गुरुवार, 28 अक्टूबर 2021

দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন 2022। ভাত গল্পের দ্বাদশ শ্রেণীর সাজেশন।

 

দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন 2022। কে বাঁচায় কে বাঁচে দ্বাদশ শ্রেণীর সাজেশন


তো আমরা চলে এসেছি আজকে দ্বাদশ শ্রেনির বেঙ্গলি সাজেশন নিয়ে। ২০২২ এর নতুন পরিবর্তনের সাজেশন নিয়ে তুলে ধরবো আপনাদের সামনে।.........


২০২২ এর H. S পরীক্ষায় যে সিলেবাস গুলি বাদ দেওয়া হয়েছে সে গুলি নিচের তালিকায় দেওয়া হলো -


দ্বাদশ শ্রেণীর কোন কোন অধ্যায় সিলেবাস বাদ দেয়া হয়েছে

বাংলা সাহিত্যচর্চা --

গল্প -

১) কে বাঁচায় কে বাঁচে 

কবিতা -

১) শিকার 

 পূর্ণাঙ্গ সহায়ক গ্রন্থ -( আমার বাংলা )....

১) কলের কলকাতা

 বাংলা ভাষা ও শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির ইতিহাস-

 বাঙালির শিল্প ও সংস্কৃতি -

১) বাংলা গানের ধারা

 ভাষা-

১) শব্দার্থতত্ত্ব

 তোমাদের 2022 এর এইচএস পরীক্ষায় এই চ্যাপ্টার গুলি বাদ দেওয়া হয়েছে।







                  ..                    ..বাংলা....

দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাহিত্যচর্চা এর সকল অধ্যায়ের সাজেশন

বাংলা সাহিত্যচর্চা----------------

                                 গল্প-

                                                                     ভাত.....


 রচনাধর্মী প্রশ্ন-----------

প্রশ্ন/ ১)  মহা‌শ্বেতা দেবী রচিত  “ভাত” গল্প অবলম্বনে বুড়ো কর্তার মৃত্যুর পরবর্তী ঘটনাসুমহ আলোচনা করো?


প্রশ্ন / ২)  “তুমি কি বুঝবে সতীশবাবু!” সতীশবাবু কী বুঝবে না? কেন বুঝবে না? সতীশবাবু উচ্ছবের সঙ্গে কেমন আচরণ করেছিল?

**প্রশ্ন / ৩) “এ সংসারে সব কিছুই চলে বড়ো পিসিমার নিয়মে।”- বড়ো পিসিমা কে? গল্প অবলম্বনে বড়ো পিসিমার চরিত্র বিশ্লেষণ করো।

প্রশ্ন / ৪) মহা‌শ্বেতা দেবীর  “ভাত” ছোটগল্পটির সার্থকতা বিচার করো।

**প্রশ্ন / ৫)  “বাদার ভাত খেলে তবে তো সে আসল বাদাটার খোঁজ পেয়ে যাবে একদিন।”বাদা কাকে বলে? উদিষ্ট ব্যক্তির এরকম মনে হওয়ার কারন কি?

প্রশ্ন /৬) ) “এসব কথা শুনে উচ্ছব বুকে বল পায় ”- কোন কথা শুনে উচ্ছব বুকে বল পায়? উচ্ছবের বিষয়ে এমন কথা বলার কারন কি ?

***প্রশ্ন /৭)  “পেটে ভাত নেই বলে উচ্ছব প্রেত হয়ে আছে”-উচ্ছবের পেটে কেন ভাত নেই? উচ্ছব কিভাবে প্রেত হয়ে গিয়েছিলো? কিভাবে সে আবার মানুষ হয়ে উঠলো?

***প্রশ্ন /৮)   “ভাতে হাত ঢুকিয়ে দিতে সে সর্ব সুখ পায় ভাতের  স্পর্শে ”- এখানে কার কথা বলা হয়েছে? ভাতে হাত ঢুকিয়ে দিয়ে সে সর্ব সুখ পায় কেন?

***প্রশ্ন /৯) “ফুটন্ত ভাতের গন্ধ তাকে বড়ো উতলা করে” - কাকে? ফুটন্ত ভাতের গন্ধ তাকে উতলা করে কেন?


                                                                      ভারতবর্ষ  ........

 রচনাধর্মী প্রশ্ন-------------

প্রশ্ন /১) “হটাৎ বিকেলে এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেলো।” বিকেলে দেখা অদ্ভুত দৃশ্যটির বর্ণনা দাও।

***প্রশ্ন /২)  “পউষে বাদলা সম্পর্কে গ্রামের ডাকপুরুষের বচন সম্পর্কে আলোকপাত  করো। এই বাদলা রাঢ় বাংলার কৃষকদের মনের উপরে কি প্রভাব ফেলেছিল?

***প্রশ্ন /৩) “সে রোদের আলোয় সে দূরের দিকে ক্রমশ আবছা হয়ে গেলো।”- কার কথা বলা হয়েছে? সে ক্রমশ আবছা হয়ে গেল কেন?

***প্রশ্ন /৪) “বুড়ির শরীর উজ্জ্বল রোদে তপ্ত বালিতে চিত্ হয়ে পড়ে রইল।”- বুড়ির চেহারা ও পোশাকের পরিচয়  দাও?  বালিতে পড়ে থাকার কারণ কি?

প্রশ্ন /৫) ভারতবর্ষ  গল্প অবলম্বনে বাজারটির বর্ণনা দাও?

****প্রশ্ন /৬) “বিঙ্গ চৌকিদারের পরামর্শ মানা  হল।”.... চৌকিদার কি পরামর্শ দিয়েছিল? সেই পরামর্শ মেনে কি হয়েছিল?

***প্রশ্ন /৭)  “দেখতে দেখতে প্রচণ্ড উত্তেজনা ছড়ালো চারিদিকে ”- প্রসঙ্গ উল্লেখ করে, এই উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনার বিবরণ দাও।


এই দুটি চ্যাপ্টার থেকে যেকোনো দুটি প্রশ্ন আসবে এবং তোমাদের ওই প্রশ্ন দুটির মধ্যে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।


                                                                      কবিতা--------

                                                          রূপনারায়ণের কূলে........

 রচনাধর্মী প্রশ্ন...


**প্রশ্ন/১)  “সত্য যে কঠিন ” -এই উপলব্ধিতে কবি উপনীত হলেন তা নিয়ে  রূপনারায়ণের কূলে  কবিতা অবলম্বনে লেখ?

****প্রশ্ন /২)  “জানিলাম  এ জগৎ / স্বপ্ন - নয়”- রূপনারায়ণের কূলে কবিতা অবলম্বনে- এই ভাবনার তাৎপর্য লেখ?

***প্রশ্ন /৩)  “সে কখনো কারো নয় বঞ্চনা ”- সে বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে? সে কেন বঞ্চনা করেনা?

***প্রশ্ন /৪) “রূপনারায়ণের কূলে / জেগে উঠিলাম ” - রূপনারায়ন বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? এই জেগে ওঠার তাৎপর্য নিজের ভাষায় লেখ?


 মহুয়ার দেশ-

 রচনাধর্মী প্রশ্ন....


প্রশ্ন/১) “আমার ক্লান্তির উপরে ঝরুক মহুয়া ফুল, নামুক মহুয়ার গন্ধ ”- কবি আমার ক্লান্তি বলতে কি বুঝিয়েছেন? মহুয়া ফুল বলার তাৎপর্য কি?

প্রশ্ন /২) “ ঘুমহীন তাদের চোখে হানা দেয়/ কিসের ক্লান্ত দুঃস্বপ্ন”-  এখানে কাদের কথা বলা হয়েছে?  তাদের ঘুমহীন  চোখে ক্লান্ত দুঃস্বপ্ন দেখা দেয় কেন?

প্রশ্ন /৩) 'মহুয়ার দেশ কবিতায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে শ্রমজীবী মানুষের যে বাস্তব অবস্থান স্বরূপ চিত্রিত হয়েছে,তা আলোচনা করো?

                   

  “ মহুয়ার দেশ” কবিতায় বর্ণিত মহুয়ার দেশের প্রকৃত চিত্র নিজের ভাষায় বর্ণনা করো? সেই দেশে অবসন্ন মানুষের শরীরের ধুলোর কলঙ্ক কোন তাৎপর্য বহন করে?


আমি দেখি -

 রচনাধর্মী প্রশ্ন....


***প্রশ্ন/ ১)  “ আরোগ্যের জন্য ঐ  সবুজের ভীষণ দরকার।”- এই সবুজ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? এই সবুজকে পাওয়ার জন্য কবি কি কি নির্দেশ দিয়েছেন?

প্রশ্ন/ ২) “আমাদের দরকার শুধু গাছ দেখা।”- বক্তা কে? তার গাছ দেখা দরকার কেন?

***প্রশ্ন /৩) “শহরের অসুখ হাঁ করে কেবল সবুজ খায়।”- শহরের অসুখ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো?

 ক্রন্দনরতা জননীর পাশে-


 রচনাধর্মী প্রশ্ন....

প্রশ্ন /১)  “আমি তা পারি না”- কবি কি পারেনা?  / “ যা পারি কেবল”- কবি কি পারেন?

