দেয়।





বুদ্ধি ব্যাপ্তি মানুষ বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে একটাই স্বপ্ন দেখতে থাকে " জীবনে সফলতা অর্জন করতে হবে "।এবং তারা সেই পথে সারা জীবন এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এই স্বপ্ন দেখার পিছনে এই বুদ্ধি ব্যাপ্তি মানুষদের অনেক কিছু করতে হয়।এই সফলতার পিছনে এমন কিছু বিষয় থাকে যা আমাদের কে কখনো শিক্ষা দেয়, আবার কখনো আমাদের ব্যর্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের জীবনে আমাদের ইচ্ছে শক্তির পর যেটা দরকার সেটা হলো, আমাদের ধোর্য।

কারণ এই ধোর্য  যেমন কোনো কোনো মানুষ দিতে পারে না আবার কেউ কেউ দিতে পারে।

আমাদের জীবনে ব্যর্থতা না এলে, আমরা কখনো শিক্ষা অর্জন করতে পারবো না। কারণ ব্যর্থতায় আমাদের শিক্ষা অর্জনের প্রধান কারণ।

যত দিন যাচ্ছে মানুষের জীপন যাপনের ধারণাও পাল্টে যাচ্ছে। দিনের পর দিন বদলে যাচ্ছে মানুষের শিক্ষা।

 জীবনে যদি আপনি সফল হতে চান তাহলে,থেমে না থেকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

কারণ, থেমে না থাকলে, সফলতা আপনার দিকে এগিয়ে আসবে। আর সফলতা আপনার জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠবে।

তো চলুন প্রথমেই সফলতার (succes) একটি ছোটো গল্প শুরু করা যাক। গল্পটি হলো..................

একটি শহরে একটি মেয়ে বসবাস করতো। এবং সেই শহরে তার একটা ছোট পরিবার ছিল। মেয়েটির পরিবারে ছিল তার মা ও ছোট ভাই। মেয়েটির স্বপ্ন ছিল গায়িকা হওয়া।মেয়েটি ছিল দরিদ্র পরিবারের । কিন্তু মেয়েটির বাবা মারা যাওয়ার পর ওই মেয়েটিকে তার পরিবারের দায়িত্ব নিতে হয়। এবং ওই দরিদ্র পরিবারের মেয়েটি একটা মোদের দোকানে গান করতে থেকে। এবং মোদের দোকান থেকে যে উপার্জনটা করতো তাতেই তাঁদের পরিবার ঠিক মতো চলে যেত।

এবং ওই মোদের দোকানে তাকে নোংরা নোংরা কথা এবং অপমানিত হতে হতো ওই দরিদ্র অসহায় মেয়েটি কে । কিন্তু মেয়েটিকে অপমানিত হতে হলে কিছু করার ছিল না তার। কারণ মেয়েটি ওই মোদের দোকান থেকে গান গিয়ে যে টাকা রোজগার করতো তাতেই তারা দু বেলায় দু মুঠো খাবার জোটাতো। 

এই ভাবে কিছু দিন যাওয়ার পর ওই মোদের দোকানে একটা ছেলে আসে, এবং ওই ছেলেটি ছিল বিখ্যাত গায়ক । কিন্তু ছেলেটির ওই দরিদ্র পরিবারের মেয়েটির দিকে নজর যাই। এবং সেই খানে দেখতে পাই সুন্দরী একটি মেয়ে মিষ্টি আওয়াজে গান করছে।

এবং সেই বিখ্যাত গায়ক ছেলেটিকে ওই মেয়েটির কণ্ঠ আওয়াজ (সুর ) তাকে ভালো লেগে যাই।

 এবং ওই দরিদ্র পরিবারের মেয়েটিকে ওই বিখ্যাত গায়ক ছেলেটি গান গাওয়ার সুযোগ দেয়। এবং কয়েক মাস পর দেখা যাই যে ওই দরিদ্র পরিবারের মেয়েটি বিখ্যাত সিঙ্গারে(গায়িকা )পরিণত হয় ।

                           সমাপ্ত 


তো গল্পটি থেকে আপনি কি বুঝলেন..... গল্পটা থেকে বোঝা গেলো যে মানুষের ধোর্য হলো, মানুষের জীবনে সফলতার(succes) কারন।
কারণ ওই দিন যদি মেয়েটি মোদের দোকানে অপমানিত হওয়ার পর ধোর্য ধরে গান না করতো  তাহলে মেয়েটি আজ বড়ো  স্থানে পোঁছোতে পারতো না।


আমাদের এই সফলতা সম্পর্কের গল্পটি যদি আপনাদের কে ভালো লেগে থেকে তাহলে আমাদের এই ব্লগটি কে ফলো (follow) করুন

এবং আরও নতুন নতুন গল্প আপনাদের সামনে এবং আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবো।......


বাংলা ভালোবাসার রোমান্টিক ও দুঃখের গল্প

 

বাংলা ভালোবাসার রোমান্টিক ও দুঃখের  গল্প

            .....গল্পের নাম.....

                    ধোঁকা

তো বন্ধুরা আমরা চলে এসেছি আবারো একটা নতুন ভালোবাসার দুঃখের গল্প নিয়ে।

কারন আমরা সবাই ভালোবাসায় ধোঁকা খেয়ে থাকি।তার জন্য আপনাদের সামনে আবারো একটা নতুন ভালোবাসার দুঃখের 😓 গল্প নিয়ে হাজির হয়েছি।


তো চলুন গল্পটি শুরু করা যাক আজকের গল্প হলো...

              "ধোঁকা "-

বাংলা কষ্টের ভালোবাসার গল্প। 

বন্ধুরা,

আমি যখন ক্লাস টেন এ পড়তাম ঘটনাটি ছিল তখন কার। ক্লাস টেনের শুরুতে পড়াশুনার জন্য একটা টিউশন নি। এবং টিউশন টা ছিল আমার গ্রামেই। তো ওই টিউশন এ আমার স্যার ক্লাস টেন ও ক্লাস নাইন পড়াতেন।বেশ কিছুদিনের যাওয়ার পর ওই টিউশন এ হটাৎ একটি মেয়েকে দেখতে পাই। মেয়েটি ছিল খুব সুন্দরী ও সুশীল।মেয়েটি কে প্রথম দেখাতেই ওর সাথে সারাজিবন কাটানোর স্বপ্ন দেখে ছিলাম। মেয়েটি ছিল ক্লাস নাইন এর।দিনের পর দিন পেরিয়ে যাই কিন্তু মেয়েটির প্রতি ভালোবাসা আমার দিনের পর দিন বাড়তে থাকে।