প্রশ্ন /২) ক্রন্দনরতা জননীর পাশে কবিতায় কবি জননী কে ক্রন্দনরতা বলেছেন কেন? এই পরিস্থিতিতে কবি কি করা উচিত বলে মনে করেছেন?

প্রশ্ন /৩) “কেন তবে লেখা, কেন গান গাওয়া / কেন তবে আঁকাআঁকি” - কোন প্রসঙ্গে, কেন কবি এই উক্তি করেছেন? লেখা, গান গাওয়া, আঁকাআঁকি বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

প্রশ্ন/ ৪)  “ক্রন্দনরতা জননীর পাশে / এখন যদি না থাকি”- এখন বলতে কোন সময়ের কথা বলা হয়েছে? কবি ক্রন্দনরতা জননীর পাশে কিভাবে থাকতে চেয়েছেন তা আলোচনা করো?

 তোমাদের 2022 এ এইচএস পরীক্ষায় এই কবিতা গুল থেকে যেকোনো দুটি প্রশ্ন আসবে এবং তোমাদের যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।



নাটক ------


                                                              বিভাব-


 রচনাধর্মী প্রশ্ন.....


***প্রশ্ন /১) “এবার নিশ্চয়ই লোকের খুব হাসি পাবে?” কি প্রসঙ্গে এই কথা বলা হয়েছে?

                                অথবা  

 * “কি অমর এবার হাসি পাচ্ছে?” কোন প্রসঙ্গে এই বক্তব্য? বক্তব্যটি তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো?


***প্রশ্ন /২) “এই ঘরের মধ্যে জীবনকে উপলব্ধি করা যাবে না।” জীবনকে উপলব্ধি করার জন্য বক্তা কি করেছিলেন? শেষে তার কিরূপ অভিজ্ঞতা হয়েছিল?

                               অথবা

* “বুদ্ধিটা কি করে এলো তা বলি।” কোন বুদ্ধি এবং তা কিভাবে নাট্যকার কে অনুসরণ করে তা আলোচনা করো?

                                                    নানা রঙের দিন--------


 রচনাধর্মী প্রশ্ন....

প্রশ্ন /১) “শিল্পকে যে মানুষ ভালোবাসে তার বার্ধক্য নেই” - বক্তা কে? তিনি একথা কাকে বলেছেন? বক্তার এরূপ মনে হওয়ার কারণ কি?

                                                          অথবা

*“এই তো জীবনের সত্য কালিনাথ” বক্তা কে? জীবনের সত্যটি কি? কথাটির মাধ্যমে বক্তা কি বুঝিয়েছেন?

প্রশ্ন /২) নানা রঙের দিন নাটকে রজনীবাবুর চরিত্র ব্যাখ্যা দাও?

                                                         অথবা

*  “আমাদের দিন ফুরিয়েছে”- কোন প্রসঙ্গে এই উক্তি? এই উক্তির কারণ কি?

 তোমাদের এই দুটি নাটক থেকে একটি একটি করে প্রশ্ন আসবে এবং সেই দুটি প্রশ্নের মধ্যে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর তোমাদের দিতে হবে।


                                                     আন্তর্জাতিক কবিতা ---------

                                        পড়তে জানে এমন এক মজুরের প্রশ্ন -

প্রশ্ন /১) “পড়তে জানে এমন এক মজুরের কবিতায়” - প্রশ্ন গুলি কি কি?

প্রশ্ন /২) “বইয়ে লেখে রাজার নাম / রাজারা কি পাথর ঘাড়ে করে আনত”- কবি এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের কোন সত্য কে ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন?

 এখান থেকে তোমাদের দুটি প্রশ্ন আসবে  এবং দুটি প্রশ্নের মধ্যে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। 

                                                        ভারতীয় গল্প ------

                                                          অলৌকিক-


প্রশ্ন /১) “গল্পটা মনে পড়লেই হাসি পেত”- কোন গল্প, এই গল্পের প্রতি ফকির লেখক এর  বিশ্বাষ জন্মানোর কারণ কি?

প্রশ্ন /২) “পাঞ্জাসাহেব পৌঁছে এক আশ্চর্য ঘটনার কথা জানতে পারি” - ঘটনাটির বর্ণনা দাও?

 এখান থেকে তোমাদের একটি একটি করে দু'টি প্রশ্ন আসবে এবং তোমাদের ওই দু'টি  প্রশ্নের মধ্যে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।


                                                  পূর্ণাঙ্গ সহায়ক গ্রন্থ ----------

                                                          আমার বাংলা -

                                                 (গারো পাহাড়ের নীচে ).....

প্রশ্ন/ ১) গারো পাহাড়ের নিচে যারা বাস করে তাদের জীবনযাত্রার বর্ণনা দাও?

                                                      অথবা

 * “প্রজারা বিদ্রোহী হয়ে উঠলো” - প্রজাদের  নেতা কে? তাদের বিদ্রোহী হয়ে ওঠার কারণ কি?

                                                     (ছাতির বদলে হাতি).......

প্রশ্ন /২) “চ্যাংমানের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে”- চ্যাংমান কে? তার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ার কারণ কি?

                                                                       অথবা

* “পঁচিশ - তিরিশ বছর আগের কথা ”-পঁচিশ -তিরিশ বছর আগেকার  কাহিনীর কথা এখানে বলা হয়েছে তা লেখ?


                                                ( মেঘের গায়ে জেলখানা).......

প্রশ্ন /৩)  “জেলখানা একটা আলাদা জগৎ”- মেঘের গায়ে জেলখানা পাঠ্যএ আলাদা জগৎতের কোন চিত্র ধরা পড়েছে তা আলোচনা করো? 

                               অথবা

* বক্সার জেলখানার পরিচয় দাও?


                                                              (হাত বাড়াও )......


প্রশ্ন /৪) “পর্বত যার প্রহরী/ সমুদ্র যার পরীখা”- কোন স্থানের কথা বলা হয়েছে? সেই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থানের বর্ণনা দাও?

                                                                   অথবা

*   “আজও সেই দুটো জ্বলন্ত চোখ আমাকে থেকে থেকে পাগল করে”- কার জ্বলন্ত চোখের কথা বলা হয়েছে? কিভাবে তা বক্তা কে পাগল করেছে তা আলোচনা করো?

 এইখান থেকে যেকোনো দুটো প্রশ্ন আসবে এবং তোমাদের দুটি প্রশ্নের মধ্যে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।


                             বাংলা ভাষা ও শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির

                                                      ইতিহাস     

     

                                        বাঙালির শিল্প ও সংস্কৃতি -


                                            (বাঙালির চিত্রকলা )

***প্রশ্ন /১) বাঙালির শিল্পচর্চায় যামিনী রায়ের অবদান আলোচনা করো?

***প্রশ্ন /২) বাংলার চিত্রকলার ধার পথে গগেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পর্কে আলোচনা করো?


 (বাংলা চলচ্চিত্রের কথা )


***প্রশ্ন /১) বাংলা চলচ্চিত্র ধারায় ঋত্বিক ঘটকের অবদান লেখ?

***প্রশ্ন /২) চলচ্চিত্র পরিচালক রূপে তপন সিংহের কৃতিত্ব আলোচনা করো?


 (বাঙালির বিজ্ঞান চর্চা )

***প্রশ্ন /১) বাঙালির বিজ্ঞান চর্চা ও বিজ্ঞান ভাবনার ইতিহাসে মেঘনাদ সাহার অবদান লেখ?

***প্রশ্ন /২) বাঙালির বিজ্ঞান চর্চার ইতিহাসে জগদীশচন্দ্র বসুর অবদান আলোচনা করো?

 (বাঙালির ক্রীড়া সংস্কৃতি )


***প্রশ্ন /১) রামায়ণে বর্ণিত কাহিনী অনুসারে দাবা খেলার স্রষ্টা কে? এই খেলায় বাঙালির সাফল্যের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও?

***প্রশ্ন /২) বাঙালির ক্রীড়া ঐতিহ্য এ ফুটবলের সূত্রপাত কিভাবে ঘটে? এই পর্বের ফুটবলের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিটির নাম লেখ? বাংলা ফুটবলের কোন ঘটনা কিভাবে ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন কে উজ্জীবিত করেছিল?

 এখান থেকে যে কোন চারটি প্রশ্ন আসবে এবং সে চারটি প্রশ্নের মধ্যে যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।

 ভাষা----------

প্রশ্ন /১) রূপমূল কাকে বলে? রূপমূলের শ্রেণীবিভাগ করো উদাহরণসহ?

প্রশ্ন /২) শব্দের উপাদান মূলক তত্ত্বটি আলোচনা করো?

প্রশ্ন /৩) বাক্যের ভঙ্গিগত ও গঠনগত ও অর্থগত শ্রেণীবিভাগ করে তাদের সংজ্ঞা ও উদাহরণ দাও?

প্রশ্ন /৪) তুলনামূলক / ঐতিহাসিক/ বর্ণনামূলক ভাষা বিজ্ঞানের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য লেখ?

প্রশ্ন /৫) শব্দার্থ পরিবর্তনের ধারা গুলি উল্লেখ করে দুটি ধারা উদাহরণসহ আলোচনা করো?

 এইখান থেকে যেকোন তিনটি প্রশ্ন আসবে এবং তিনটি প্রশ্নের মধ্যে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।

मंगलवार, 26 अक्टूबर 2021

বাংলা দুঃখের গল্প। বাংলা অসহায় মানুষের গল্প।বাংলা গরিব দুঃখিনীর গল্প। অসহায় মানুষের খুব দুঃখ্যের গল্পঃ

            গল্পের নাম -             
                  অসহায় মানুষ




অসহায় মানুষের জীবন খুব কঠিন ও খুব সরল। আমি আর আমার বন্ধু মিলে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময় একটা অসহায় মানুষ কে দেখতে পাই যে রাস্তার মধ্যে বসে আছে।এবং ওই অসহায় মানুষটি রাস্তার মধ্যে বসে বসে ভিক্ষা করছে।আমি ও আমার বন্ধু মিলে ওই অসহায় এবং ভিক্ষুক মানুষটি কি দেখতে থাকি। বেশ কিছু খুন দেখার পর আমরা দুজনে বাড়ি চলে আসি।কিন্তু বাড়ি আসার পর রাত্রে যখন ঘুমাতে যাই তখন আমার খুব ওই অসহায় মানুষটির কথা মনে পরে।ওই অসহায় মানুষটির কথা ভাবতে থাকি সারা রাত, ভাবতে ভাবতে চোখে জল চলে আসে।ওই অসহায় মানুষটির মতো আমি বা আমার পরিবারের কেউ রাস্তার পাশে বসে ভিক্ষা করতো ।কিন্তু আবারো পরের দিন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওই অসহায় মানুষটি কে দেখতে পাই। এবং একই যাই গাই ওই অসহায় মানুষটা বসে বসে ভিক্ষা করছে। হটাৎ কিছু খন পর দেখি এক ভদ্র লোক ও ভদ্র মহিলা ওই অসহায় মানুষ এবং ওই ভিক্ষুক এর সামনে দিকে পেরিয়ে যাচ্ছে।এবং ওই ভদ্র মহিলা এবং ভদ্র লোকটি কে দেখে মনে হচ্ছে যে ধনী ব্যক্তি।ওই ভদ্র মহিলা এবং ওই ধনী ব্যক্তি কে দেখে মনে হইয়েছিল তারা দুজন স্বামী -স্ত্রী।



 এবং ওই রাস্তার পাশে বসে থাকা অসহায় এবং ভিক্ষুক মানুষটি ওই ভদ্র মহিলা এবং ওই ধনী ব্যক্তির কাছে ভিক্ষা চাইছে। তখন ওই ভদ্র মহিলা তার স্বামীর কাছে ওই অসহায় মানুষটি কে দেওয়ার জন্য পঞ্চাশ টাকা চাইলো। তখন ওই ভদ্র লোকটি তার স্ত্রী কে বললো যে পাঁচ টাকা দিলে তো হয়,পঞ্চাশ টাকা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।এবং সেইদিনকার ওই ভদ্র লোকটির আচরণ দেখে আমি খুব চিন্তায় পরে গিয়েছিলাম।কারণ ওই অসহায় মানুষটিকে পঞ্চাশ টাকা দিলে যেন ওই ধনী ব্যক্তির অর্ধেক সম্পত্তি নষ্ট হয়ে যাব।







 সুখের ভাগ নেওয়ার জন্য অনেকে থাকে কিন্তু কষ্টের ভাগ নেওয়ার জন্য কেউই থাকে না।কারণ ওই অসহায় মানুষটির কাছে ওই পাঁচ দশ টাকায় অনেক কিছু।ওই পাঁচ দশ টাকার বিনিময়ে ওই দিনের খাবার জুটবে ওই অসহায় এবং ভিক্ষুক মানুষটির। যেদিন টাকা জুটবে সেদিন ওই অসহায় মানুষটি খেতে পাবে আর যেদিন জুটবে না সেদিন ওই অসহায় মানুষটি কে না খেয়ে থাকতে হয়।এবং ওই অসহায় মানুষের কথা কেউ ই ভাবে না, এবং না কোনো পরিবার আছে তাঁদের, তাঁদের একলা জীবন কাটাতে হয়।এই সব কথা ভেবে আমি খুব দুক্ষিত হইয়ে ছিলাম। কারণ এক অসহায় এবং ভিক্ষুক মানুষই এবং ধনী ব্যক্তি হোক না কেন, আমাদের সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ।




অসহায় এবং ভিক্ষুক মানুষের জীবনযাত্রা খুবই কঠিন। কারণ তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ থাকে না।আর আমাদের সমাজের মানুষকে ভাবতে হবে যে আল্লাহ যদি আমাদের এই পৃথিবীতে অসহায় করে পাঠাতো তাহলে আমাদের অবস্থা তাঁদের মতোই অসহায় হতো।প্রত্যেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে আমাদের সমাজের কর্তব্য।প্রত্যেক মানুষ যদি এসব চিন্তা করতো তাহলে অসহায় মানুষ কখনো নিজেকে অসহায় মনে করতো না।



 আর লিখতে ইচ্ছে করছে না.......


কারণ,শেষ মুহূর্তে মনে হলো এ লিখা যেন ব্যর্থ। আমি অথবা হাজারো জন লিখলে ও অসহায় মানুষের ভাগ্যলিপি বদলাবে না। শুধু প্রত্যশা করি যে মানুষের জীবনে যেন এই অসহায়তা কষ্ট না আসে।..............



আসুন আমরা সকল অসহায় এবং ভিক্ষুক মানুষের পাশে দাঁড়ায়।তাঁদের একবেলা খাবারের ব্যবস্থা করে দি,তাঁদের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করি।আল্লাহ আমাদের সকল কে সমাজের প্রত্যেকটা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তৈফিক দান করুক।.......(আমিন )


                           .....সমাপ্ত......


আরো ও ভালো ভালো গল্প পেতে আমাদের ব্লগটি কে ফলো করুন।

আমারা আরও চেষ্টা করবো নতুন নতুন পোস্ট আমনাদের সামনে তুলে ধরতে।

কবে খুলতে চলেছে স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় 2022

 

কবে খুলতে চলেছে স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় 2022

খুলতে চলেছে স্কুল,কলেজ, হসপিটাল, সকারি অফিস ও সব শিক্ষা দপ্তর 2022


প্রায় দু'বছর  হতে চলেছে কোভিড ১৯ ( covid 19) মহামারীর কারণে বন্ধ রাজ্যের সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমস্ত সরকারি অফিস।


মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা কবে হবে 2022

পুজোর পর সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমস্ত সরকারি অফিস খুলার ইংগীত দিয়েছিলেন মাননীয়  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

প্রায়  দু' বছর বাদে রাজ্যে স্কুল, কলেজ খুলতে চলেছে।১৬ নভেম্বর থেকে রাজ্যের সমস্ত স্কুল খুলার আবেদন জানিয়েছে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

শিলিগুড়ির প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মুখোশচিব কে স্কুল খোলার  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে  নির্দেশ দেন মমতা ব্যানার্জি। করোনা সক্রমণের কারণে গত- বছরের মার্চ মাস থেকে বন্ধ স্কুল- কলেজ।

মমতার সেই ঘোষণার পর স্কুল খোলার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দেয় রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর। দু 'বছর বন্ধ থাকার কারণে বিভিন্ন স্কুলের ভবনীয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রায় ২০ মাস পর খুলতে চলেছে স্কুল। একই সঙ্গে কলেজও খুলতে নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে কিভাবে ছাত্র -ছাত্রীরা স্কলে আসবে তা নিয়ে ও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরী করা হচ্ছে। ছাত্র - ছাত্রীদের একই সঙ্গে না এনে ধাপে ধাপে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

একই সঙ্গে অন্যান্য ক্লাসের ছাত্র -ছাত্রীদের জন্য স্কুল খুলছে সে সম্পর্কেও এখনো কোনো তর্থ্য পাওয়া যাইনি।

যদিও মমতা বন্দোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস শুরু হবে। এবং অন্যান্যদের অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাস হবে।

কত তারিখে স্কুল ও কলেজ খুলবে 2022

এবং কলেজের ক্ষেত্রেও সব ক্লাস খুলেও কোনদিন কোন ক্লাস হবে এবং ছাত্র -ছাত্রীদের কিভাবে ভাগে ভাগে কলেজ আসতে হবে সে নিয়েও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এর আগে স্কুল শিক্ষা দফতর কর্তাদের সঙ্গে জেলা স্কুল পরিদর্শকদের সঙ্গে ভিডিও কল এ জানানো হয়েছিল যে, ২৭  অক্টোবর এর মধ্যে স্কুল স্যানিটাইজেশনের সম্পর্ণ করে জানতে হবে স্কুল গুলিকে। এবং একই সঙ্গে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির অভিভাবকদের জানাতে হবে স্যানিটাইজেশনের তথ্য। এবং করোনাই  কোনো ও ছাত্র - ছাত্রীদের বাবা বা মায়ের কোভিড এ মৃত্যু হলে  সেও তথ্য জানতে হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

এ রাজ্যে করোনা সক্রমনোর কারণে ২০২০ সালের ১৫ মার্চ থেকে স্কুল - কলেজ বন্ধ করার ঘোষণা করে রাজ্য। ছাত্র - ছাত্রীদের সুরক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ নিয়ে ছিলেন আমাদের রাজ্যের প্রধান মন্ত্রী।