মেয়টিকে একবার দেখার জন্য প্রতিদিন টিউশন এ যেতাম।

হটাৎ একদিন মেয়েটির চোখে চোখ পরে যাই, তখন ভয়ে আমার বুক কাঁপতে থাকে। এবং কিছু দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর মেয়েটিও আমার দিকে তাকাতে থাকে।এভাবে দুজন দুজনার দিকে তাকাতে তাকাতে বেশ কয়েকটা দিন পেরিয়ে যাই। কিছু দিন যাওয়ার পর আমি সিদ্ধান্তনি যে মেয়েটাকে প্রপোস করবো।

কিন্তু আমি আমার ফ্রেন্ড এর সাহায্যে ওই মেয়েটি কে প্রপোস করে ফেলি।

কিন্তু বেশ কিছু দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর, আমার ফ্রেন্ড এর মাধ্যমে আমার প্রপোসর উত্তর টা পেলাম।

এবং উত্তর টা ছিল আমি যদি নিজের মুখে ওই মেয়েটাকে প্রপোস করতে পারি তাহলেই ওই মেয়েটা আমায় ভালোবাসবে।

কারন তার ওই উত্তর আমায় বুঝিয়ে দিয়েছিলো যে সে ও আমাকে ভালোবাসে।

এবং পরের দিন ছিল আমাদের টিউশন এ একটা ছোট্ট পিকনিক। আর সেই দিনটা ছিল আমার জীবনের সব থেকে খুশির দিন।

কারন সেই পিকনিকের দিনটা ছিল প্রপোস করার এক মাত্র সুযোগ । আর সেই দিন একটু একটু ভয় ও লাগছিলো। কারন আজ পর্যন্ত কখনো কাউকে প্রপোস করি নি তাই ভাবতে পারছিলাম না যে কি ভাবে প্রপোস করবো।

এবং সেই পিকনিকের দিন তাকে আমি প্রপোস করে ফেলি এবং আমার প্রপোস এ মেয়েটিও আমায় বলে ফেলে যে আমিও তোমাকেই ভালোবাসি।

এবং সেই মেয়েটির কথা শুনে ভাবতে পারছিলাম না যে কি করবো সেই জন্য মেয়েটিকে খুশিতে জড়িয়ে ধরি ।

নিজেকে মনে হয়েছিল এ যেন এক স্বপ্ন।

এবং প্রতিদিন টিউশন এ একে অপরকে দেখতে থাকি, হাসতে থাকি মাঝে মাঝে একটু আকটু কোথাও বলি। বেশ ভালোই লাগে। বুঝতেই পারিনা যে দিন কি ভাবে পেরিয়ে যাচ্ছে।

বাংলা কষ্টের ভালোবাসার গল্প। 

আমরা একে অপরকে কথা দি যে সারাজীবন এক সাথে থাকার। তার এই কথা শুনে আমায় খুব ভালো লাগতো।

কিন্তু আমাদের এই রিলেসন সিপের বেশ কিছু দিন পর আমি ও আমার বন্ধুরা ওই টিউশন থেকে বিদায় নি, কারন আমরা ছিলাম ক্লাস টেন।

এবং বিদায়ের কয়েক মাস পর ছিল আমার মাধ্যমিক পরীক্ষা।

Bengali bhalobasar golpo

এবং বিদায়ের পর আমরা চিঠির মাধ্যমে  নিজের মনের কথা বলতে থাকি।

এবং প্রতিদিন একে অপরের সাথে দেখা করতে থাকি। বেশ কিছুদিন দেখা হওয়ার দুই মাস পর ছিল আমার মাধ্যমিক পরীক্ষা। মাসটি ছিল মার্চ মাস (march)।

এবং মার্চ মাসের শুরুতে ছিল আমার পরীক্ষা। আমার পরীক্ষার কারণে আমি তার সাথে কোনো যোগাযোগ করিনি।

এবং পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পর যখন আমি তার সাথে যোগাযোগ করতে যাই তখন আমার একটা বন্ধু এসে আমায় এমন একটা খবর দেয় যে, তার কথা আমি বিস্বাস করিনি। কারন খবর টা ছিল আমার কাছে ভয়ঙ্কর।

তো খবর টা ছিল আমি যাকে ভালো বাসতাম সেই মেয়েটা অন্য একজনের সাথে পালিয়ে গিয়েছে। তার ওই কথা শুনে ভাবতে পারছিলাম না যে কি করবো।

দিনের পর দিন শুধু তারি কথা মনে পরে, রাতের পর রাত শুধু কাঁদতে থাকি।

কিন্তু পরে বুঝতে পারি যে, মেয়েটার জীবনে আমি শুধু একটা ছোটো চ্যাপ্টার ছিলাম যা খুব সহজেই ভুলে গিয়েছিলো।

তো বন্ধরা আপনারা সবাই এই গল্পটি থেকে কি বুঝলেন, আমরা এই গল্পটি থেকে বুঝতে পারলাম যে আমরা যাকে বেশি বিশ্বাস করবো তারাই আমাদের পিছনে এসে আঘাত দিবে।

কিন্তু এর জন্য দায়ি হচ্ছি আমরা।

কারন আমরা যখন কোনো রিলেশনসিপে যাবো তখন তার সমন্ধে আমাদের জেনে নেওয়া উচিত।

তো হ্যালো বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন। আসা করি আপনাদের কে আমাদের এই দুঃখের গল্পটি ভালো লেগেছে

যদি আপনাদের এই গল্পটি ভালো লেগে থেকে তাহলে আমাদের এই ব্লগটি কে follow করুন।

এবং আপনাদের সামনে আরও নতুন নতুন গল্প নিয়ে হাজির হবো। 👍👍👍👍👍👍👍👍

गुरुवार, 14 अक्टूबर 2021

ফেসবুক অ্যাকউন্টকে নিরাপদে রাখার উপায় ২০২২


ফেসবুক অ্যাকউন্টকে নিরাপদে রাখার উপায় ২০২২



Table:-কিভাবে নিজের ফেসবুক অ্যাকউন্টকে নিরাপদ রাখবো।কিভাবে ফেসবুকে Two step verification অন করবো।কিভাবে ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করবো।কিভাবে ফেইসবুক a নম্বর অ্যাড করব


আজ আপনাদের সামনে যে বিষয় টা তুলে ধরবো সেটা হচ্ছে আপনার ফেসবুক কে কিভাবে নিরাপদ রাখবেন ।

কারণ এখনকার জামানা খুবই খারাপ ।তাই আমাদের ফেসবুক বা আমাদের মোবাইল কে নিরাপদ রাখতে হবে।আজ আমি ফেসবুক নিয়ে বলবো ।আর পড়ে অন্যান্য অ্যাপ সম্মন্ধে বলবো।তো বেশি দেরি না করে চলুন শুরু করা যাক ।


PASSWORD: পাসওয়ার্ড

তো প্রথমত আপনাকে একটা ভালো এবং স্ট্রং পাসওয়ার্ড দিতে হবে যাতে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড না জানতে পারে ।তাই নিজের পাসওয়ার্ড কাউকে না দেয়া বা কারো মোবাইলে লগইন না করায় ভালো ।সব কিছু সবার সাথে শেয়ার করা ভালো কথা নয়।