তারপর কেটে গিয়েছে পারি ২০ মাস। কিন্তু করোনা সংক্রমণের অবসান না ঘটায় স্কুল - কলেজ খোলা সম্ভব হয়নি। অনলাইন এ ক্লাস হচ্ছিলো ঠিকই কিন্তু এতে বেশ কিছু বাস্তবিক সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। ফলে রাজ্যের কাছে ক্রমেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি খোলার দাবি উঠতে থাকে।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রুটিন 2022

সেই পেরিপেক্ষিতে পুজোর আগে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় নবান্নে জানিয়েছিলেন, রাজ্যে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকলে পুজোর পরই স্কুল, কলেজ খোলা হবে। শেষ পর্যন্ত, ছুটি শেষের আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় স্কুল, কলেজ ফের খোলার দিন ঘোষণা করলেন। ফলে আবারও স্কুল, কলেজমুখী হতে দেখা যাবে ছাত্র -ছাত্রীদের।

सोमवार, 25 अक्टूबर 2021

বাংলা ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প।বাংলা ভালোবাসার কষ্টের গল্প। বাংলা 2022 নতুন লাভস্টোরি।বাংলা প্রথম ভালোবাসার গল্প

 

বাংলা ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প।বাংলা ভালোবাসার কষ্টের গল্প। বাংলা 2022 নতুন লাভস্টোরি।বাংলা প্রথম ভালোবাসার গল্প

                          


             FIRST LOVE

           ....... প্রথম  ভালোবাসা........



আমার,

       মনে হয় সকলের জীবনে প্রথম ভালোবাসা হয়।আর এই ভালোবাসা সকলের জীবনে আসে স্কুল অথবা কলেজ লাইফ থেকে । আমাদের এই ভালোবাসা আমাদেরকে নতুন করে বাঁচতে শিক্ষায়।ভালোবাসা মানুষের জীবনে বার বার হয়।প্রথম ভালোবাসা হলো মানুষের জীবনে অন্য রকম ভালোবাসা।ভালোবাসা হলো দুজন দুজনের প্রতি বিস্বাস। কারণ বিশ্বাস ছাড়া ভালোবাসা হয় না। প্রথম ভালোবাসায় হাজারো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে একে অপরকে খুশি রাখার চেষ্টা করি।সারা জীবন এক সাথে হাত ধরে চলার প্রতিশ্রুতি নি। হাজারো স্বপ্ন দেখি।


 তবে সেগুলো শুধু স্বপ্ন হইয়ে থেকে যাই।আর সে স্বপ্ন সকলের পূরণ হয় না।ফার্স্ট লাভ আমাদের শিকিয়ে দেই ভালোবাসা কি?


প্রথম ভালোবাসা পূরণ হয় না ঠিকই, কিন্তু প্রথম ভালোবাসা কখনো  ভুলতে পাড়া যাই না।প্রথম ভালোবাসা ভুলবার নয় এই কথাটি ঠিকই....কথাটা কিছুটা হলেও সত্যি কিন্তু সবার জন্য নয়।


প্রথম ভালোবাসা মানুষের জীবনে খুশির না হলেও কষ্টের দাগ থেকে যাই সারাজীবন। কিন্তু যাদের জীবনে ভালোবাসাটা বার বার আসে তাঁদের এতে কিছু যাই এসে যাই না।


তাই আমাদের আজকের গল্পটা হলো প্রথম ভালোবাসা নিয়ে।


 গল্পের নাম হলো.........

                          FIRST  

                                         LOVE

 একটা ছেলে একটা মেয়ে কে খুব  ভালোবাসতো। ছেলেটির নাম ছিল শুভ ও মেয়েটির নাম ছিল শ্রাবনী ।ছেলেটি ছিল ক্লাসের ফার্স্ট বয়। ছেলেটি পড়াশুনায় খুব ভালো ছিল। একদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে শুভর সাথে শ্রাবনীর দেখা হয়। এবং সেখানে তাঁদের পরিচয় হয়। এবং পরিচয় হওয়ার পর তারা দুজন দুজনে প্রতিদিন কথা বলতে থাকে। প্রতিদিন কথা বলতে বলতে শুভ শ্রাবনী কে ভালোবেসে ফেলে। কিন্তু একথা শুভ শ্রাবনীকে জানতে দেয় না।


প্রতিদিন তারা ফেসবুক, হোয়াটস্যাপ এ রাতের পর রাত জেগে চ্যাট করতে থাকে। শ্রাবনীও শুভ কে একটু একটু করে ভালোবেসে ফেলে। কারণ শ্রাবনীর কাছে শুভ ছিল স্পেশাল।


 কারণ শুভ ছিল শ্রাবনীর কাছে বাকি সব ছেলেদের থেকে আলাদা।কারণ শুভ ছিল খুবই  শান্ত  একটা ছেলে।

 শুভ ছিল দরিদ্র পরিবারের ছেলে।আর শ্রাবনী ছিল তার বাবা মায়ের এক মাত্র সন্তান। শ্রাবনী সবে মাত্র ক্লাস নাইন এ পড়তো। শ্রাবনী কে নিয়ে তার  বাবা মায়ের অনেক স্বপ্ন ছিল 

শুভ তার বাবা মায়ের স্বপ্ন কে নষ্ট করতে চাইনি।

তাই শুভ তার সব কষ্ট কে বুকে পাথর  দিয়ে চেপে রাখলো।

সম্পর্ক থেকে সে সরে পালিয়ে যাবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিল।আর সে সব কথা শ্রাবনী কে ও জানতে দিবে না।

কিন্তু শ্রাবনী শুভকে ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারত না।

শ্রাবনী চেয়ে ছিল শুভ তাকে প্রপোস করুক।

কারণ মেয়েরা কখনো আগে প্রপোস করবেনা এটা আমরা সবাই জানি।কথায় আছে না মেয়েদের আঠারো কলা । তারজন্য শ্রাবনী ভেবেছিলো শুভ আমায় আগে এসে প্রপোস করুক।

এই সব করতে করতে দিন এর পর দিন পেরিয়ে যাই কিন্তু শুভ শ্রাবনীকে প্রপোস করে না।

কারণ শুভ ছিল দরিদ্র পরিবারের ছেলে, সে জানতো যে শ্রাবনী হলো তার বাবা মায়ের এক মাত্র সন্তান।

কিছু দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর হটাৎ একদিন শ্রাবনী শুভ কে I LOVE YOU বলে ফেলে।




এবং শুভও শ্রাবনীর প্রপোস এ না থাকতে পেরে, শুভ ও শ্রাবনীকে  তার ভালোবাসার কথা বলে ফেলে। এবং শুভ ও শ্রাবনী প্রেম সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে।

একদিন শ্রাবনী শুভ কে জিজ্ঞাসা করলো :-

কেন তুমি আমায় এতো ভালোবাসো?

শুভ বললো...

কোনো কারণ আমার জানা নেই।

শ্রাবনীকে শুভর এই উত্তর টা ভালো লাগলো না।

তার জন্য আবারো শ্রাবনী বললো

না একটা কারণ দেখাও ওকে....

কারণ......

তুমি অনেক দেখতে সুন্দরী।

শ্রাবনী তার কোথায় একটু সন্তুষ্ট হলো

তারপর শ্রাবনী একদিন হটাৎ আসুস্থ হয়ে পরে।

এবং সুস্থ হওয়ার পর তার সৌন্দর্য অনেক কমে গেলো।শ্রাবনীকে দেখতে অনেকটা রোগা ও পাতলা দেখায়। এবং শ্রাবনীর সুস্থ হওয়ার পরের দিন শুভর সাথে শ্রাবনীর দেখা হয়।

 এবং শ্রাবনী ও শুভর দেখা হওয়ার পর...

শ্রাবনী শুভ কে জিজ্ঞাসা করলো ,,,,,,

-তুমি কি আমাকে এখনো ও অতটাই ভালো বাসো।

তখন শুভ বলল না.......

তখন শ্রাবনী জিজ্ঞাসা করলো কেন?

তখন শুভ শ্রাবনী কে জবাব দিলো তুমি আগের মতো সুন্দর নও।

তার জন্য আমি তোমাই আর আগের মতো ভালোবাসি না।

শ্রাবনী তখন কাঁদতে শুরু করে দিলো। কাঁদতে কাঁদতে তার চোখের জল মাটিতে পড়ার আগে শুভ তার দুই হাত দিয়ে চোখের জল মুছে বলে,ভালোবাসা কোনো কারণ দিয়ে হয় না।.......


আমি তোমাকেই ভালোবাসতাম, আর তোমাকেই ভালোবাসবো আর সারা জীবন তোমাকেই ভালোবেসে যাবো।.....

তখন শুভ শ্রাবনীকে জড়িয়ে ধরে বললো......

I LOVE YOU শ্রাবনী।

  I REALLY REALLY LOVE YOU.......

=  I MISS YOU  =


 আমাদের জীবনে ভালোবাসা হয়তো এরকমই হয়।..............

                          


                         সমাপ্ত

আমাদের বক্তব্য 


আসা করি আমাদের গল্প  গুলি আপনাদের খুব  ভালোলাগছে । আরও নতুন  নতুন  এবং  রোমান্টিক গল্প  পেতে আমাদের ব্লগটি কে ফলো  করুন  এবং কমেন্ট বক্স এ জানিয়ে দিন যে আপনাদের গল্প  গুলি কেমন লাগছে। তাহলে আমরা ভালোভালো গল্প  আপনাদের সামনে তুলে ধরতে পারবো। আজ এই পর্যন্তই  ভালো থাকবেন............

বাংলা সফলতার গল্প। বাংলা জীবন বদলে দেয়া গল্প। বাংলা দুঃখের গল্প। বাংলা হৃদয় জোড়ানো গল্প

 

বাংলা সফলতার গল্প। বাংলা জীবন বদলে দেয়া গল্প। বাংলা দুঃখের গল্প। বাংলা হৃদয় জোড়ানো গল্প।

    সফলতার (succses) গল্প -



আমরা সবাই আমাদের জীবনে সফলতা অর্জন করতে চাই।

 কিন্তু সবাই কি নিজেদের জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারে! না, কারণ যারা সফল হতে পারে তারা আসফল ব্যক্তির থেকে আলাদা। কারণ যারা সফল হতে পারে না তারা নিজের ভাগ্য কে দোষ দিতে দিতে নিজের জীবন পার করে দেয়।





বুদ্ধি ব্যাপ্তি মানুষ বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে একটাই স্বপ্ন দেখতে থাকে " জীবনে সফলতা অর্জন করতে হবে "।এবং তারা সেই পথে সারা জীবন এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এই স্বপ্ন দেখার পিছনে এই বুদ্ধি ব্যাপ্তি মানুষদের অনেক কিছু করতে হয়।এই সফলতার পিছনে এমন কিছু বিষয় থাকে যা আমাদের কে কখনো শিক্ষা দেয়, আবার কখনো আমাদের ব্যর্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের জীবনে আমাদের ইচ্ছে শক্তির পর যেটা দরকার সেটা হলো, আমাদের ধোর্য।

কারণ এই ধোর্য  যেমন কোনো কোনো মানুষ দিতে পারে না আবার কেউ কেউ দিতে পারে।

আমাদের জীবনে ব্যর্থতা না এলে, আমরা কখনো শিক্ষা অর্জন করতে পারবো না। কারণ ব্যর্থতায় আমাদের শিক্ষা অর্জনের প্রধান কারণ।

যত দিন যাচ্ছে মানুষের জীপন যাপনের ধারণাও পাল্টে যাচ্ছে। দিনের পর দিন বদলে যাচ্ছে মানুষের শিক্ষা।

 জীবনে যদি আপনি সফল হতে চান তাহলে,থেমে না থেকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

কারণ, থেমে না থাকলে, সফলতা আপনার দিকে এগিয়ে আসবে। আর সফলতা আপনার জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠবে।

তো চলুন প্রথমেই সফলতার (succes) একটি ছোটো গল্প শুরু করা যাক। গল্পটি হলো..................

একটি শহরে একটি মেয়ে বসবাস করতো। এবং সেই শহরে তার একটা ছোট পরিবার ছিল। মেয়েটির পরিবারে ছিল তার মা ও ছোট ভাই। মেয়েটির স্বপ্ন ছিল গায়িকা হওয়া।মেয়েটি ছিল দরিদ্র পরিবারের । কিন্তু মেয়েটির বাবা মারা যাওয়ার পর ওই মেয়েটিকে তার পরিবারের দায়িত্ব নিতে হয়। এবং ওই দরিদ্র পরিবারের মেয়েটি একটা মোদের দোকানে গান করতে থেকে। এবং মোদের দোকান থেকে যে উপার্জনটা করতো তাতেই তাঁদের পরিবার ঠিক মতো চলে যেত।

এবং ওই মোদের দোকানে তাকে নোংরা নোংরা কথা এবং অপমানিত হতে হতো ওই দরিদ্র অসহায় মেয়েটি কে । কিন্তু মেয়েটিকে অপমানিত হতে হলে কিছু করার ছিল না তার। কারণ মেয়েটি ওই মোদের দোকান থেকে গান গিয়ে যে টাকা রোজগার করতো তাতেই তারা দু বেলায় দু মুঠো খাবার জোটাতো। 

এই ভাবে কিছু দিন যাওয়ার পর ওই মোদের দোকানে একটা ছেলে আসে, এবং ওই ছেলেটি ছিল বিখ্যাত গায়ক । কিন্তু ছেলেটির ওই দরিদ্র পরিবারের মেয়েটির দিকে নজর যাই। এবং সেই খানে দেখতে পাই সুন্দরী একটি মেয়ে মিষ্টি আওয়াজে গান করছে।

এবং সেই বিখ্যাত গায়ক ছেলেটিকে ওই মেয়েটির কণ্ঠ আওয়াজ (সুর ) তাকে ভালো লেগে যাই।

 এবং ওই দরিদ্র পরিবারের মেয়েটিকে ওই বিখ্যাত গায়ক ছেলেটি গান গাওয়ার সুযোগ দেয়। এবং কয়েক মাস পর দেখা যাই যে ওই দরিদ্র পরিবারের মেয়েটি বিখ্যাত সিঙ্গারে(গায়িকা )পরিণত হয় ।

                           সমাপ্ত 


তো গল্পটি থেকে আপনি কি বুঝলেন..... গল্পটা থেকে বোঝা গেলো যে মানুষের ধোর্য হলো, মানুষের জীবনে সফলতার(succes) কারন।
কারণ ওই দিন যদি মেয়েটি মোদের দোকানে অপমানিত হওয়ার পর ধোর্য ধরে গান না করতো  তাহলে মেয়েটি আজ বড়ো  স্থানে পোঁছোতে পারতো না।


আমাদের এই সফলতা সম্পর্কের গল্পটি যদি আপনাদের কে ভালো লেগে থেকে তাহলে আমাদের এই ব্লগটি কে ফলো (follow) করুন

এবং আরও নতুন নতুন গল্প আপনাদের সামনে এবং আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবো।......


বাংলা ভালোবাসার রোমান্টিক ও দুঃখের গল্প

 

বাংলা ভালোবাসার রোমান্টিক ও দুঃখের  গল্প

            .....গল্পের নাম.....

                    ধোঁকা

তো বন্ধুরা আমরা চলে এসেছি আবারো একটা নতুন ভালোবাসার দুঃখের গল্প নিয়ে।

কারন আমরা সবাই ভালোবাসায় ধোঁকা খেয়ে থাকি।তার জন্য আপনাদের সামনে আবারো একটা নতুন ভালোবাসার দুঃখের 😓 গল্প নিয়ে হাজির হয়েছি।


তো চলুন গল্পটি শুরু করা যাক আজকের গল্প হলো...

              "ধোঁকা "-

বাংলা কষ্টের ভালোবাসার গল্প। 

বন্ধুরা,

আমি যখন ক্লাস টেন এ পড়তাম ঘটনাটি ছিল তখন কার। ক্লাস টেনের শুরুতে পড়াশুনার জন্য একটা টিউশন নি। এবং টিউশন টা ছিল আমার গ্রামেই। তো ওই টিউশন এ আমার স্যার ক্লাস টেন ও ক্লাস নাইন পড়াতেন।বেশ কিছুদিনের যাওয়ার পর ওই টিউশন এ হটাৎ একটি মেয়েকে দেখতে পাই। মেয়েটি ছিল খুব সুন্দরী ও সুশীল।মেয়েটি কে প্রথম দেখাতেই ওর সাথে সারাজিবন কাটানোর স্বপ্ন দেখে ছিলাম। মেয়েটি ছিল ক্লাস নাইন এর।দিনের পর দিন পেরিয়ে যাই কিন্তু মেয়েটির প্রতি ভালোবাসা আমার দিনের পর দিন বাড়তে থাকে।

মেয়টিকে একবার দেখার জন্য প্রতিদিন টিউশন এ যেতাম।

হটাৎ একদিন মেয়েটির চোখে চোখ পরে যাই, তখন ভয়ে আমার বুক কাঁপতে থাকে। এবং কিছু দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর মেয়েটিও আমার দিকে তাকাতে থাকে।এভাবে দুজন দুজনার দিকে তাকাতে তাকাতে বেশ কয়েকটা দিন পেরিয়ে যাই। কিছু দিন যাওয়ার পর আমি সিদ্ধান্তনি যে মেয়েটাকে প্রপোস করবো।

কিন্তু আমি আমার ফ্রেন্ড এর সাহায্যে ওই মেয়েটি কে প্রপোস করে ফেলি।

কিন্তু বেশ কিছু দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর, আমার ফ্রেন্ড এর মাধ্যমে আমার প্রপোসর উত্তর টা পেলাম।

এবং উত্তর টা ছিল আমি যদি নিজের মুখে ওই মেয়েটাকে প্রপোস করতে পারি তাহলেই ওই মেয়েটা আমায় ভালোবাসবে।

কারন তার ওই উত্তর আমায় বুঝিয়ে দিয়েছিলো যে সে ও আমাকে ভালোবাসে।

এবং পরের দিন ছিল আমাদের টিউশন এ একটা ছোট্ট পিকনিক। আর সেই দিনটা ছিল আমার জীবনের সব থেকে খুশির দিন।