NUMBER/নম্বর

তো আপনি যখনি ফেসবুক একাউন্ট খুলে তখন আপনার কাছে মোবাইল নম্বর চাইবে  ।সেই মোবাইল নম্বর ছাড়াও আরও একটি দুটি মোবাইল নম্বর অ্যাড করে নিবেন ।তাহলে আপনার একাউন্ট SUCURE থাকবে।আর কি করে মোবাইল নম্বর অ্যাড করতে হয় তা আমি বলে দিচ্ছি।


facebook এ  মোবাইল নম্বর অ্যাড করতে হয়।

তো প্রথমেই আপনাকে ফেসবুক টা ওপেন করে নিতে হবে এবং সেটিং এ যেতে হবে । সেটিং এ গিয়ে পার্সোনাল সেটিং এ ক্লিক করবেন তাহলে দেখতে পাবেন ।সেখানে কন্টাক ইনফর্ম দেখতে পাবেন সেটা গিয়ে দেখতে পাবেন অ্যাড করার অপশন। 

Facebok এ EMAIL I'd অ্যাড

আপনি আপনার ফেসবুক কে নিরাপদে রাখার জন্য আপনার ইমেইল টা অ্যাড করে নিতে পারেন এবং ম্যাসেজ EMAIL এর মধ্যে করে দিতে পারেন তাহলে আপনার সুভিধে হবে এবং কোনো রকম প্রবলেম হবেনা।

ফেসবুক এ TWO STEP VERIFICATION অন কিভাবে করতে হয়


এইটাই হচ্ছে আপনার ফেসবুক কে সতর্ক বা নিরাপদে রাখার সঠিক উপায় ।আপনি আপনার ফেসবুক এ TWO STEP VERIFICATION করে নিবেন তাহলে আপনার পাসও়ার্ডটা টা কেউ জেনে গেলেও কোনো কিছু করতে পারবেনা কারণ আপনার কাছে একটা ONE TYPE PASSWORD আসবে সেটা তো ও জানতে পারবেনা তাই আপনার মোবাইল এ TWO STEP VERIFICATION করা খুবই গুরত্বপূর্ণ ।


TWO STEP VERIFICATION কি করে অন করতে হয়


তো প্রথমেই আপনাকে আপনার ফেসবুক এর সেটিং এ যেতে হবে ।তার পর একটু স্ক্রল করলে দেখতে পাবেন যে security and login সেখানে ক্লিক করবেন সেখানে একটু স্ক্রল করলে দেখতে পাবেন two step verification । সেখানে আপনার নম্বর দিয়ে আর পাসওয়ার্ড দিয়ে verification on করবেন তাহলে আপনার ফেসবুক অ্যাকউন্টটি নিরাপদে থাকবে।



गुरुवार, 7 अक्टूबर 2021

বহু বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন পরিচিত ও অনুশীল আমাদের পরিবেশ।জল বাঁচাতে নিচের কোন কাজটা করা উচিত নয়।শীতকালে কোন ধরনের পোশাক পড়লে আরাম পাবে।ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল কোন ধরনের বাড়িতে আসলে সুবিধে। বহুবিকল্প ভিত্তিক বাংলা প্রশ্ন পত্র।সিংহ বাঁহাতের পাশে মানুষকে যা মনে হবে।বলবান বাঘের ভরসা

 

বহু বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন:পরিচিত ও অনুশীলন
                   আমাদের পরিবেশ


1. জল বাঁচাতে নিচের কোন কাজটা করা উচিত নয়?

গ) জলের কল খুলে রেখে দেয়া।

২.  নিচে বাড়ি এডা মানচিত্র দেয়া আছে বাড়ির কোন দিকে ফুলের বাগান আছে?



গ) দক্ষিণ দিকে।

৩. শীতকালে কোন ধরনের পোশাক পড়লে আরাম পাবে?

উত্তর:- ঘ) সোয়েটার

৪. ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল কোন ধরনের বাড়িতে আসলে সুবিধে?

খ) কাঠের বাড়ি

৫. নিচের কোনটির সাহায্যে রান্না তাড়াতাড়ি হবে?

ঘ) গ্যাস


৬. পথে যেতে যেতে তোমার খুব তেষ্টা পেয়েছে তোমার কাছে কিংবা আশেপাশে কোথাও জল নেই রাস্তার ধারে ফলের দোকানে নানা রকমের ফল আছে। তেষ্টা মেটাতে তুমি সবচেয়ে আগে কোন ফলটা খেতে চাইবে?

ঘ) ডাব

৭. তোমার ইন্দ্রিয় গুলো নানানভাবে বিভিন্ন উদ্দীপনায় সাড়া দেয় ইন্দ্রিয় ও উদ্দীপনার বিষয়ে যথাযথ নয় তা চিহ্নিত করো?

ঘ) অনেকক্ষণ খুব জোরে আওয়াজ শুনলে কষ্ট হয়.

৮. রাস্তায় চলার সময় কোন কাজটা করা নিরাপদ নয়?

গ) মোবাইলে কথা বলতে বলতে রাস্তা পেরনো।

৯. ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করুন.


ক) ফুলকপি-ফুল

১০. তোমাদের ঘরে অনেক পুরোনো খবরের কাগজ জমা হয়েছে কি করলে পরিবেশ দূষিত হবে না তোমার ঘর খালি হবে আবার নতুন কাগজ তৈরি করার ব্যবস্থাও করা যাবে ?


গ) পুরন খবরের কাগজের দোকানে বিক্রি করে।

১১. ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি মাটির বাড়ি তৈরি হচ্ছে বাড়ীর চাল ছোঁয়ার জন্য প্রকৃতি থেকে সরাসরি পাওয়া যায় এমন কোন উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে?


খ) খর

১২. তোমার বন্ধু সুজয় পরিবার বৃক্ষটি নিচে দেওয়া হল রেখা চিত্রটি পর্যবেক্ষণ করে নিচের প্রশ্নের উত্তর দাও?
সুজয় কাকা বিয়ের পর তার একটি মেয়ে হল সুইটের বাবা বাচ্চা মেয়েটির কে হন?