কারন সেই পিকনিকের দিনটা ছিল প্রপোস করার এক মাত্র সুযোগ । আর সেই দিন একটু একটু ভয় ও লাগছিলো। কারন আজ পর্যন্ত কখনো কাউকে প্রপোস করি নি তাই ভাবতে পারছিলাম না যে কি ভাবে প্রপোস করবো।

এবং সেই পিকনিকের দিন তাকে আমি প্রপোস করে ফেলি এবং আমার প্রপোস এ মেয়েটিও আমায় বলে ফেলে যে আমিও তোমাকেই ভালোবাসি।

এবং সেই মেয়েটির কথা শুনে ভাবতে পারছিলাম না যে কি করবো সেই জন্য মেয়েটিকে খুশিতে জড়িয়ে ধরি ।

নিজেকে মনে হয়েছিল এ যেন এক স্বপ্ন।

এবং প্রতিদিন টিউশন এ একে অপরকে দেখতে থাকি, হাসতে থাকি মাঝে মাঝে একটু আকটু কোথাও বলি। বেশ ভালোই লাগে। বুঝতেই পারিনা যে দিন কি ভাবে পেরিয়ে যাচ্ছে।

বাংলা কষ্টের ভালোবাসার গল্প। 

আমরা একে অপরকে কথা দি যে সারাজীবন এক সাথে থাকার। তার এই কথা শুনে আমায় খুব ভালো লাগতো।

কিন্তু আমাদের এই রিলেসন সিপের বেশ কিছু দিন পর আমি ও আমার বন্ধুরা ওই টিউশন থেকে বিদায় নি, কারন আমরা ছিলাম ক্লাস টেন।

এবং বিদায়ের কয়েক মাস পর ছিল আমার মাধ্যমিক পরীক্ষা।

Bengali bhalobasar golpo

এবং বিদায়ের পর আমরা চিঠির মাধ্যমে  নিজের মনের কথা বলতে থাকি।

এবং প্রতিদিন একে অপরের সাথে দেখা করতে থাকি। বেশ কিছুদিন দেখা হওয়ার দুই মাস পর ছিল আমার মাধ্যমিক পরীক্ষা। মাসটি ছিল মার্চ মাস (march)।

এবং মার্চ মাসের শুরুতে ছিল আমার পরীক্ষা। আমার পরীক্ষার কারণে আমি তার সাথে কোনো যোগাযোগ করিনি।

এবং পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পর যখন আমি তার সাথে যোগাযোগ করতে যাই তখন আমার একটা বন্ধু এসে আমায় এমন একটা খবর দেয় যে, তার কথা আমি বিস্বাস করিনি। কারন খবর টা ছিল আমার কাছে ভয়ঙ্কর।

তো খবর টা ছিল আমি যাকে ভালো বাসতাম সেই মেয়েটা অন্য একজনের সাথে পালিয়ে গিয়েছে। তার ওই কথা শুনে ভাবতে পারছিলাম না যে কি করবো।

দিনের পর দিন শুধু তারি কথা মনে পরে, রাতের পর রাত শুধু কাঁদতে থাকি।

কিন্তু পরে বুঝতে পারি যে, মেয়েটার জীবনে আমি শুধু একটা ছোটো চ্যাপ্টার ছিলাম যা খুব সহজেই ভুলে গিয়েছিলো।

তো বন্ধরা আপনারা সবাই এই গল্পটি থেকে কি বুঝলেন, আমরা এই গল্পটি থেকে বুঝতে পারলাম যে আমরা যাকে বেশি বিশ্বাস করবো তারাই আমাদের পিছনে এসে আঘাত দিবে।

কিন্তু এর জন্য দায়ি হচ্ছি আমরা।

কারন আমরা যখন কোনো রিলেশনসিপে যাবো তখন তার সমন্ধে আমাদের জেনে নেওয়া উচিত।

তো হ্যালো বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন। আসা করি আপনাদের কে আমাদের এই দুঃখের গল্পটি ভালো লেগেছে

যদি আপনাদের এই গল্পটি ভালো লেগে থেকে তাহলে আমাদের এই ব্লগটি কে follow করুন।

এবং আপনাদের সামনে আরও নতুন নতুন গল্প নিয়ে হাজির হবো। 👍👍👍👍👍👍👍👍

गुरुवार, 14 अक्टूबर 2021

ফেসবুক অ্যাকউন্টকে নিরাপদে রাখার উপায় ২০২২


ফেসবুক অ্যাকউন্টকে নিরাপদে রাখার উপায় ২০২২



Table:-কিভাবে নিজের ফেসবুক অ্যাকউন্টকে নিরাপদ রাখবো।কিভাবে ফেসবুকে Two step verification অন করবো।কিভাবে ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করবো।কিভাবে ফেইসবুক a নম্বর অ্যাড করব


আজ আপনাদের সামনে যে বিষয় টা তুলে ধরবো সেটা হচ্ছে আপনার ফেসবুক কে কিভাবে নিরাপদ রাখবেন ।

কারণ এখনকার জামানা খুবই খারাপ ।তাই আমাদের ফেসবুক বা আমাদের মোবাইল কে নিরাপদ রাখতে হবে।আজ আমি ফেসবুক নিয়ে বলবো ।আর পড়ে অন্যান্য অ্যাপ সম্মন্ধে বলবো।তো বেশি দেরি না করে চলুন শুরু করা যাক ।


PASSWORD: পাসওয়ার্ড

তো প্রথমত আপনাকে একটা ভালো এবং স্ট্রং পাসওয়ার্ড দিতে হবে যাতে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড না জানতে পারে ।তাই নিজের পাসওয়ার্ড কাউকে না দেয়া বা কারো মোবাইলে লগইন না করায় ভালো ।সব কিছু সবার সাথে শেয়ার করা ভালো কথা নয়।

NUMBER/নম্বর

তো আপনি যখনি ফেসবুক একাউন্ট খুলে তখন আপনার কাছে মোবাইল নম্বর চাইবে  ।সেই মোবাইল নম্বর ছাড়াও আরও একটি দুটি মোবাইল নম্বর অ্যাড করে নিবেন ।তাহলে আপনার একাউন্ট SUCURE থাকবে।আর কি করে মোবাইল নম্বর অ্যাড করতে হয় তা আমি বলে দিচ্ছি।


facebook এ  মোবাইল নম্বর অ্যাড করতে হয়।

তো প্রথমেই আপনাকে ফেসবুক টা ওপেন করে নিতে হবে এবং সেটিং এ যেতে হবে । সেটিং এ গিয়ে পার্সোনাল সেটিং এ ক্লিক করবেন তাহলে দেখতে পাবেন ।সেখানে কন্টাক ইনফর্ম দেখতে পাবেন সেটা গিয়ে দেখতে পাবেন অ্যাড করার অপশন। 

Facebok এ EMAIL I'd অ্যাড

আপনি আপনার ফেসবুক কে নিরাপদে রাখার জন্য আপনার ইমেইল টা অ্যাড করে নিতে পারেন এবং ম্যাসেজ EMAIL এর মধ্যে করে দিতে পারেন তাহলে আপনার সুভিধে হবে এবং কোনো রকম প্রবলেম হবেনা।

ফেসবুক এ TWO STEP VERIFICATION অন কিভাবে করতে হয়


এইটাই হচ্ছে আপনার ফেসবুক কে সতর্ক বা নিরাপদে রাখার সঠিক উপায় ।আপনি আপনার ফেসবুক এ TWO STEP VERIFICATION করে নিবেন তাহলে আপনার পাসও়ার্ডটা টা কেউ জেনে গেলেও কোনো কিছু করতে পারবেনা কারণ আপনার কাছে একটা ONE TYPE PASSWORD আসবে সেটা তো ও জানতে পারবেনা তাই আপনার মোবাইল এ TWO STEP VERIFICATION করা খুবই গুরত্বপূর্ণ ।


TWO STEP VERIFICATION কি করে অন করতে হয়


তো প্রথমেই আপনাকে আপনার ফেসবুক এর সেটিং এ যেতে হবে ।তার পর একটু স্ক্রল করলে দেখতে পাবেন যে security and login সেখানে ক্লিক করবেন সেখানে একটু স্ক্রল করলে দেখতে পাবেন two step verification । সেখানে আপনার নম্বর দিয়ে আর পাসওয়ার্ড দিয়ে verification on করবেন তাহলে আপনার ফেসবুক অ্যাকউন্টটি নিরাপদে থাকবে।



गुरुवार, 7 अक्टूबर 2021

বহু বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন পরিচিত ও অনুশীল আমাদের পরিবেশ।জল বাঁচাতে নিচের কোন কাজটা করা উচিত নয়।শীতকালে কোন ধরনের পোশাক পড়লে আরাম পাবে।ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল কোন ধরনের বাড়িতে আসলে সুবিধে। বহুবিকল্প ভিত্তিক বাংলা প্রশ্ন পত্র।সিংহ বাঁহাতের পাশে মানুষকে যা মনে হবে।বলবান বাঘের ভরসা

 

বহু বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন:পরিচিত ও অনুশীলন
                   আমাদের পরিবেশ


1. জল বাঁচাতে নিচের কোন কাজটা করা উচিত নয়?

গ) জলের কল খুলে রেখে দেয়া।

২.  নিচে বাড়ি এডা মানচিত্র দেয়া আছে বাড়ির কোন দিকে ফুলের বাগান আছে?



গ) দক্ষিণ দিকে।

৩. শীতকালে কোন ধরনের পোশাক পড়লে আরাম পাবে?

উত্তর:- ঘ) সোয়েটার

৪. ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল কোন ধরনের বাড়িতে আসলে সুবিধে?

খ) কাঠের বাড়ি

৫. নিচের কোনটির সাহায্যে রান্না তাড়াতাড়ি হবে?

ঘ) গ্যাস


৬. পথে যেতে যেতে তোমার খুব তেষ্টা পেয়েছে তোমার কাছে কিংবা আশেপাশে কোথাও জল নেই রাস্তার ধারে ফলের দোকানে নানা রকমের ফল আছে। তেষ্টা মেটাতে তুমি সবচেয়ে আগে কোন ফলটা খেতে চাইবে?

ঘ) ডাব

৭. তোমার ইন্দ্রিয় গুলো নানানভাবে বিভিন্ন উদ্দীপনায় সাড়া দেয় ইন্দ্রিয় ও উদ্দীপনার বিষয়ে যথাযথ নয় তা চিহ্নিত করো?

ঘ) অনেকক্ষণ খুব জোরে আওয়াজ শুনলে কষ্ট হয়.

৮. রাস্তায় চলার সময় কোন কাজটা করা নিরাপদ নয়?

গ) মোবাইলে কথা বলতে বলতে রাস্তা পেরনো।

৯. ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করুন.


ক) ফুলকপি-ফুল

১০. তোমাদের ঘরে অনেক পুরোনো খবরের কাগজ জমা হয়েছে কি করলে পরিবেশ দূষিত হবে না তোমার ঘর খালি হবে আবার নতুন কাগজ তৈরি করার ব্যবস্থাও করা যাবে ?


গ) পুরন খবরের কাগজের দোকানে বিক্রি করে।

১১. ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি মাটির বাড়ি তৈরি হচ্ছে বাড়ীর চাল ছোঁয়ার জন্য প্রকৃতি থেকে সরাসরি পাওয়া যায় এমন কোন উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে?


খ) খর

১২. তোমার বন্ধু সুজয় পরিবার বৃক্ষটি নিচে দেওয়া হল রেখা চিত্রটি পর্যবেক্ষণ করে নিচের প্রশ্নের উত্তর দাও?
সুজয় কাকা বিয়ের পর তার একটি মেয়ে হল সুইটের বাবা বাচ্চা মেয়েটির কে হন?


গ) জেঠু



                    বাংলা ক্লাস =III


ভাগ 1 নিচে দেওয়া শুরু করুন;


মানুষ একমাত্র প্রাণী চারিদিকের বন্দি যে বাঁধা নয়। মাটিতে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে নিজের খাবার নিজেই ঘটাতে পারে তারপরে শত্রু চোখে ধুলো দিয়ে পালাতে।
মানুষের না আছে বাঘের মতো বড়-বড় থাবা না আছে গন্ডারের মত বর্ম  সাপের মত বিসদাত। সিংহ বা হাতের পাশে মানুষকে মনে হবে তালপাতারসেপাই। তবুও সে জলে স্থলে আকাশে ইচ্ছামত ভেসে উড়ে যেতে পারে। গরমে ঠান্ডা কে হার মানাতে পারে গায়ের জোরে কেউ তাকে কাবু করতে পারেনি রেলগাড়ির জাহাজের প্লেন জামাকাপড় বন্ধুকে অন্যান্য জীব জানোয়ারের টাকা দেয়। বলবান বাঘের ভরসা শুধু তার নিজের মাংস বেশি বুদ্ধিমান শিবগঞ্জে ভরসা কেবল তার নিজের হাত পা কিন্তু মানুষের হাতে থাকে বর্ষা চোখে দূরবীন বা অণুবীক্ষণ।


নিচের প্রশ্নগুলির সঠিক উত্তরে দাগ দাও।



১. সিংহ বাঁহাতের পাশে মানুষকে যা মনে হবে


উত্তর:-তালপাতার সেপাই

২. জলে-স্থলে আকাশে ইচ্ছা মতো ছুটে যেতে পারে


উত্তর:-মানুষ

৩. বলবান বাঘের ভরসা


উত্তর:-নিজের মাংসপেশি

৪. গায়ের জোরে থাকে কাবু করা যায় না?


উত্তর:-মানুষ.

৫. হার এর বিপরীত শব্দটি হলো


B) জিত 

ভাগ 2- নিচে দেওয়া ছবিগুলো দেখুন

৬. ছবিগুলোতে মাংসাশী প্রাণী কে?


D)নেকড়ে

৭. ছবিগুলিতে কজনের হাতে লাঠি দেখা যাচ্ছে?


B) দুজন

৮. রাখাল গবাদিপশু চড়াচ্ছিল


A) পাহাড়ের কোলে

৯. নেকড়ে আক্রমণ করেছিল

B) ভেড়াকে

১০. ছবিগুলিতে ছাগলের মোট সংখ্যা

A) দুইটি





मंगलवार, 28 सितंबर 2021

Crashing apps on your Samsung Galaxy device? This is the solution

 

Crashing apps on your Samsung Galaxy device? This is the solution


A lot of Galaxy smartphone and tablet users are complaining about apps crashing on their devices. This issue is not just limited to Samsung’s devices. It is a widespread issue that is affecting a lot of Android users globally since yesterday. If you are among those people, you can fix those app crashes using a simple solution.

The issue is related to a system component called Android System WebView. Google released a buggy update to the component via the Play Store, which resulted in app crashes for many users. If you are facing the same issue on your Samsung Galaxy smartphone or tablet, you should try to check the Play Store and update the Android System WebView app (version 89.0.04389.105).

If you can’t spot the update, you can fix it by uninstalling the latest update to the Android System WebView. You can do that by taking the following steps on your device running One UI 3:

  1. Navigate to Settings » Apps
  2. Now tap on the sort button (with a downward arrow on it), enable the Show system apps toggle, and then tap on OK.
  3. Now find Android System WebView
    and tap on it.
  4. Tap on the three dots on the top right corner of the screen.
  5. Now select Uninstall updates

If you are on a device running Android 9, you can do the following:

  1. Navigate to Settings » Apps
  2. Tap on the three dots on the top right corner of the screen.
  3. Now tap on Show system apps.
  4. Now find Android System WebView and tap on it.
  5. Now select Uninstall updates.

Alternatively, you can also try to uninstall the update to Android System WebView directly from the Play Store.

After receiving many complaints from Galaxy device owners, Samsung’s official Twitter handle for support tweeted the solution to the problem. Google has acknowledged this issue and has already started rolling out an update to Android System WebView to fix the bug. However, since updates are rolled out in stages, the new version might not reach you today.


गुरुवार, 23 सितंबर 2021

শ্রমিক কার্ডের সুবিধা গুলি কি কি ও কিভাবে রেজিস্ট্রশন করতে হয়

 

শ্রমিক কার্ডের সুবিধা গুলি কি কি ও কিভাবে esharam  কার্ড   করতে হয়


ভারতবর্ষের যে সমস্ত অসংগঠিত শ্রমিক রয়েছে তাদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার 'e-Shram card' বা শ্রমিক কার্ড চালু করেছে। এই Portal এর মাধ্যমে প্রায় 38 কোটি অসংগঠিত শ্রমিক বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাবেন। তাই "e-Shram card online registration" কিভাবে করবেন।

এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে e-Shram card বা শ্রমিক কার্ড কি? এই Portal এর মাধ্যমে কি কি সুবিধা পেতে পারেন? এই Portal এর জন্য কারা আবেদন করতে পারবে? আবেদন করার জন্য কি কি ডকুমেন্ট লাগবে? কিভাবে অনলাইন আবেদন করবেন? সমস্ত কিছু বিস্তারিত জানাবো।

e-Shram card বা শ্রমিক কার্ড কি?

যে সকল অসংগঠিত শ্রমিক বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত তাঁদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার 'e-Shram card' বা শ্রমিক কার্ড পোর্টাল চালু করেছে। এবং এই পোর্টালের মাধ্যমে অসংগঠিত শ্রমিকদের একটি ডেটাবেস তৈরী করা হবে। যদি কোনো অসংগঠিত শ্রমিক দুর্ঘটনার শিকার হয় তাহলে 2 লক্ষ টাকার বীমা পাবেন। 

**e-Shram card online registration

e-Shram card এর মাধ্যমে কি কি সুবিধা পেতে পারেন?

এই পোর্টালের আওতায় অসংগঠিত শ্রমিক বিভিন্ন সরকারি সুযোগ সুবিধা পাবেন। অসংগঠিত শ্রমিকরা প্রায় 2 লক্ষ টাকার বীমা পাবেন। তবে যদি কোনো শ্রমিক শারীরিক ভাবে অক্ষম হয়ে যায় তাহলে 1 লক্ষ টাকা করে পাবে। 

e-Shram card এর জন্য কারা আবেদন করতে পারবে?