গ) জেঠু



                    বাংলা ক্লাস =III


ভাগ 1 নিচে দেওয়া শুরু করুন;


মানুষ একমাত্র প্রাণী চারিদিকের বন্দি যে বাঁধা নয়। মাটিতে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে নিজের খাবার নিজেই ঘটাতে পারে তারপরে শত্রু চোখে ধুলো দিয়ে পালাতে।
মানুষের না আছে বাঘের মতো বড়-বড় থাবা না আছে গন্ডারের মত বর্ম  সাপের মত বিসদাত। সিংহ বা হাতের পাশে মানুষকে মনে হবে তালপাতারসেপাই। তবুও সে জলে স্থলে আকাশে ইচ্ছামত ভেসে উড়ে যেতে পারে। গরমে ঠান্ডা কে হার মানাতে পারে গায়ের জোরে কেউ তাকে কাবু করতে পারেনি রেলগাড়ির জাহাজের প্লেন জামাকাপড় বন্ধুকে অন্যান্য জীব জানোয়ারের টাকা দেয়। বলবান বাঘের ভরসা শুধু তার নিজের মাংস বেশি বুদ্ধিমান শিবগঞ্জে ভরসা কেবল তার নিজের হাত পা কিন্তু মানুষের হাতে থাকে বর্ষা চোখে দূরবীন বা অণুবীক্ষণ।


নিচের প্রশ্নগুলির সঠিক উত্তরে দাগ দাও।



১. সিংহ বাঁহাতের পাশে মানুষকে যা মনে হবে


উত্তর:-তালপাতার সেপাই

২. জলে-স্থলে আকাশে ইচ্ছা মতো ছুটে যেতে পারে


উত্তর:-মানুষ

৩. বলবান বাঘের ভরসা


উত্তর:-নিজের মাংসপেশি

৪. গায়ের জোরে থাকে কাবু করা যায় না?


উত্তর:-মানুষ.

৫. হার এর বিপরীত শব্দটি হলো


B) জিত 

ভাগ 2- নিচে দেওয়া ছবিগুলো দেখুন

৬. ছবিগুলোতে মাংসাশী প্রাণী কে?


D)নেকড়ে

৭. ছবিগুলিতে কজনের হাতে লাঠি দেখা যাচ্ছে?


B) দুজন

৮. রাখাল গবাদিপশু চড়াচ্ছিল


A) পাহাড়ের কোলে

৯. নেকড়ে আক্রমণ করেছিল

B) ভেড়াকে

১০. ছবিগুলিতে ছাগলের মোট সংখ্যা

A) দুইটি





मंगलवार, 28 सितंबर 2021

Crashing apps on your Samsung Galaxy device? This is the solution

 

Crashing apps on your Samsung Galaxy device? This is the solution


A lot of Galaxy smartphone and tablet users are complaining about apps crashing on their devices. This issue is not just limited to Samsung’s devices. It is a widespread issue that is affecting a lot of Android users globally since yesterday. If you are among those people, you can fix those app crashes using a simple solution.

The issue is related to a system component called Android System WebView. Google released a buggy update to the component via the Play Store, which resulted in app crashes for many users. If you are facing the same issue on your Samsung Galaxy smartphone or tablet, you should try to check the Play Store and update the Android System WebView app (version 89.0.04389.105).

If you can’t spot the update, you can fix it by uninstalling the latest update to the Android System WebView. You can do that by taking the following steps on your device running One UI 3:

  1. Navigate to Settings » Apps
  2. Now tap on the sort button (with a downward arrow on it), enable the Show system apps toggle, and then tap on OK.
  3. Now find Android System WebView
    and tap on it.
  4. Tap on the three dots on the top right corner of the screen.
  5. Now select Uninstall updates

If you are on a device running Android 9, you can do the following:

  1. Navigate to Settings » Apps
  2. Tap on the three dots on the top right corner of the screen.
  3. Now tap on Show system apps.
  4. Now find Android System WebView and tap on it.
  5. Now select Uninstall updates.

Alternatively, you can also try to uninstall the update to Android System WebView directly from the Play Store.

After receiving many complaints from Galaxy device owners, Samsung’s official Twitter handle for support tweeted the solution to the problem. Google has acknowledged this issue and has already started rolling out an update to Android System WebView to fix the bug. However, since updates are rolled out in stages, the new version might not reach you today.


गुरुवार, 23 सितंबर 2021

শ্রমিক কার্ডের সুবিধা গুলি কি কি ও কিভাবে রেজিস্ট্রশন করতে হয়

 

শ্রমিক কার্ডের সুবিধা গুলি কি কি ও কিভাবে esharam  কার্ড   করতে হয়


ভারতবর্ষের যে সমস্ত অসংগঠিত শ্রমিক রয়েছে তাদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার 'e-Shram card' বা শ্রমিক কার্ড চালু করেছে। এই Portal এর মাধ্যমে প্রায় 38 কোটি অসংগঠিত শ্রমিক বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাবেন। তাই "e-Shram card online registration" কিভাবে করবেন।

এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে e-Shram card বা শ্রমিক কার্ড কি? এই Portal এর মাধ্যমে কি কি সুবিধা পেতে পারেন? এই Portal এর জন্য কারা আবেদন করতে পারবে? আবেদন করার জন্য কি কি ডকুমেন্ট লাগবে? কিভাবে অনলাইন আবেদন করবেন? সমস্ত কিছু বিস্তারিত জানাবো।

e-Shram card বা শ্রমিক কার্ড কি?

যে সকল অসংগঠিত শ্রমিক বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত তাঁদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার 'e-Shram card' বা শ্রমিক কার্ড পোর্টাল চালু করেছে। এবং এই পোর্টালের মাধ্যমে অসংগঠিত শ্রমিকদের একটি ডেটাবেস তৈরী করা হবে। যদি কোনো অসংগঠিত শ্রমিক দুর্ঘটনার শিকার হয় তাহলে 2 লক্ষ টাকার বীমা পাবেন। 

**e-Shram card online registration

e-Shram card এর মাধ্যমে কি কি সুবিধা পেতে পারেন?

এই পোর্টালের আওতায় অসংগঠিত শ্রমিক বিভিন্ন সরকারি সুযোগ সুবিধা পাবেন। অসংগঠিত শ্রমিকরা প্রায় 2 লক্ষ টাকার বীমা পাবেন। তবে যদি কোনো শ্রমিক শারীরিক ভাবে অক্ষম হয়ে যায় তাহলে 1 লক্ষ টাকা করে পাবে। 

e-Shram card এর জন্য কারা আবেদন করতে পারবে?

ই-শ্রম পোর্টালের জন্য শুধু মাত্র অসংগঠিত শ্রমিক অবেদন করতে পারবেন। 

কৃষি কাজে নিযুক্ত শ্রমিক 

কল কারখানায় নিযুক্ত শ্রমিক 

আটো ডাইভার

চা শিল্পে নিযুক্ত শ্রমিক

হোটেলে নিযুক্ত শ্রমিক

বিল্ডিং বা রাজমিস্ত্রী নিযুক্ত শ্রমিক

অটো মোবাইল নিযুক্ত শ্রমিক

স্বর্ণ কাজে নিযুক্ত শ্রমিক 

পরিয়ায়ী শ্রমিকরা এই পোর্টালের জন্য আবেদন করতে পারবে। যে সব শ্রমিকের বয়স 16 - 59 বছর সব শ্রমিক কার্ড এর জন্যে আবেদন করতে পারবেন। তবে যে সকল শ্রমিকদের EPFO এবং ESIC আছে তাঁরা কিন্তু এই পোর্টালের জন্য আবেদন করতে পারবে না।  

e-Shram portal আবেদন করার জন্য কি কি ডকুমেন্ট লাগবে?