ই-শ্রম পোর্টালের জন্য শুধু মাত্র অসংগঠিত শ্রমিক অবেদন করতে পারবেন। 

কৃষি কাজে নিযুক্ত শ্রমিক 

কল কারখানায় নিযুক্ত শ্রমিক 

আটো ডাইভার

চা শিল্পে নিযুক্ত শ্রমিক

হোটেলে নিযুক্ত শ্রমিক

বিল্ডিং বা রাজমিস্ত্রী নিযুক্ত শ্রমিক

অটো মোবাইল নিযুক্ত শ্রমিক

স্বর্ণ কাজে নিযুক্ত শ্রমিক 

পরিয়ায়ী শ্রমিকরা এই পোর্টালের জন্য আবেদন করতে পারবে। যে সব শ্রমিকের বয়স 16 - 59 বছর সব শ্রমিক কার্ড এর জন্যে আবেদন করতে পারবেন। তবে যে সকল শ্রমিকদের EPFO এবং ESIC আছে তাঁরা কিন্তু এই পোর্টালের জন্য আবেদন করতে পারবে না।  

e-Shram portal আবেদন করার জন্য কি কি ডকুমেন্ট লাগবে?

ই-শ্রম পোর্টালের জন্য আবেদন করতে কি কি  ডকুমেন্ট লাগবে :

আধার কার্ড

মোবাইল নম্বর (আধার কার্ড এর সঙ্গে লিঙ্ক থাকতে হবে)

নিজস্ব ব্যাংক একাউন্ট 

ইনকাম সার্টিফিকেট 

স্কুল সার্টিফিকেট

'সমর্থন প্রকল্পে' ৫০ হাজার অনুদান রাজ্যের। সমর্থন প্রকল্প কি? আবেদন পদ্ধতি? কি কি ডকুমেন্টস লাগবে?


e-Shram card কিভাবে অনলাইন আবেদন করবেন?

ই-শ্রম অনলাইন আবেদন করার জন্য প্রথমে গুগলে e-Shram.gov.in ওপেন করবেন। এরপর REGISTER on e-Shram অপশনে ক্লিক করবেন।

e-Shram portal

পরবর্তী পেজটি ওপেন হবে সেখানে আধার কার্ডের সঙ্গে যে মোবাইল নম্বরটি রেজিস্টার আছে সেই মোবাইল নম্বরটি দেবেন এবং ক্যাপচার কোডটি বসিয়ে Sent OTP তে ক্লিক করবেন। এরপর OTP বসিয়ে Submit করলে পরবর্তী পেজটি ওপেন হবে সেখানে আধার নম্বর দিয়ে "I agree to the terms & conditions for registration under eSHRAM Portal" অপশনে ক্লিক করে Sent OTP ক্লিক করবেন। এরপর OTP বসিয়ে Submit করলে পরবর্তী পেজটিতে আপনার আধার কার্ডের সমস্ত ডিটেলস চলে আসবে এরপর Parsonal Details , Nominee Details, Address, Qualification and Income Details, Occupation Details, Bank Account Details সমস্ত তথ্য দিয়ে Submit করলে 'e-Shram card' অবেদন হয়ে যাবে।

এবং 'e-Shram card' আপনারা pdf download করেনিতে পারবে।

ইতিমধ্যে 567579 অসংগঠিত শ্রমিক রেজিস্ট্রেশন করেছে।


e-Shram Portal অফিসিয়াল ওয়েবসাইট লিংক - Click Here 


e-Shram card বিষয়ে জানতে 14434 টোল ফ্রি নাম্বার চালু করেছে কেন্দ্র।

बुधवार, 22 सितंबर 2021

SC/ST/OBC এর ফ্রম ফিলাপ কি করে করবো।ওবিসি এর আবেদন কি করে করবো।SC এর আবেদন কি করে করবো।ST এর ফ্রম ফিলাপ কি করে করবো

SC / ST /OBC কার্ড অনলাইনে আবেদন করতে গেলে আপনাদের কি কি ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে ? অনলাইন প্রসেস টি কেমন হবে ? কোথা থেকে আপনারা আবেদন করতে পারবেন ? আবেদন করতে নিম্নতম ফ্রি কত হতে পারে ? কত দিনে আমরা সার্টিফিকেট হাতে পাব ?-এই ধরনের প্রশ্ন কিন্তু আমাদের মনের মধ্যে জেগে ওঠে কাস্ট সার্টিফিকেট আবেদন করার আগে |
 

 Cast সার্টিফিকেট আবেদন কিভাবে করবেন
 


কাস্ট সার্টিফিকেট আবেদন করতে গেলে আপনাদের প্রথমে একটি অনলাইনে ফরম ফিলাপ করতে হবে এবং BDO মারফত সেই ফরমটি আপনারা পেয়ে যাবেন এই ফলটিকে আপনাকে সম্পূর্ণ ফিলাপ করতে হবে সচেতনভাবে | 
 হাতে ফর্মটা ফিলাপ করার পরে আপনাকে আবার অনলাইনে ফরম ফিলাপ করতে হবে এবং অনলাইন থেকে আপনাকে আবেদন করার সময় কাছে রাখতে হবে।

 SC,ST,OBC ফ্রম ফিলাপ করতে কি কি  ডকুমেন্টস লাগবে:-

1) বয়সের প্রমাণপত্র হিসেবে আধার কার্ড অথবা বার্থ সার্টিফিকেট।


2) দুই কপি পাসপোর্ট মাপের ছবি।

3) আপনার নির্দিষ্ট একটি মোবাইল নাম্বার।

4) বাড়িতে যদি কারো সার্টিফিকেট থাকে সার্টিফিকেট প্রত্যায়িত নকল।

5) পাড়ায় যে কজনের রেফারেন্স লাগাবেন অনলাইনে তাদের ভোটার লিস্টের জেরক্স কপি ।

6) 1993 সালের আগেকার বাড়ির দলিল অথবা পর্চা জেরক্স।

7) আপনার বাবা মায়ের ভোটের কার্ড ও ভোটার লিস্টের জেরক্স।

8) পঞ্চায়েত প্রধানের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দা সার্টিফিকেট.।

9) এবং আপনার পরিবারের বংশপঞ্জি।


 এই সমস্ত ডকুমেন্টস গুলি কে প্রথমে আপনাকে কালেক্ট করতে হবে তারপরে কিন্তু ফিজিক্যাল ফরমটি আপনার ফিলাপ করে লোকাল ভিডিও অথবা দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গিয়ে জমা দিতে পারবেন।


এগুলি কাছে রেখে আপনারা আবেদন শুরু করবেন এবং আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেলে আপনার কাছে একটি ফর্ম ও একটি একনলেজমেন্ট স্লিপ জেনারেট হয়ে যাবে আপনারা সেগুলো প্রিন্ট করে কাছে রেখে দেবেন | ফর্মটির নির্দিষ্ট জায়গায় দেখবেন আপনার এক কপি পাসপোর্ট ছবি চাওয়া হয়েছে আপনারা সেখানে আপনাদের ছবিটি লাগিয়ে দেবেন এবং সেখানে আপনি বা আপনার গার্জেনের একটি স্বাক্ষর করিয়ে দেবেন | দেবার পর আপনি সেগুলির সাথে আপনার যে সমস্ত ডকুমেন্টস রয়েছে যেগুলো থেকে বোঝায় আপনি এখানকার স্থানীয় বাসিন্দা সেই সমস্ত ডকুমেন্টস এবং সাথে ফরম ফিলাপ করার সময় আপনি যে দুইজন রেফারেন্স এর নাম উল্লেখ করেছিলেন তাদের সাথে করে ভেরিফিকেশন এর তারিখে আপনাকে কিন্তু ভিডিও অফিসে নিয়ে যেতে হবে সেখান থেকে আপনার ডকুমেন্টস ভেরিফাই হয় আপনাকে একটি নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া হবে এবং সেই তারিখে আপনার কিন্তু সেখানে গিয়ে খোঁজ নিতে হবে এবং ভিডিও মারফত কিন্তু আপনার কার সার্টিফিকেট আপনাকে প্রদান করা হবে।



 গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়:-
 যারা কার সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছেন মহিলাদের ক্ষেত্রে অনেকেই হয়তো আবেদন করার সময় যে দুজন সাক্ষীর নাম অনলাইনে দিচ্ছেন সেখানে অনেকেই ভুল করছেন। এক্ষেত্রে আপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হল- জেহেতু আবেদন করছেন আপনি স্বামীর বাড়ি থেকে তাই সাক্ষী হিসেবে কিন্তু আপনাকে স্বামীর গ্রামের দুইজন লোকাল Referrences এর নাম আপনাকে দিতে হবে। অনলাইনে ফরম ফিলাপ করার সময় তার পর আপনি যখন আপনার ফিজিক্যাল ফরমটি লোকাল বিডিও অফিসে জমা দেবেন তখন আপনাকে ওই দু'জন রেফারেন্সের অথবা সাক্ষীর ভোটার লিস্টের জেরক্স আপনার ফর্ম এর সাথে স্টাপল করে আপনাকে জমা দিতে হবে।

Simple Calculator 7 8 9 ÷ 4 5 6 × 1 2 3 - 0 C ...