ই-শ্রম পোর্টালের জন্য আবেদন করতে কি কি  ডকুমেন্ট লাগবে :

আধার কার্ড

মোবাইল নম্বর (আধার কার্ড এর সঙ্গে লিঙ্ক থাকতে হবে)

নিজস্ব ব্যাংক একাউন্ট 

ইনকাম সার্টিফিকেট 

স্কুল সার্টিফিকেট

'সমর্থন প্রকল্পে' ৫০ হাজার অনুদান রাজ্যের। সমর্থন প্রকল্প কি? আবেদন পদ্ধতি? কি কি ডকুমেন্টস লাগবে?


e-Shram card কিভাবে অনলাইন আবেদন করবেন?

ই-শ্রম অনলাইন আবেদন করার জন্য প্রথমে গুগলে e-Shram.gov.in ওপেন করবেন। এরপর REGISTER on e-Shram অপশনে ক্লিক করবেন।

e-Shram portal

পরবর্তী পেজটি ওপেন হবে সেখানে আধার কার্ডের সঙ্গে যে মোবাইল নম্বরটি রেজিস্টার আছে সেই মোবাইল নম্বরটি দেবেন এবং ক্যাপচার কোডটি বসিয়ে Sent OTP তে ক্লিক করবেন। এরপর OTP বসিয়ে Submit করলে পরবর্তী পেজটি ওপেন হবে সেখানে আধার নম্বর দিয়ে "I agree to the terms & conditions for registration under eSHRAM Portal" অপশনে ক্লিক করে Sent OTP ক্লিক করবেন। এরপর OTP বসিয়ে Submit করলে পরবর্তী পেজটিতে আপনার আধার কার্ডের সমস্ত ডিটেলস চলে আসবে এরপর Parsonal Details , Nominee Details, Address, Qualification and Income Details, Occupation Details, Bank Account Details সমস্ত তথ্য দিয়ে Submit করলে 'e-Shram card' অবেদন হয়ে যাবে।

এবং 'e-Shram card' আপনারা pdf download করেনিতে পারবে।

ইতিমধ্যে 567579 অসংগঠিত শ্রমিক রেজিস্ট্রেশন করেছে।


e-Shram Portal অফিসিয়াল ওয়েবসাইট লিংক - Click Here 


e-Shram card বিষয়ে জানতে 14434 টোল ফ্রি নাম্বার চালু করেছে কেন্দ্র।

बुधवार, 22 सितंबर 2021

SC/ST/OBC এর ফ্রম ফিলাপ কি করে করবো।ওবিসি এর আবেদন কি করে করবো।SC এর আবেদন কি করে করবো।ST এর ফ্রম ফিলাপ কি করে করবো

SC / ST /OBC কার্ড অনলাইনে আবেদন করতে গেলে আপনাদের কি কি ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে ? অনলাইন প্রসেস টি কেমন হবে ? কোথা থেকে আপনারা আবেদন করতে পারবেন ? আবেদন করতে নিম্নতম ফ্রি কত হতে পারে ? কত দিনে আমরা সার্টিফিকেট হাতে পাব ?-এই ধরনের প্রশ্ন কিন্তু আমাদের মনের মধ্যে জেগে ওঠে কাস্ট সার্টিফিকেট আবেদন করার আগে |
 

 Cast সার্টিফিকেট আবেদন কিভাবে করবেন
 


কাস্ট সার্টিফিকেট আবেদন করতে গেলে আপনাদের প্রথমে একটি অনলাইনে ফরম ফিলাপ করতে হবে এবং BDO মারফত সেই ফরমটি আপনারা পেয়ে যাবেন এই ফলটিকে আপনাকে সম্পূর্ণ ফিলাপ করতে হবে সচেতনভাবে | 
 হাতে ফর্মটা ফিলাপ করার পরে আপনাকে আবার অনলাইনে ফরম ফিলাপ করতে হবে এবং অনলাইন থেকে আপনাকে আবেদন করার সময় কাছে রাখতে হবে।

 SC,ST,OBC ফ্রম ফিলাপ করতে কি কি  ডকুমেন্টস লাগবে:-

1) বয়সের প্রমাণপত্র হিসেবে আধার কার্ড অথবা বার্থ সার্টিফিকেট।


2) দুই কপি পাসপোর্ট মাপের ছবি।

3) আপনার নির্দিষ্ট একটি মোবাইল নাম্বার।

4) বাড়িতে যদি কারো সার্টিফিকেট থাকে সার্টিফিকেট প্রত্যায়িত নকল।

5) পাড়ায় যে কজনের রেফারেন্স লাগাবেন অনলাইনে তাদের ভোটার লিস্টের জেরক্স কপি ।

6) 1993 সালের আগেকার বাড়ির দলিল অথবা পর্চা জেরক্স।

7) আপনার বাবা মায়ের ভোটের কার্ড ও ভোটার লিস্টের জেরক্স।

8) পঞ্চায়েত প্রধানের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দা সার্টিফিকেট.।

9) এবং আপনার পরিবারের বংশপঞ্জি।


 এই সমস্ত ডকুমেন্টস গুলি কে প্রথমে আপনাকে কালেক্ট করতে হবে তারপরে কিন্তু ফিজিক্যাল ফরমটি আপনার ফিলাপ করে লোকাল ভিডিও অথবা দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গিয়ে জমা দিতে পারবেন।


এগুলি কাছে রেখে আপনারা আবেদন শুরু করবেন এবং আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেলে আপনার কাছে একটি ফর্ম ও একটি একনলেজমেন্ট স্লিপ জেনারেট হয়ে যাবে আপনারা সেগুলো প্রিন্ট করে কাছে রেখে দেবেন | ফর্মটির নির্দিষ্ট জায়গায় দেখবেন আপনার এক কপি পাসপোর্ট ছবি চাওয়া হয়েছে আপনারা সেখানে আপনাদের ছবিটি লাগিয়ে দেবেন এবং সেখানে আপনি বা আপনার গার্জেনের একটি স্বাক্ষর করিয়ে দেবেন | দেবার পর আপনি সেগুলির সাথে আপনার যে সমস্ত ডকুমেন্টস রয়েছে যেগুলো থেকে বোঝায় আপনি এখানকার স্থানীয় বাসিন্দা সেই সমস্ত ডকুমেন্টস এবং সাথে ফরম ফিলাপ করার সময় আপনি যে দুইজন রেফারেন্স এর নাম উল্লেখ করেছিলেন তাদের সাথে করে ভেরিফিকেশন এর তারিখে আপনাকে কিন্তু ভিডিও অফিসে নিয়ে যেতে হবে সেখান থেকে আপনার ডকুমেন্টস ভেরিফাই হয় আপনাকে একটি নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া হবে এবং সেই তারিখে আপনার কিন্তু সেখানে গিয়ে খোঁজ নিতে হবে এবং ভিডিও মারফত কিন্তু আপনার কার সার্টিফিকেট আপনাকে প্রদান করা হবে।



 গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়:-
 যারা কার সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছেন মহিলাদের ক্ষেত্রে অনেকেই হয়তো আবেদন করার সময় যে দুজন সাক্ষীর নাম অনলাইনে দিচ্ছেন সেখানে অনেকেই ভুল করছেন। এক্ষেত্রে আপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হল- জেহেতু আবেদন করছেন আপনি স্বামীর বাড়ি থেকে তাই সাক্ষী হিসেবে কিন্তু আপনাকে স্বামীর গ্রামের দুইজন লোকাল Referrences এর নাম আপনাকে দিতে হবে। অনলাইনে ফরম ফিলাপ করার সময় তার পর আপনি যখন আপনার ফিজিক্যাল ফরমটি লোকাল বিডিও অফিসে জমা দেবেন তখন আপনাকে ওই দু'জন রেফারেন্সের অথবা সাক্ষীর ভোটার লিস্টের জেরক্স আপনার ফর্ম এর সাথে স্টাপল করে আপনাকে জমা দিতে হবে।

मंगलवार, 31 अगस्त 2021

কী করে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রোভাল নেব। অ্যাডসেন্স পেতে গেলে কি কি করতে হবে।কি করে প্রথম বারেই অ্যাডসেন্সের অ্যাপ্রভ নিবো

 প্রথম বারেই কি করে অ্যাডসেন্স এর অ্যাপ্রভ নিবেন।





আপনাদের যাদের ওয়েবসাইট আছে তাদের ওয়েবসাইট খুলার একটাই উদ্দেশ্য থাকে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রভাল ।এইটা পেলেই খুশি ।কিন্তু সব কিছু করার পর যখন অ্যাডসেন্স এপ্রভাল না করে রিজেক্ট করে দেই তাহলে কী রকম লাগবে।তাই আমি আপনাদের সুভিধার জন্য যারা নতুন ওয়েবসাইট খুলেছেন বা যাদের বার বার রিজেক্ট আসছে তাদের উদ্দেশ্য এই পোস্ট।



রিজেক্ট করার কারণ

1।আপনার পোস্ট কে ভালো করে লিখতে হবে ইউনিক ভাবে লিখতে হবে।

2।আপনার পোস্টের ওয়ার্ড যেনো মোটা মুটি ভাবে 500 ওয়ার্ড এর মধ্যে হয় তার বেশি হলেও হবে কিন্তু তার কম হলে ম্যাক্সিমাম কনটেন্ required বলবে।

3। কন্টেন্ট কপি যেনো না হয় তাহলে আপনার আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাপ্লাই করাই হবে।করো কন্টেন্ট কপি করে পেস্ট করলে আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রভ হবেনা।

4।আপনি যদি আপনার সাইট এর জন্য 2 টি পেজ তৈরি না করেন তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স রিজেক্ট হবে ।পেজ দুটি হলো প্রাইভেসী পলিসি, ডিসক্লেইমার এই দুটি পেজ আপনাদের তৈরি করতে হবে তবেই আপনার অ্যাডসেন্স অন হবে।


5।আপনার পোস্ট যেনো একটা ভালো মানের হয় ।যে রকম লিখে দিলেন আর অ্যাডসেন্স পেয়েজাবেন এটা ভাবেন না।যদি আপনার পোস্ট ঠিক না থাকে তাহলে আপনার রিজেক্ট দিবে এবং তার সাথে লিখা থাকবে low value content।


 কী কী করলে অ্যাডসেন্স এর অ্যাপ্রভ তাড়াতাড়ি পাবেন 



1.প্রথমত আপনার ওয়েবসাইটের নাম ছোট দিলে ভালো হয় তাহলে রাঙ্ক করবে আর অর্গানিক ট্রাফিক এলেই আপনার অ্যাপর্ভ সহজ হবে।

2। আপনি মিনিমাম 30 টা পোস্ট লিখে ইনডেক্স করার পর  অ্যাডসেন্স এর অ্যাপ্লাই দিলে নিশ্চই আপনার অ্যাপ্রভ হবে।


3।নিজে থেকে পোস্ট লিখবেন করো কপি করলে হবেনা একদম 100 শতাংশই ইউনিক লিখতে হবে বা থাকতে হবে তাহলে নিশ্চই আপনার অ্যাপ্রুভ হতে বেশি সময় লাগবেনা।


4।আপনি যদি অ্যাডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম করতে চান বা অ্যাডসেন্স অ্যাপরভ পেতে চান তাহলে আপনাকে কিছু টাকা খরচ করতে হবে যেমন আপনাকে একটা ডোমাইন কিনতে হবে .com,.in এই সব ডোমাইন অ্যাড করলে  আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রভ পেতে কোনো সমস্যা হবে না ।






सोमवार, 30 अगस्त 2021

অ্যাডসেন্স অ্যাকউন্ট কেনো সাসপেন্ড হয়। অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট কেনো সাসপেন্ড ও ডিসেবল হয়

 আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট কেনো সাসপেন্ড ও ডিসেবল হয় ?





একটা ওয়েবসাইট বা ইউটিউব  অ্যাকাউন্ট থেকে একটা অ্যাডসেন্স পেতে অনেক পরিশ্রম করতে হয় ।
তার পর যদি অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড বা ডিসেবল হয়েযায় তাহলে কেমন লাগবে। তো আজ আপনাদের বলবো যে কি কি করলে অ্যাডসেন্স সাসপেন্ড  বা ডিসেবল হয়ে যায়। আর কি কি করলে আপনার ভালো earning হবে বা আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকউন্ট এর কোনো প্রবলেম হবে না।



অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এর সাসপেন্ড বা ডিসেবল হাওয়ার কারণ:-


1।যদি আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এর  CTR  10+ মানে ১০ এর ওপরে উঠে যায় তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স ডিসেবল হওয়ার ১০০ শতাংশ চান্স আছে ।

2। ইনভালিড ক্লিক অ্যাকটিভিটি 

3। ইনভালিড ক্লিক অ্যাকটিভিটি কি তা আপনাদের বলছি এটা হচ্ছে আপনার পেজ এ যখন কোন ভিউয়ার আসে সেই ভিউয়ার যদি আপনার পোস্ট ভিইয়ের থেকে আপনার অ্যাডস এ ক্লিক বেশি হয় তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স সাসপেন্ড হয়ে যাবে।

4।আপনার সাইট এর পেজ ভিউ আপনি যদি নিজে করেন এবং আপনি যদি অ্যাডস এ ক্লিক করেন  তাহলে আপনার  অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যাবে।


অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট কে নিরাপদ রাখার উপায়:-


1। আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট কে ঠিক রাখতে আপনার  অ্যাডস সঠিক ভাবে রাখতে আপনার পোস্ট কে ভালোভাবে seo করতে হবে।

2।আপনার সাইটের ভিতর ঢুকে পস্ট view করবেননা।

3। আপনার সাইটের জন্য ভালো টুল ব্যাবহার করবেন যদি কেউ আপনার অ্যাডস এ বারবার ক্লিক করে তাহলে সেই টুল এর সাহায্যে আপনার অ্যাডস তার মোবাইল এ শো করবেনা।



পোস্ট ইনডেক্সিং 


আপনার পোস্ট কে সার্চ কনসোল এর গিয়ে তারা তারি ম্যানুয়াল ইনডেক্সিং করতে হবে তাহলে
আপনার পোস্ট দ্রুত ইনডেক্স হবে তাহলে  আপনার পোস্ট গুগলে রাঙ্ক করবে এবং আপনার পোস্ট এর ট্রাফিক বেশি হলে আপনার invalid activities হবে না ।তবে মনে রাখতে হবে এই যে এটা যেনো onganic ভিউজ হয় না হলে আপনার  অ্যাডসেন্স ডিসেবল হাওয়ার চান্স থাকবে।☺👭

আমাদের মত


আসা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন যে কেনো invalid activities আসে ।তার জন্য আপনারা ভালোভাবে seo করুন তাহলে এই প্রবলেম হবে না ।যদি আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট একবার সাসপেন্ড হয় তাহলে দ্বিতীয় বার হোক টা ডিসেবল হয়ে যাবে । ফার্স্ট সাসপেন্ড হলে টা 30 দিন রাখে ।তাই খেয়াল রাখবেন যে আপনার ctr যেনো 10 এর ওপরে না যায় ।তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট ঠিক থাকবে।











ইন্ডিয়াতে কি ফ্রি ফায়ার বন্ধ হবে। ফ্রি ফায়ার গেম মানুষের কি কি ক্ষতি করছে।ফ্রী ফায়ার এর কুপ্রভাব গুলি কি কি। ফ্রি ফায়ার গেম কি ইন্ডিয়া সার্ভার এ বন্ধ হতে চলেছে।মুসলিম দের ফ্রি ফায়ার খেলা যাবে

 ইন্ডিয়া সার্ভার এ  কি ফ্রি ফায়ার গেম  বন্ধ করা  হবে     



কোন কোন দেশে বন্ধ হবে ফ্রী ফায়ার গেম


ফ্রি ফায়ার হচ্ছে প্রায় সবদেশের একটা জনপ্রিয় গেম ।এই গেম টা একটা ব্যাটল রয়েল গেম এর ডাওনলোড আর প্রায় 1 বিলিয়ন প্লাস ।


ফ্রি ফায়ার হচ্ছে মোবাইল এর মধ্যে সবথেকে  জনপ্রিয় গেম।এই গেম টা বেরোনোর পর এটা এত  জনপ্রয়তা পায়নি। তার পর এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে ।আসতে আসতে এর ডাউনলোডের হয় 500 মিলিয়ন প্লাস ।তার পর বেড়ে হয় 1 বিলিয়ন প্লাস। 

এই গেম ছোট থেকে বড় সবাই এই গেম খেলে ।এই গেম তার অনেক খারাপ দিক আছে টা নিয়ে আমি আজ আলোচনা করবো  ।


এই গেমের কুপ্রভাব গুলি হলো


1।এই গেম তার প্রথম কুপ্রভাব হলো  এই গেম খেলে নেশা চরে যায়

2। এই গেমের এত নেশা যে এই গেম অন করলে গেম খেলা চালু করলে কেউ যদি ডাকে তাহলে তার উত্তর আর দেই না। মানে এর নেশা খুব খারাপ ।কেউ ফোন করলে তার ফোন কেটে দেই এতোই নেশা এই গেমের ।

3।এই গেমের আর একটা মারাত্মক দিক হচ্ছে টাকা খরচা করা ।এই গেমের সব থেকে বড় সমস্যা হচ্ছে টাকা খরচা করা ।বাবা মায়ের টাকা কে সব শেষ করে শেষ প্রযন্ত চুরির দিকেই নিয়ে যেতে পারে।


4।এই গেম খেলে বাচ্চা রা পড়াশোনা থেকে বিরত হয়ে যাচ্ছে ।বাবা মায়ের অবাধ্য হচ্ছে।

5।বাচ্চা রা এই গেম এতোই খেলছে যে  রাত দিন কিছুই মানছেনা ।সারা সারা রাত জেগে এই গেম খেলছে।তার ফলে বাচ্চাদের ভবিষ্যতে  বড়ো ধরনের অসুখের সম্মুখীন হতে হবে।


এই গেমের কয়েকটা কুপ্রভাব এর কথা আমি বললাম এর কুপ্রভাব যদি বলতে থাকে তাহলে শেষ হবেনা তাই সংক্ষেপে আমি এর প্রভাবের কথা বললাম । এই গানটা গেমটা এত যে বাচ্চাদের ভবিষ্যতকে একদম নষ্ট করে দিচ্ছে যার ফলে বাচ্চারা তাদের ভবিষ্যৎ থেকে অনেক দূরে রয়েছে এবং তারা গেমের দিকে বেশি করে মনোযোগ দিচ্ছে তাই আমি মা-বাবাদের বলতে চাই যে তারা যেন তাদের বাচ্চাদের এখন থেকে স্মার্টফোন যেন না দেয় যদি দেয় তাহলে তারা তাদের বাচ্চদের ভবিষ্যতকে একদম দুর্দশার দিকে এগিয়ে নচ্ছে তাই আমি একটা কথা বলতে চাই তারা যেন তাদের বাচ্চাদের প্রতি সতর্ক থাকে। 


এই গেম কি বন্ধ হতে চলেছে ইন্ডিয়া সার্ভার এ

তো চলুন জেনে নিই ফ্রী ফায়ার কি বন্ধ হবে ইন্ডিয়া সার্ভার এ ?

এই গেম প্রথমে বন্ধ হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশে সার্ভারে মানে বাংলাদেশ এই গেমের জন্য বাংলাদেশ ছোট বাচ্চা নিজে আত্মহত্যা করে তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই গেম বন্ধ হবে বলে ঘোষণা করে। কিন্তু সে ঘোষণা ঘোষণা থেকে যায় কিন্তু তার সেটা বাতিল হয়ে যায় তারপর বাংলাদেশের আবারও ঘোষণা হয় যে ফ্রী ফায়ার বন্ধ হবে। তার জন্য এই গেম বাংলাদেশ বন্ধ করা হয়। তাহলে কি ইন্ডিয়াতে এই গেম বন্ধ হবে কেন হবে কারণ এই গেম খেলে ইন্ডিয়া কয়েক টি ছেলে মারা যায় । তবলি যে কি করে মারা যায় 

কয়েকটা ছেলে ট্রেন লাইন এর ধারে বসে গেম খেলছিলেন তারা কানে হেডফোন লাগিয়ে খেলছিল এমন সময়ে ট্রেন চলে আসে তারা কোন কিছু টের পায়নি আর তারা মারা যায়। এইজন্যই ইন্ডিয়াতে বন্ধ কে বলেছে আগামী 3 সেপ্টেম্বর বন্ধ হওয়ার কথা আছে ফ্রী ফায়ার। আমি চাই যে এই গেমটা বন্ধ হয় ভালো কারণ আরও অনেক কিছু ধার্মিক জিনিস দেখা গেছে যেটাতে ধর্মকে অপমান করা হয়েছে তাই আমার মত এইযে বন্ধ করা হোক আপনাদের মত তা কমেন্ট বক্সে জানাবেন আজকে এই পর্যন্তই আবার আরো নতুন নতুন পোস্ট নিয়ে আসব আপনাদের সামনে  আরো নতুন নতুন পোস্ট পেতে আমার ব্লগ থেকে ফলো করুন।


रविवार, 29 अगस्त 2021

কিভাবে ফ্রী তে একটা ওয়েবসাইট বানাবো।কিভাবে ফ্রি তে একটা ব্লগ খুলতে পারবো। কীভাবে ওয়েবসাইট থেকে টাকা ইনকাম করবো

কিভাবে আপনি একটা ফ্রী তে একটি ওয়েবসাইট খুলবেন।




আপনাদের আজ বলবো কি করে একটা ফ্রি তে ওয়েবসাইট বা ব্লগ খুলবেন ।আজ কে আমি একদম সাধারন ভাষার মাধ্যমে আপনাদেরকে বুঝিয়ে দেবো ।
যদি ভালো ভাবে আপনি আমার পোস্ট টা পড়েন তাহলে নিশ্চই বুঝতে পারবেন। তো পোস্ট লিখার আগে ও পরে একটাই কথা বলতে চাই যদি পোস্ট পরে কোনো সাহায্য পান তাহলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন।


BLOGSPOT SITE/WEBSITE:


তো প্রথমেই আপনাদের কে ব্লগারে হোক ওয়েবসাইট দুটার মধ্যে একটাই সাইট খুলে নিবেন । যদি যারা সাইট খুলতে না জানেন তার জন্য একটা পোস্ট খুব তারা তারি করবো ।
ব্লগস্পট বা ওয়েবসাইট এ সাইট খুলার পর আপনাদের যা যা করতে হবে।

পোস্ট(POST)


প্রথমেই আপনাকে কিছু পোস্ট করে নিতে হবে যাতে আপনার থিম টা ভালো করে সাজাতে সাহায্য করবে।আর পোস্ট গুলো কোনো কিছু থেকে কপি করলে হবে না তাহলে আপনার পোস্ট ইনডেক্স হবে না ও তার সাথে সাথে অ্যাডসেন্স এর অ্যাপ্রভ পাবেন না।তাই আপনার পোস্ট কে  ১০০ শতাংশ ইউনিক থাকতে হবে।আসা করি আমার লিখা পড়তে আপনাদের সম্মসা হয় নি।



পেজ(PAGES)


তো আপনাদের অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে পেজ তৈরি করা যদি আপনি প্রাইভেসী পলিসি দিস্ক্লাইমের এবাউট মি কোনতাক্ট মি এই পেজ গুলি না দেন তাহলে আপনি কোনদিনই অ্যাডসেন্স এর অ্যাপ্রভ পাবেন না ।তাই আপনাদের এই ৪ টা  পেজ মাস্ট ভাবে তৈরি করতে হবে তাহলে নিশ্চই আপনি অ্যাডসেন্স APPROVED পাবেন।


থিম(Theme)


আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর জন্য একটা থিম দরকার এটা ব্লগের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়   থিম আপনার ব্লগ কে বা ওয়েবসাইট কে ভালো ভাবে সাজাবে।আপনার সাইট টা দেখতে ভালো লাগবে এটাই হচ্ছে থিমের কাজ ।আর যে কোনো ধরনের কোড থিমের মধ্যে এডিট html করে বসাতে পারবেন।


(Settings) সেটিংস


এবার ব্লগ এর মূল বিষয় এ  চলে আসি এটাই ব্লগ এর লাস্ট স্টেপ এটাই আপনাকে সব কিছু সেটিং করতে হবে।


আপনি সেটিং এ গিয়ে আপনার discription অ্যাড করতে পারবেন।যার ফলে আপনার সাইট রাঙ্ক করবে ।
আপনার পেজ কে ভালো ভাবে রাঙ্ক করানোর জন্য সাইট ম্যাপ অ্যাড করতে পারবেন।
 যার মাধ্যমে আপনার পোস্ট ইনডেক্স হবে।আর গুগলে আপনার পোস্ট দেখতে পাবেন।


SEARCH CONSOLE (সার্চ কনসোল)

এটা হচ্ছে ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর বড়ো ভাই যেমন বাড়ি বড়ো বাড়ির কাজ দেখে শুনে করে সেই রকম search console ও ব্লগ বা ওয়েবসাইট সাইট এর যদি কোনো এরোর আসে search console সেটা দেখে এবং ওয়েবসাইট এর পোস্ট কে ইনডেক্স করতে খুব তারা তারি সাহায্য করে । আপনার ভিজিটর কত আসছে আর কোন পোস্টের টপ রেজাল্ট আসছে সেটা search কনসোল দেখা দেখি করে আপনার পেজ কে রাঙ্ক করানোর পিছনে সার্চ কনসোল এর অবদান অনেক তাই আপনার সাইট কে যেনো সার্চ কনসোলের সাথে ভালো ভাবে অ্যাড করবেন যেনো কোনো ভুল না হয় তাহলে নিশ্চই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট রাঙ্ক করবে।


ADSENSE 



এইটা হচ্ছে আপনার পরিশ্যমের ফল ।মানে আপনি যে খাটা খাটুনি করলেন তার জন্য আপনার ত মজুরি লাগবে ।সেই মজুরি পাবেন আপনি অ্যাডসেন্স থেকে ।আপনাকে অ্যাডসেন্স এর অ্যাপ্রভ নিতে হলে মোটামুটি ২৫ টা পোস্ট করতে হবে।আপনার পোস্ট ইউনিক হতে হবে মোটামুটি ৫০০ শব্দের মধ্যে পোস্ট লিখতে হবে ।কোনো জায়গা থেকে কপি করলে চলবেনা। যদি আপনি এই সব মেনে চলেন তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স apporve হবে ।যদি না মানেন তাহলে রিজেক্ট করে দেবে।




Simple Calculator 7 8 9 ÷ 4 5 6 × 1 2 3 - 0 C ...